Advertisement

নবান্ন অভিযান

মোথাবাড়িকাণ্ডে ধৃতদের রাজনীতি-যোগ নিয়ে এনআইএ-কে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের! কাগজে-কলমে আটকে না-থাকার নির্দেশ

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে এনআইএ জানিয়েছে, ওই দিনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট জমা দিয়েছে এনআইএ।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:০২
NIA submits progress report on Malda incident investigation to Supreme Court

মোথাবাড়ির ঘটনার তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা করল এনআইএ। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মালদহের কালিয়াচকে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টে তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। আদালতে তারা এ-ও জানায়, ওই দিনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার পরেই এনআইএ-কে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের প্রশ্ন, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগাযোগ রয়েছে? আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ, মোথাবাড়িতে যা ঘটেছে, তা যেন শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থাকে!

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে দিন কয়েক আগে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআরের কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতরে রাত পর্যন্ত আটকে রেখেছিল উত্তেজিত জনতা। সেই বিষয় গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি ছিল। একই সঙ্গেই মোথাবাড়ির ঘটনা সম্পর্কিত মামলাও শোনে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এনআইএ জানায়, রবিবার মোথাবাড়ির ঘটনার মূল চক্রান্তকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এই কয়েক দিনে তারা কী তদন্ত করেছে, তার স্টেটাস রিপোর্টও জমা দেয় এনআইএ। তার পরেই প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, ‘‘এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি? আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকুক।’’

ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতের নির্দেশে কলকাতার আদালতে ১২টি এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। তারা এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট তিন জনকে গ্রেফতার করেছে। আইএসএফের এক নেতার পরে দুই কংগ্রেস নেতাকেও পাকড়াও করেছেন তদন্তকারীরা। সেই বিষয়টিও সোমবার আদালতে জানায় এনআইএ। তবে তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়টি সম্পর্কে বিশদে জানতে চায় সুপ্রিম কোর্ট।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
সর্বশেষ
২৬ মিনিট আগে
Unrest Situation NIA Mothabari
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy