Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের মুখে আবার রেজিনগরে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে মিলল ব্যাগ ভর্তি বোমা! ফাঁড়ির একেবারে কাছেই

এই ছেতিয়ানি ঘোষপাড়া এলাকায় মাস খানেক আগেই পরপর বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল। বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে এক জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৫:২৮
রেজিনগরে উদ্ধার হওয়া বোমা।

রেজিনগরে উদ্ধার হওয়া বোমা। — নিজস্ব চিত্র।

বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকের রেজিনগর। সোমবার সকালে রেজিনগরের ছেতিয়ানি ঘোষপাড়ার একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে থেকে উদ্ধার হল দু’ব্যাগ ভর্তি তাজা বোমা। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি থাকা সত্ত্বেও দুষ্কৃতীরা কী ভাবে রাতের অন্ধকারে বোমা রেখে যায়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, রবিবার রাতে কেউ ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের কাছে দু’টি বড় ব্যাগ ফেলে রেখে যায়। সোমবার সকালে বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান। খবর দেওয়া হয় রেজিনগর থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং বোম ডিজ়পোজাল স্কোয়াডকে খবর দেয়। বর্তমানে সিভিক ভলান্টিয়ারদের কড়া পাহারায় বোমাগুলি রাখা হয়েছে।

এই ছেতিয়ানি ঘোষপাড়া এলাকায় মাস খানেক আগেই পরপর বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছিল। বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণে এক জনের মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে। সেই সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মুর্শিদাবাদ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সামনে এ ভাবে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশের নজরদারি নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে। বেলডাঙ্গা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক উত্তম গড়াই বলেন, ‘‘তদন্ত শুরু হয়েছে। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। এলাকায় টহলদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
bomb
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy