সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়ে রেখেছিল। সেই মতো দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে ফের অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। ট্রাইবুনালে আবেদনের নিষ্পত্তি হওয়ার পরে দ্বিতীয় দফার ভোটে ‘পাশ’ হওয়া ১৪৬৮ জনের নাম জুড়ছে ভোটার তালিকায়। বাদও গিয়েছে ৬ জনের নাম।
বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন রয়েছে। সাত জেলার মোট ১৪২টি আসনে হবে ভোটগ্রহণ। নতুন প্রকাশিত অতিরিক্ত তালিকায় দ্বিতীয় দফার ভোটকেন্দ্রগুলির যে ভোটারদের নাম জুড়ল, তাঁরাও ভোট দিতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা আগেই ‘ফ্রিজ়’ হয়ে গিয়েছিল। তবে সুপ্রিম কোর্টে নির্দেশ ছিল, ভোটের দু’দিন আগেও ট্রাইবুনাল যে সমস্ত নামের নিষ্পত্তি করবে এবং যাঁদের ভোটার হিসাবে ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশ মোতাবেক এ বার পদক্ষেপ করল কমিশন। জানা যাচ্ছে, সোমবার পর্যন্ত যে আবেদনগুলির নিষ্পত্তি হয়েছে ট্রাইবুনালে, তার ভিত্তিতে এই অতিরিক্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এর আগে প্রথম দফার ভোটের আগেও আদালতের নির্দেশ মতো একটি অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তখন প্রথম দফার ১৩৯ জন ভোটারের নাম তালিকায় যুক্ত করা হয়। তবে আগের তালিকা থেকে মুছেও দেওয়া হল আট জনের নাম। বস্তুত, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষাধিক নাম। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা সেই বিবেচনাধীন তালিকার নামগুলির নিষ্পত্তি করেন। তাতেও অনেক ভোটার ‘অযোগ্য’ হিসাবে বিবেচিত হয়েছিলেন। এ অবস্থায় আদালত জানিয়েছিল, চাইলে ওই ভোটারেরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন।
আরও পড়ুন:
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের ভোটারদের প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। তার পর থেকে ধাপে ধাপে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ বার ট্রাইবুনালে সোমবার পর্যন্ত যে আবেদনগুলির নিষ্পত্তি হয়েছে, তার ভিত্তিতে একটি তালিকা প্রকাশ করল কমিশন। বুধবার কলকাতার পাশাপাশি দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমানে ভোট রয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
০৯:২৭
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভোটের দায়িত্ব বুঝে নিতে হবে পুলিশ আধিকারিকদের, কার কোথায় পোস্টিং, বলে দেওয়া হল তা-ও -
০০:২৪
ভবানীপুরে তৃণমূল-বিজেপির অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ, রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক -
২২:২১
উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা পুলিশ পর্যবেক্ষকের হুঁশিয়ারি-ভিডিয়ো ছড়াতেই ‘এক্তিয়ার’ নিয়ে প্রশ্ন! কী বলছে কমিশনের ‘হ্যান্ডবুক’? -
১৯:৩৫
তিন দিকে কামারহাটি ঘেরা বরাহনগরের একখণ্ড ‘দ্বীপ’! এ বারেও কেউ ভোট চাইতে এল না বেলঘরিয়ার পাড়ায় -
১৯:০৮
৩৬ দিনে ১০০টি কেন্দ্র ছুঁয়েছেন অভিষেক, তবে ‘সেনাপতি’র পা পড়ল না ববি-অরূপদের মতো অনেক নেতা-মন্ত্রীর বিধানসভায়