Advertisement

নবান্ন অভিযান

বুথমুখী রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা! ভোট গ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটার চৌহদ্দিতে আরও কড়া নজরদারি দ্বিতীয় দফায়

সিইও মনোজ অগ্রবাল জানিয়েছেন, ভোটদানে কেউ বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। কাকদ্বীপের বৈঠকে সব রাজনৈতিক দলকে সে কথা জানানো হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০২

— প্রতীকী চিত্র।

শুধু বুথ নয়, বুথের ১০০ মিটারের মধ্যেও নজরদারি আরও কড়া করল নির্বাচন কমিশন। এখন বুথমুখী ১০০ মিটার রাস্তায় থাকবে সিসি ক্যামেরা। এত দিন বুথের মধ্যে একটি এবং বাইরে একটি করে সিসি ক্যামেরা বসানো থাকত। এ বার বুথমুখী রাস্তাতেও বসবে সিসি ক্যামেরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার অগ্রবাল কাকদ্বীপে জানিয়েছেন, বুথের ১০০ মিটার এলাকায় অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। সেটি ‘সিএপিএফ এলাকা’ বলে চিহ্নিত করা হবে। ভোটকর্মীদের জন্য খাবার বা জল নিয়ে বুথে যেতে হলে ডিএমের ছাড়পত্র লাগবে।

মনোজ রবিবার সকালে কাকদ্বীপে যান। সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ হেলিকপ্টারে করে তিনি কাকদ্বীপের স্টিমারঘাটের হেলিপ্যাডে নামেন। সেখান থেকে সরাসরি কাকদ্বীপ মহকুমা শাসকের দফতরে যান তিনি। সকাল ১০টা নাগাদ মহকুমা শাসকের দফতরে একটি সর্বদলীয় বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। আসন্ন নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিশ্চিত করাই ছিল বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য, জানিয়েছেন মনোজ। বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বললাম। ওঁদের আশঙ্কার কথা শুনলাম। রাজ্যে ভোট হবে অবাধ। ভুয়ো ভোট, হুমকি— এ সব হতে দেব না।’’ তার পরেই মনোজ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ‘‘আশ্বস্ত করছি, ভোট দিন। ভোটদানের হার যাতে ৯০ শতাংশের বেশি হয়, তা নিশ্চিত করুন। এটা আপনার সাংবিধানিক অধিকার।’’ সিইও জানিয়েছেন, ভোটদানে কেউ বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। সব রাজনৈতিক দলকে সে কথা জানানো হয়েছে।

মনোজ জানিয়েছেন, বুথে বুথে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। অভিযোগ জমা পড়লে ঘটনার সময় এবং তার আগে ও পরের ফুটেজ দেখা হবে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে অনুমতি নেই, এমন কেউ প্রবেশ করতে পারবেন না। বুথের আশপাশে সরু গলিতে টহলের জন্য পুলিশ, সিএপিএফ বাইক চালানোর অনুমতি চেয়েছিল। তা দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy