দ্বিতীয় দফার ভোটের আগের রাতেই বহুতলের ভোটকেন্দ্রগুলিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হচ্ছে। দু’জন করে জওয়ান এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী প্রত্যেক বহুতল বুথের বাইরে থাকবেন। ভোটারদের নিরাপত্তা তাঁদের নিশ্চিত করতে হবে। মঙ্গলবার রাজ্য পুলিশ এবং কলকাতা পুলিশকে এই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর। বলা হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে এই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।
রাতে দু’জন করে সিএপিএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স) আধিকারিক প্রতিটি বহুতলের বুথের প্রবেশদ্বারে থাকবেন। রাজ্য পুলিশের বাহিনীও তাঁদের সঙ্গে থাকবে। এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকবে ‘পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম’। এর মাধ্যমে জনসাধারণের উদ্দেশে কোনও জরুরি ঘোষণা করা যাবে।
আরও পড়ুন:
কমিশন জানিয়েছে, ‘পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম’-এর মাধ্যমে নিয়মিত মাইকিং করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। সকল ভোটারকে নির্ভয়ে ভোট দিতে বেরোতে অনুরোধ করতে হবে মাইকে। ঘোষণা করতে হবে, ‘‘ভয়ের কোনও কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন আপনাদের সঙ্গে রয়েছে। আপনাদের এলাকায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করা হচ্ছে।’’ রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে কমিশন।
দ্বিতীয় তথা শেষ দফায় রাজ্যের সাত জেলার ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে বুধবার। এ বারের নির্বাচনে বহুতলের ভিতর পৃথক ভোটকেন্দ্র তৈরি করে ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতা-সহ বিভিন্ন শহরাঞ্চলে এই ধরনের বহুতল রয়েছে। সেখানে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বাড়তি তৎপর কমিশন। দ্বিতীয় দফার জন্য বাড়তি পুলিশ পর্যবেক্ষকও নিয়োগ করা হয়েছে। দিকে দিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহলদারি, রুট মার্চ চলছে। তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশও। সঙ্গে চলছে ধরপাকড়। ভোটমুখী জেলাগুলিতে গত ৬০ ঘণ্টায় ২,৪৭৩ জনকে বিভিন্ন অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২২:৩১
ছাব্বিশের ‘নন্দীগ্রাম’ ভবানীপুর! পাঁচ বছর পর ফের মমতা-শুভেন্দু দ্বৈরথ, এগোনো-পিছোনোর অঙ্ক জুড়ে রয়েছে যুযুধান দুই শিবিরেই -
২২:১৮
‘মাস্টারমশাই আপনি কিন্তু...’! ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগে কমিশন সতর্ক করল রাজারহাটের শিক্ষক-নেতাকে -
২১:৪৮
দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূমের অতিরিক্ত জেলাশাসককে সরিয়ে দিল কমিশন! করতে পারবেন না ভোটের কোনও কাজ -
২১:২৬
ভোট মিটে যাওয়ার পর আরও দু’মাস পশ্চিমবঙ্গে থেকে যাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ঘোষণা শাহের, সিদ্ধান্ত বলবৎ নিয়ে শুরু জল্পনা -
২১:০৮
‘ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি করতেই মন্তব্য অজয়ের’! ‘সিংহম’ বিতর্কে বললেন সিইও মনোজ, মঙ্গলবারও রাতভর দফতরে