শিক্ষক নিগ্রহে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখালেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। বৃহস্পতিবার উপাচার্যের ঘরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন একদল পড়ুয়া। তাঁদের দাবি, যে তিন ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাঁদের শাস্তি প্রত্যাহার করতে হবে। বেলা ২টো পর্যন্ত তাঁরা তাঁদের দাবিতে অনড় ছিলেন।
গত ২০ ফেব্রুয়ারি, এসএফআই ও উই দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট-এর সদস্যদের মধ্যে সংঘাত তৈরি হয়। মধ্যস্থতা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন দুই অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ ও ললিত মাধব। ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গড়েন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। মুখবন্ধ খামে আগামী শুক্রবার তার রিপোর্ট পেশ করবেন সদস্যেরা। কিন্তু তার আগেই সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিন ছাত্র ও এক প্রাক্তনীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তিন পড়ুয়াকে পরবর্তী দু’সপ্তাহ ক্যাম্পাসে ঢুকতে নিষেধ করা হয়। প্রাক্তনীর উপর নিষেধাজ্ঞা অনির্দিষ্ট কালের।
আরও পড়ুন:
পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েই আপত্তি রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল পড়ুয়ার। তাই অবস্থান-বিক্ষোভ শুরু করেছেন তাঁরা। তবে শুধু এটুকুই নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্তা জানান, বুধবার উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের সঙ্গে একদল পড়ুয়ার বাদানুবাদ হয়। নির্দেশিকা প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা হয় বলেও খবর। পরে অবশ্য তাঁর গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেননি চিরঞ্জীব। তবে এ দিনও কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসে শিক্ষক নিগ্রহের মতো ঘটনায় কোনও নমনীয়তা দেখানো হবে না।
যদিও অবস্থানরত পড়ুয়াদের কাছে তাঁদের বিক্ষোভ সম্পর্কে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে এক ছাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলে তিনি স্পষ্ট বলেন, “এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করব না।”