শুধু বুথ নয়, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যেও নজরদারি আরও কড়া করল নির্বাচন কমিশন। এখন বুথমুখী ১০০ মিটার রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এ বার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার অগ্রবাল কাকদ্বীপে জানিয়েছেন, বুথের ১০০ মিটার এলাকায় অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। সেটি ‘সিএপিএফ এলাকা’ বলে চিহ্নিত করা হবে। ভোটকর্মীদের জন্য খাবার বা জল নিয়ে বুথে যেতে হলে ডিএমের ছাড়পত্র লাগবে।
মনোজ রবিবার সকালে কাকদ্বীপে যান। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে করে তিনি কাকদ্বীপের স্টিমারঘাটের হেলিপ্যাডে নামেন। সেখান থেকে সরাসরি কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে যান তিনি। সকাল ১০টা নাগাদ মহকুমা শাসকের দফতরে একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করাই ছিল বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য, জানিয়েছেন মনোজ। বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম। ওঁদের আশঙ্কার কথা শুনলাম। রাজ্যে ভোট হবে অবাধ। ভুয়ো ভোট, হুমকি— এ সব হতে দেব না।’’ তার পরেই মনোজ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আশ্বস্ত করছি, ভোট দিন। ভোটদানের হার যাতে ৯০ শতাংশের বেশি হয়, তা নিশ্চিত করুন। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার।’’ সিইও জানিয়েছেন, ভোটদানে কেউ বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সব রাজনৈতিক দলকে সে কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মনোজ জানিয়েছেন, বুথে বুথে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনার সময় এবং তার আগে ও পরের ফুটেজ দেখা হবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। বুথের আশপাশে সরু গলিতে টহলের জন্য পুলিশ, সিএপিএফ বাইক চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৩৯
‘ষড়যন্ত্র করে মমতাদি কিছু মতুয়া, নমশূদ্রের নাম ভোটারতালিকা থেকে বাদ দিয়েছেন’! রানাঘাটের সভায় অভিযোগ শাহের -
১৫:৫০
‘তদন্তে বাধার সৃষ্টি, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা করেছিল তৃণমূল সরকার’! আই-প্যাক মামলায় সুপ্রিম-নির্দেশের প্রসঙ্গ মোদীর মুখে -
১৫:৩৭
হুমকি দিলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, নইলে নজিরবিহীন শাস্তি! পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা নির্বাচন কমিশনের -
১২:২১
ডায়মন্ড হারবারে ভোটারদের হুমকি: অভিযোগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কমিশনের নির্দেশে এফআইআর দায়ের -
১০:০৫
ডায়মন্ড হারবারে ভোটারদের হুমকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে! নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের, কাকদ্বীপ যাচ্ছেন সিইও