Advertisement

নবান্ন অভিযান

কেউ হুমকি দিচ্ছে? ভয় দেখাচ্ছে? ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন কমিশনকে! এ রাজ্যের জন্য চালু পৃথক টোল ফ্রি নম্বর

কমিশন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলাজনিত যে কোনও সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবেন ভোটারেরা। চাইলে কমিশনকে ইমেলও করতে পারেন তাঁরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৬
Election Commission launches separate toll free number and email ID for West Bengal assembly election

নতুন টোল ফ্রি নম্বর চালুর কথা জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোটের সময় কেউ হুমকি দিচ্ছেন? কেউ ভয় দেখাচ্ছেন? অভিযোগ থাকলে এ বার তা সরাসরি নির্বাচন কমিশনকে জানাতে পারবেন ভোটারেরা! অশান্তি বা আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোনও সমস্যা থাকলে ভোটারেরা যাতে কমিশনকে জানাতে পারেন, সে জন্য পৃথক টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হল। শুধু টোল ফ্রি নম্বর নয়, একটি পৃথক ইমেল আইডি-ও চালু করেছে কমিশন।

কমিশন জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলাজনিত যে কোনও সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট ওই টোল ফি নম্বরে ফোন করে জানাতে পারবেন ভোটারেরা। চাইলে কমিশনকে ইমেলও করতে পারেন তাঁরা। হুমকি দেওয়া, ভয় দেখানো, মারধর-সহ নিজের এলাকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কোনও অভিযোগ থাকলে তা কমিশনকে সরাসরি জানানোর সুযোগ মিলবে ভোটারদের।

ইতিমধ্যেই কমিশনের একটি টোল ফ্রি নম্বর রয়েছে। ১৯৫০ নম্বরে ফোন করে ভোটারেরা কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের জন্য পৃথক টোল ফ্রি নম্বর চালুর কথা জানিয়েছে কমিশন। ১৮০০৩৪৫০০০৮— এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে ভোটারেরা কমিশনকে অভিযোগ জানাতে পারবেন। যে পৃথক ইমেল আইডি চালু করেছে, সেটা হল wbfreeandfairpolls@gmail.com। সোমবার থেকেই এই পৃথক টোল ফ্রি নম্বর এবং ইমেল আইডি চালু করল কমিশন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল এ ব্যাপারে বলেন, ‘‘নির্বাচন প্রায় এসেই গিয়েছে। এখন আমাদের কাছে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত অভিযোগ আসে। সেই কারণে আমরা পৃথক একটি টোল ফ্রি নম্বর এবং ইমেল আইডি চালু করলাম। যে কোনও সময় সেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটারেরা। অভিযোগ পাওয়ার পরে আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব।’’

নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময়েই কমিশন জানিয়েছিল, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করতে সব রকম পদক্ষেপ করবে তারা। ইতিমধ্যেই তারা বিভিন্ন পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। ভোটের অনেক আগে থেকেই পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে কমিশন। ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি দূর করতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় রুটমার্চ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা, ভোটের পশ্চিমবঙ্গে কোনও ধরনের অশান্তি চায় না তারা। অভিযোগ উঠলেই তা দ্রুত খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করছে কমিশন।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
toll free number Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy