পাঠ্যবইয়ের ভুল খুঁজে দেবেন রাজ্যবাসী। ‘মুদ্রণ প্রমাদ’ বিতর্কের মুখে ত্রুটি সংশোধনের নয়া পদ্ধতি বেছে নিল ওড়িশা সরকার। সরকারের তরফে সদ্যই প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের নতুন সংস্করণের খসড়া অনলাইন মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে কোনও ত্রুটি সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা যাচাই করার সুযোগ পাবেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
ওড়িশা স্কুল এডুকেশন প্রোগ্রাম অথরিটি এবং স্টেট কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং-এর (এসসিইআরটি) ওয়েবসাইট থেকে ওই বইগুলি দেখে নেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। আগ্রহীরা বই সম্পর্কিত যাবতীয় মতামত ই-মেল মারফত কিংবা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে জানানোর সুযোগ পাবেন। সব মতামত খতিয়ে দেখার পর বই ছাপানোর জন্য পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন:
চলতি শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার পরই স্কুলপাঠ্যে আইজ্যাক নিউটনকে বিশ্বমানের পাইলট, বিজয়নগর সাম্রাজ্যের রাজধানী হাম্পির নামের পাশে কোণার্ক মন্দিরের ছবি থাকায় বিতর্কের মুখে পড়তে হয়েছে ওড়িশা সরকারকে। তারপরই জানা যায়, ‘হম দিল দে চুকে সনম’ এবং ‘মিশন কাশ্মীর’ ছবির তিনটি গানের উল্লেখ রয়েছে তৃতীয় এবং পঞ্চম শ্রেণির পাঠ্যে। এরপরই চলতি সপ্তাহে ওড়িশা সরকারের তরফে জানানো হয়, নতুন করে সংশোধন করার পর বই ছাপানোর প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নতুন পাঠ্যবইয়ে এমন একটি বা দু’টি নয়, মোট ১,৬৭৮টি ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে। ওই ঘটনার পর এসসিইআরটি-সহ শিক্ষাবিভাগের চার কর্তাকে নিলম্বিত করেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, ছ’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে চলেছে ওড়িশা সরকার। এ বার নতুন বই ছাপানোর আগে সকলের মতামত চেয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।