Advertisement
E-Paper

প্রলম্বিত গ্রীষ্মাবকাশ নয়, পড়াশোনা হোক সকালে, সরকারের কাছে দাবি শিক্ষক সংগঠনগুলির

এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি গরমে পুড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ৫-৬ ঘণ্টা স্কুলের পঠনপাঠন পড়ুয়াদের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। তাই সকালে, যখন রোদের তাপ কম থাকবে, তখন ক্লাস করানোর দাবি করছেন শিক্ষকেরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:২৫

— প্রতীকী চিত্র।

দু’দফায় বিধানসভা ভোট সম্পন্ন হতে চলেছে। আগামী ৪ মে ফলঘোষণা। এরই মধ্যে চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রার পারদ। এ দিকে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন এবং বিধানসভা ভোটের কারণে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় ব্যাপক প্রভাব পড়েছে বলে দাবি। ফলে আগামী কয়েক মাস স্কুলগুলিতে ভাল পড়াশোনা না হলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতে সমস্যা হতে পারে, আশঙ্কা শিক্ষকদের। এই পরিস্থিতিতে গরমের ছুটি এগিয়ে না এনে সকালে পঠনপাঠন শুরু করার পক্ষপাতী শিক্ষকদের একাংশ।

এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি গরমে পুড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ৫-৬ ঘণ্টা স্কুলের পঠনপাঠন পড়ুয়াদের জন্য সমস্যা তৈরি করছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। তাই সকালে, যখন রোদের তাপ কম থাকবে, তখন ক্লাস করানোর দাবি করছেন শিক্ষকেরা।

গত বেশ কয়েক বছর ধরেই এ রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে নির্ধারিত গ্রীষ্মাবকাশের অনেক আগেই স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়। তাতে শিক্ষাদিবস নষ্ট হয় বলে অভিযোগ। অনেক সময়েই পাঠ্যক্রম শেষ করতে পারেন না শিক্ষকেরা।

এই পরিস্থিতিতে স্কুলছুটের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা শিক্ষকদের একাংশের। সে কারণে প্রাথমিক ভাবে নির্ধারিত গ্রীষ্মাবকাশের বেশি ছুটি না দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল করেছেন তাঁরা। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, ‘‘বাম আমলে গরম পড়লেই সকালে স্কুল চালু হত। এর ফলে কখনও শিক্ষাদিবসের সংখ্যা কমে যায়নি। সুস্থ ভাবে পড়ুয়ারা স্কুল করতে পারত।’’

সেই একই পদ্ধতিতে সকালে স্কুল চালানোর দাবি তুলল নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে এই দাবি করা হয়েছে। শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের তরফেও প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব স্তরে সকালে স্কুল চালু করার দাবি জানানো হয়েছে। তারা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের পাশাপাশি মধ্যশিক্ষা পর্ষদেও আবেদন জানিয়েছে।

নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল বলেন, “দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তীব্র গরম। এই সময় স্কুলে এসে ক্লাস করা কষ্টসাধ্য শিশুদের পক্ষে। রোদ চড়া হওয়ার আগেই ক্লাস শেষ হয়ে গেলে ওদের কষ্ট কম হয়।” একই ভাবে শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারীও পড়ুয়াদের স্বাস্থ্যের প্রতি বিবেচনা করে বেলার বদলে সকালে স্কুল চালুর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘পড়ুয়ারা শরীর সুস্থ রেখে যেন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে সেটা দেখাই সকলের কর্তব্য।’’

School education department Summer Vacation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy