Advertisement
WBState_Assembly_Elections_Lead0_02-05-26

নবান্ন অভিযান

এ বার কালীঘাট থানার নতুন ওসির নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজেপি প্রার্থী! সিপি অজয়কে খতিয়ে দেখার নির্দেশ সিইও-র

কালীঘাটের নতুন ওসি হিসাবে চামেলির নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বিজেপি প্রার্থী মানব গুহ। তাঁর দাবি, চামেলি একটি মামলায় অভিযুক্ত এবং সেটি এখনও বিচারাধীন। এ অবস্থায় নির্বাচনের সময়ে কী ভাবে চামেলিকে একটি থানার ওসি করা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন বিজেপি প্রার্থীর।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ২৩:২৮
মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল। —ফাইল চিত্র।

রাইফেল-কাণ্ডের মাঝে কালীঘাট থানার ওসি বদল করা হয়েছে। কিন্তু নতুন ওসি চামেলি মুখোপাধ্যায়ের নিয়োগ নিয়েও এ বার প্রশ্ন উঠল। আগের ওসি গৌতম দাসকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। এ বার নতুন ওসির নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। নতুন ওসির নিয়োগ ঘিরে যে অভিযোগ উঠেছে, তা কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয়কুমার নন্দকে খতিয়ে দেখতে বলেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল।

কালীঘাট থানার নতুন ওসি হিসাবে চামেলির নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পূর্ব বর্ধমানের মেমারির বিজেপি প্রার্থী মানব গুহ। তাঁর দাবি, চামেলি একটি মামলায় অভিযুক্ত এবং সেটি এখনও বিচারাধীন। এ অবস্থায় নির্বাচনের সময়ে কী ভাবে চামেলিকে একটি থানার ওসি করা হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন বিজেপি প্রার্থীর। এ বিষয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মানব।

সিইও মনোজ শনিবার রাতে বলেন, “কালীঘাট থানার নতুন ওসি নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। তাই কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি দেখতে বলা হয়েছে। ওই ওসির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ রয়েছে, তা কমিশনের জানা ছিল না। যদি কারও বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকে, তা হলে ভোটের কাজে থাকতে পারবেন না।”

কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি গৌতমকে ঘিরে সম্প্রতি একটি বিতর্ক দানা বেঁধেছিল। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সমাজমাধ্যমে একটি স্টেটাস। শুক্রবার রাতে ওই ছবিটিকে ‘আপত্তিকর’ বলে দাবি করে তৃণমূল। কমিশনে দৃষ্টি আকর্ষণও করে তারা। তৃণমূলের তরফে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গিয়েছে যে, একটি অত্যাধুনিক রাইফেল হাতে থানায় নিজের চেয়ারে বসে রয়েছেন গৌতম। তার পরনে পুলিশের উর্দি (যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। গৌতম নিজেই ফেসবুক এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপ স্টেটাসে সেই ছবি পোস্ট করেন বলেও দাবি করে তৃণমূল।

ওই ছবি ঘিরে শোরগোলের মাঝেই শনিবার গৌতমকে নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করে কলকাতা পুলিশ। তাঁর জায়গায় কালীঘাট থানার দায়িত্বে আনা হয় চামেলি মুখোপাধ্যায়কে। এ বার সেই নতুন দায়িত্ব পাওয়া ওসিকে নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি শিবির।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৩ ঘণ্টা আগে
kalighat Kolkata Police Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy