দলের নেতাদের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বৈঠকে ‘ইগো’ সরিয়ে রাখার বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার রাতে দলের কয়েক হাজার নেতার সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন তিনি। সেই বৈঠকে নির্দিষ্ট জেলার নাম না-করে অভিষেক বলেন, প্রথম দফার ভোটের আগে শেষ সাত দিন ‘ইগো’ সরিয়ে রেখে কাজ করতে হবে।
সূত্রের খবর, অভিষেক বলেছেন, ‘ইগো’ সরিয়ে রেখে কাজ করুন, আসন এবং ভোট শতাংশ দুই-ই বাড়বে। বিধানসভা ভোটের আগে অভিষেকের এ হেন বক্তব্যকে দলের অন্দরে ‘ভোকাল টনিক’ হিসাবেই মনে করা হচ্ছে।
ইডি-সহ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সক্রিয় ভূমিকা নিয়েও বৈঠকে মন্তব্য করেন অভিষেক। সূত্রের খবর, তিনি বলেন, বিজেপি হারবে জেনেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করছে। অভিষেক এবং তাঁর স্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশি করার নির্দেশিকা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন হল, কেন ‘ইগো’ সরিয়ে রাখার বার্তা দিলেন অভিষেক? আনুষ্ঠানিক ভাবে এ নিয়ে তৃণমূলের কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি। তবে একান্ত আলোচনায় অনেকেই বলছেন, জেলায় জেলায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল জারি রয়েছে। বীরভূমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভামঞ্চে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের কোন্দল প্রকাশ্যে এসে পড়েছে।
সূত্রের খবর, দলের অভ্যন্তরীণ বৈঠকেও অমিত শাহের নাম না-করে ‘গুজরাতের গুন্ডা’ বলে কটাক্ষ করেন অভিষেক। কংগ্রেসকেও নিশানা করেছেন অভিষেক। মালদহ এবং মুর্শিদাবাদ জেলার নেতাদের উদ্দেশে বলেছেন, আগামী কয়েকদিন এই প্রচার করতে হবে, কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপি-কে ভোট দেওয়া।