Advertisement
E-Paper

বদলি প্রক্রিয়া আরও সহজ করুক রাজ্য, ১৪ দফা দাবি জানিয়ে দফতরে ই-মেল শিক্ষকদের একাংশের

উৎসশ্রী পোর্টাল ফের চালু হওয়ায় শিক্ষকদের অনেক সুবিধা হবে। কিন্তু বেশ কিছু রদবদলও প্রয়োজন বলে মনে করছেন শিক্ষকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬ ২৩:৩০

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

প্রায় চার বছর পরে চালু হয়েছে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বদলির আবেদনের প্রক্রিয়া। খুলে দেওয়া হয়েছে উৎসশ্রী পোর্টাল। এ বারে রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বদলি প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, দ্রুত ও কার্যকর করার দাবিতে ১৪ দফা দাবি তুলে ধরল শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ। শনিবার স্কুলশিক্ষামন্ত্রী এবং স্কুলশিক্ষা দফতরের কমিশনারের উদ্দেশে ই-মেল করে এই দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী।

সংগঠনের দাবি, উৎসশ্রী পোর্টালে বিভিন্ন ত্রুটি রয়েছে। অবিলম্বে সেগুলির সমাধান করতে হবে। প্রথমেই তাঁদের দাবি, অতীতে বদলির যে আবেদন করা হয়েছিল সেইগুলি প্রথমে‌ সুরাহা করতে হবে। একই সঙ্গে বিভাগ সংক্রান্ত জটিলতা মিটিয়ে সাধারণ বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষকেরা যেন উচ্চমাধ্যমিক বিভাগে বদলির সুযোগ পান সেটাও বিবেচনা করা দাবি জানিয়েছেন তিনি। নতুন নিয়োগের আগে ‘সিঙ্গল সাবজেক্ট টিচার’-দের কোনও শর্ত ছাড়াই বদলির আবেদন রয়েছে তাঁর।

এ ক্ষেত্রে সাধারণত নিয়ম অনুযায়ী এই শিক্ষকদের কী ভাবে বদলি হয়?

দফতর সূত্রের খবর, কোনও স্কুলে একটি বিষয়ের যদি এক জন শিক্ষক থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই শিক্ষকই হন ‘সিঙ্গল সাবজেক্ট টিচার’। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে ওই শিক্ষকই একমাত্র ভরসা। এই সব শিক্ষকদের বদলির ক্ষেত্রে পৃথক নিয়ম চালু রয়েছে। প্রথমত, এই ধরনের শিক্ষকদের বদলির প্রক্রিয়াটি একটু জটিল। কারণ, ওই শিক্ষক বদলি হয়ে গেলে তার প্রভাব পড়ে সরাসরি ছাত্রছাত্রীদের উপরে। তাই নিয়ম অনুযায়ী, ওই শিক্ষক তখনই বদলির অনুমতি পাবেন, যদি জেলা স্কুল পরিদর্শক ওই শিক্ষকের জায়গায় অন্য কোনও শিক্ষককে দায়িত্ব দিতে পারেন। না হলে বদলির কোনও সম্ভাবনা নেই। এখানেই শর্ত ছাড়া বদলির আবেদন বিবেচনার কথা বলেছেন কিঙ্কর।

যদিও জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এই বিশেষ ক্ষেত্রটি বিশেষ ভাবে খতিয়ে দেখতে তথ্য সংগ্রহ করছে স্কুলশিক্ষা দফতর। নিয়ম ভেঙে কোথাও বদলি হয়েছে কি না সেটাও দেখা হতে পারে ধারণা শিক্ষা মহলের।

পাশাপাশি, আপস বদলির ক্ষেত্রে একাধিক বিকল্পের সুযোগ এবং বদলির ক্ষেত্রে দূরত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মতো একাধিক প্রস্তাব রাখা হয়েছে এই সংগঠনের পক্ষ থেকে। যে সব কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী ২০১৬ সালে বদলির জন্য পরীক্ষা দিয়েছিলেন সমস্যায় রয়েছেন তাঁরা। প্যানেল বাতিল হওয়ায় তাঁদের চাকরি রয়েছে। কিন্তু ফের পুরনো স্কুলে ফিরে যেতে হয়েছে। তাঁদেরও বদলির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন কিঙ্কর। তিনি বলেন, ‘‘প্রস্তাবগুলি কার্যকর হলে উৎসশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া আরও বাস্তবসম্মত হবে।’’

west bengal school education department

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy