মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আদালতে তারা এ-ও জানায়, ওই দিনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার পরেই এনআইএ-কে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে? আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, মোথাবাড়িতে যা ঘটেছে, তা যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে!
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে দিন কয়েক আগে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতরে রাত পর্যন্ত আটকে রেখেছিল উত্তেজিত জনতা। সেই বিষয় গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি ছিল। একই সঙ্গেই মোথাবাড়ির ঘটনা সম্পর্কিত মামলাও শোনে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এনআইএ জানায়, রবিবার মোথাবাড়ির ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই কয়েক দিনে তারা কী তদন্ত করেছে, তার স্টেটাস রিপোর্টও জমা দেয় এনআইএ। তার পরেই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি? আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকুক।’’
আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কলকাতার আদালতে ১২টি এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। তারা এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। আইএসএফের এক নেতার পরে দুই কংগ্রেস নেতাকেও পাকড়াও করেছেন তদন্তকারীরা। সেই বিষয়টিও সোমবার আদালতে জানায় এনআইএ। তবে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি সম্পর্কে বিশদে জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট।