Advertisement
E-Paper

ভোটের মুখে এ বার বদলি স্কুলের প্রধানশিক্ষক! কোন অভিযোগে পদক্ষেপ জেলা স্কুল পরিদর্শকের?

ওই প্রধানশিক্ষক দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তের কারণ তিনি কিছুই জানেন না। সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি তাঁর। আপাতত ৬ মে পর্যন্ত তাঁকে বসিরহাটের একটি স্কুলে বদলি করা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:০৯

— প্রতীকী চিত্র।

ভোটের মুখে বদলি করে দেওয়া হল সরকার পোষিত এক স্কুলের প্রধানশিক্ষককে। সোমবার, এই মর্মে জেলা স্কুল পরিদর্শক নির্দেশিকা জারি করেন। জানা গিয়েছে, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ দায়ের হয়েছিল নির্বাচন কমিশনে। তবে, সে সব অস্বীকার করেছেন ওই প্রধানশিক্ষক।

জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের একটি স্কুলের প্রধানশিক্ষককে বদলি করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশেই জেলা স্কুল পরিদর্শকের বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। ভেন্যু কো-অর্ডিনেটর হিসাবেও নিযুক্ত ওই স্কুলের প্রধানশিক্ষকের সঙ্গে তৃণমূলের যোগসাজস রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। ১৯ ও ২০ এপ্রিল তাঁর স্কুলে ভোটকর্মীদের ভোটদানের গোপনীয়তা ভঙ্গ করেছেন বলেও বিভিন্ন জায়গায় খবর ছড়িয়ে পড়ে। সোমবারই তাঁকে স্কুল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

যদিও ওই প্রধানশিক্ষক দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তের কারণ তিনি কিছুই জানেন না। সংবাদমাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি তাঁর। আপাতত ৬ মে পর্যন্ত তাঁকে বসিরহাটের একটি স্কুলে বদলি করা হয়েছে।

Advertisement

সূত্রের খবর, ঘটনার সূত্রপাত মার্চে। প্রশিক্ষণকেন্দ্রে ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ চলাকালীন নোয়াপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের সঙ্গে তিনি একসঙ্গে বসেছিলেন অভিযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিংহ। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে তৃণাঙ্কুরের সঙ্গে ওই প্রধানশিক্ষকের একাধিক ছবি। যদিও তিনি দাবি করেন, প্রচারের সময়ে তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। তিনি কথাও বলেন। পরে কেউ সেই ছবি তুলে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।

এর পর বিজেপি-র তরফে এক্স হ্যান্ডেলে সেই ছবি পোস্ট করে দাবি করা হয়, তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। খবর পৌঁছয় নির্বাচন কমিশনে। যদিও ওই প্রধানশিক্ষক মঙ্গলবার দাবি করেন, কোনও বৈঠক করা হয়নি। শুধু দেখা হয়েছিল। ১৯ ও ২০ এপ্রিল ভোটকর্মীদের ভোটদানের গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে ফের নাম জড়ায় তাঁর।

যদিও তিনি মঙ্গলবার আনন্দবাজার ডট কমে-এর প্রতিনিধিকে জানান, গত ১৩ এপ্রিল বিষ্ণুপুরে তাঁর মাতৃবিয়োগ ঘটেছে। তিনি গত কয়েক দিন সেখানেই রয়েছেন। কী কারণে অন্য স্কুলে বদলি করা হল, তা তাঁকে জানানো হয়নি। শুধু কিছু মেমো নম্বরের উল্লেখ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে নির্বাচন কমিশনেক তরফেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘ভিত্তিহীন অভিযোগ। ১৯-২০ এপ্রিল আমি কেন্দ্রেই ছিলাম না।’’

school Asembly Election 2026 wb
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy