যান্ত্রিক গোলযোগের কারণ পরীক্ষা দিতে পারেননি ৩,৭৬৫ জন। তাঁদের ফের পরীক্ষা নেওয়া হবে। পূর্ব-নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, ৭ জুনের মধ্যে অন্য পরীক্ষা নেওয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। আয়োজক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, সফল ভাবে কুয়েট ইউজি শেষ হল।
কিন্তু যাঁরা পরীক্ষা দিতে পারেননি, তাঁদের পরীক্ষা কবে নেওয়া হবে, সে সংক্রান্ত কোনও তথ্যই জানাল না এনটিএ। উল্লেখ্য, কুয়েট ইউজি-র জন্য নাম নথিভুক্ত করেছিলেন ১৫ লক্ষ ৬৮,৮৬৭ জন। দেশের ৮৬৮টি এবং বিদেশের ১৫টি কেন্দ্রে মোট ৩৭টি ভাষায় ওই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ৩১ মে পরীক্ষা শুরুর আগে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশনের সময় যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে বেশ কিছু কেন্দ্রে। পরিচয় যাচাইকরণ অসম্পূর্ণ থাকায় ৩ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেন না।
তাঁদের ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, এমনটাই ঘোষণা করেছিল এনটিএ। কিন্তু কুয়েট ইউজি শেষ হওয়ার পরও আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সেই কথা উল্লেখই করা হয়নি। বরং সেখানে লেখা হয়েছে, স্বচ্ছ এবং সুরক্ষিত ভাবে এই পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে, যাতে পরীক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে উত্তর লিখতে পারেন।
উল্লেখ্য, এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে পড়ুয়ারা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে পছন্দের বিষয় নিয়ে স্নাতকে ভর্তি হতে পারেন। অথচ, সেই পরীক্ষায় বসতেই পারেননি ৩ হাজারেরও বেশি প্রার্থী। তাঁদের পরীক্ষা-ই বা কবে হবে, কবে সেই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আর কবেই বা তাঁরা ভর্তি হতে পারবেন? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন পরীক্ষার্থীরা।