Advertisement

নবান্ন অভিযান

বহরমপুরে রোড শোয়ের মাঝেই অসুস্থ মিঠুন! অভিনেতাকে ছাড়াই কর্মসূচি শেষ করলেন বিজেপি প্রার্থী সুব্রত

বিজেপি সূত্রে খবর, মিছিল নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছোনোর পরেই অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন মিঠুন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তড়িঘড়ি বিশ্রামের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫৯
বহরমপুরে রোডশোয়ে মিঠুন চক্রবর্তী।

বহরমপুরে রোডশোয়ে মিঠুন চক্রবর্তী। — নিজস্ব চিত্র।

মুর্শিদাবাদের বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মিত্রের সমর্থনে রোডশো চলছিল। তার মাঝেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লেন রোডশোয়ে উপস্থিত থাকা বিজেপি নেতা তথা অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি সূত্রে খবর, পরিস্থিতি দেখে কর্মসূচির মাঝপথেই তাঁকে তড়িঘড়ি বিশ্রামের জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এর পরে মিঠুনকে ছাড়াই এগিয়ে যায় মিছিল।

বৃহস্পতিবার বহরমপুর গান্ধী কলোনি সার্কিট হাউসের সামনে থেকে বিজেপির রোডশো শুরু হয়েছিল। বিজেপি সূত্রে খবর, মিছিল নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছোনোর পরেই অস্বস্তি বোধ করতে থাকেন মিঠুন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে তড়িঘড়ি বিশ্রামের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। মিঠুনকে ছাড়াই সুব্রত এবং বিজেপির অন্য নেতা-কর্মীরা খাগড়া চৌরাস্তার দিকে রওনা হন। বিজেপি সূত্রে খবর, গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কলকাতার দিকে রওনা হয়েছেন।

বহরমপুরে বিজেপির সুব্রতের লড়াই কংগ্রেসের অধীর চৌধুরী এবং তৃণমূলের নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তাঁর হয়েই বহরমপুরে বৃহস্পতিবার প্রচারে গিয়েছিলেন মিঠুন। সেখানে গিয়ে আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে খবর।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১ মিনিট আগে
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy