এসআইআর-এর নাম করে এ রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা বানচাল করার ছক কষেছিল কেন্দ্র, এমনই দাবি করলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। শনিবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তাঁরা কোনও ভাবেই পরীক্ষা বানচাল করতে দেবেন না। সমস্ত ব্যবস্থা সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হবে।
মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হতে আর মাত্র একদিন বাকি। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি সারা হয়ে গিয়েছে। প্রায় ৯ লক্ষ ৭০ হাজার পড়ুয়ার এ বার পরীক্ষায় বসবে। কিন্তু পরীক্ষার দিনগুলিতে নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকতে হবে শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে স্কুল পরিদর্শক এবং জেলা স্কুল পরিদর্শকদের। তাঁদের সকলের উপরই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে বড় পরীক্ষার ক্ষেত্রে।
আরও পড়ুন:
দু’টি দায়িত্ব কী ভাবে পালন করবেন তাঁরা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বন্দ্ব। শুক্রবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সাফ জানিয়েছে, কত শিক্ষক বা পরিদর্শক ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনীর কাজে ব্যস্ত, ক’জন মাধ্যমিকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন তার কোনও সুনির্দিষ্ট তালিকা তাদের হাতে নেই। পর্ষদ ইতিমধ্যেই জানিয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য শিক্ষক-আধিকারিক মিলিয়ে ৫২ থেকে ৫৫ হাজার কর্মী যুক্ত থাকে।
এ প্রসঙ্গেই শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “মাধ্যমিক পরীক্ষা যাতে বানচাল করা যায়, সে জন্য নানা রকম চেষ্টা চালানো হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার ও নির্বাচন কমিশনের তরফে। কিন্তু আমরা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলাম। আমরা রাজ্যের পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করছি কোনও চিন্তা নেই।”
ব্রাত্য দাবি করেন, পুরোটাই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি বলেন, “কেন্দ্র চাইছে না বাঙালি ছেলেমেয়েরা পরীক্ষায় ভাল ফল করুক। বিজেপি চায় বাঙালির কেরিয়ার ধ্বংস হোক। কিন্তু কোনও ভয় নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন, আমরা আছি।”