Advertisement

নবান্ন অভিযান

হুমকি দিলে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, নইলে নজিরবিহীন শাস্তি! পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা নির্বাচন কমিশনের

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজেদের এলাকার মধ্যে যদি কোনও বিস্ফোরক উদ্ধার হয় বা কেউ ভয় দেখানোর কৌশল অবলম্বন করে, তা হলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা আইসি-কে নজিরবিহীন পরিণতির মুখে পড়তে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৩৭

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কলকাতা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ এবং নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করল নির্বাচন কমিশন। কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে হওয়া এই বৈঠকে পারস্পরিক সমন্বয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, ভোটের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি), পুলিশ সুপার (এসপি), ওসি, আইসি-সহ সব পুলিশ আধিকারিকদের কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়‌েছে, নিজেদের এলাকার মধ্যে যদি কোনও বিস্ফোরক উদ্ধার হয় বা কেউ ভয় দেখানোর কৌশল অবলম্বন করে, তা হলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা আইসি-কে নজিরবিহীন পরিণতির মুখে পড়তে হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাই এই সমস্ত ক্ষেত্রে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ করতে হবে।

রবিবারের বৈঠকে ছিলেন কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিইও এবং পর্যবেক্ষকেরা। বৈঠকে ছিলেন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
Election Commission West Bengal Police Kolkata Police
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy