Advertisement
E-Paper

নবম-দশমে বৃত্তিমূলক পাঠ হোক আবশ্যিক, দাবি তুলে স্মারকলিপি জমা দিলেন শিক্ষকেরা

গত সাত বছর কোনও পাঠ্যবই এবং গবেষণাগার ছাড়াই এই বিষয়ের পঠনপাঠন চলছে বলে অভিযোগ। এই অবস্থার উন্নতির জন্য এর আগেও বহু বার আবেদন করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনের শিক্ষকেরা। প্র্যাকটিকাল পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১৩
বিকাশ ভবনে শিক্ষকেরা ।

বিকাশ ভবনে শিক্ষকেরা । নিজস্ব চিত্র।

রাজ্যের সরকার পোষিত কলেজগুলিতে চালু করতে হবে বৃত্তিমূলক শিক্ষা। পাশাপাশি নবম–দশমেও এই বিষয়কে আবশ্যিক করার দাবি জানাল ইউনাইটেড ওয়েস্টবেঙ্গল এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক) টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার বিকাশ ভবনে স্কুল ও উচ্চ শিক্ষা দফতরে পৃথক ভাবে স্মরকলিপি দিয়ে এই দাবি করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনের সভাপতি নিরুপম কোলে। পাশাপাশি এজেন্সির বেড়াজাল থেকে তাঁদের মুক্ত করে স্থায়ী করণের দাবিও তোলা হয়েছে। নিরুপম এ দিন জানান, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে রাজ্যের স্কুলগুলিতে ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় পড়ানো হয়। কিন্তু সরকারি স্তরে কোনও কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের কোনও বিষয় নেই। উচ্চ মাধ্যমিকের পরে কেউ এই বিষয নিয়ে পড়তে চাইলে ভরসা বেসরকারি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ই।

সে কারণে তাঁদের দাবি পর্যটন, অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিক্স, রিটেল-সহ ১৬টি বিষয়ে ব্যাচেলর ইন ভোকেশনাল (বিভোক) কোর্স চালু করতে হবে। না হলে পড়ুয়ারা বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তাঁদের দাবি।

Advertisement

পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে অন্য রাজ্যের মতো এ রাজ্যেও নবম-দশমে বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে আবশ্যিক করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। অভিযোগ, গত সাত বছর কোনও পাঠ্যবই এবং গবেষণাগার ছাড়াই এই বিষয়ের পঠনপাঠন চলছে। এই অবস্থার উন্নতির জন্য এর আগেও বহু বার আবেদন করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনের শিক্ষকেরা। প্র্যাকটিকাল পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। স্মারকলিপিতে তাঁরা উল্লেখ করেছেন, প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার দায়িত্ব যেন যোগ্য শিক্ষকদেরই দেওয়া হয়।

নিরুপম বলেন, ‘‘যে শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে প্র্যাকটিকাল পরীক্ষা নেওয়া যায়, অনেক সময়ই তা থাকে না। অনেক সময়ে ভিন্‌ রাজ্য থেকেও তাঁদের নিয়ে আসা হয়।’’ এই ব্যবস্থা বদলে উচ্চ মাধ্যমিকের বাকি পরীক্ষা যেমন পদ্ধতিতে নেওয়া হয় সেই পদ্ধতি চালু করার দাবি জানানো হয়েছে।

স্মারকলিপিতে তাঁদের দুরবস্থার কথাও তুলে ধরেছেন তাঁরা। নিরুপমের বক্তব্য, ‘‘সরকার বেতনের অর্থ দিয়ে দিয়েছে এজেন্সিকে। কিন্তু শিক্ষক নিয়োগকর্তা এজেন্সিগুলি সেই টাকা আটকে রেখেছে। ডিসেম্বরের বেতন কেউ কেউ এপ্রিলে পেলেন। মাসে পেয়েছেন। তাই আমরা চাকরির স্থায়ীকরণের দাবি করছি।”

WB Teachers Deputation
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy