Advertisement

নবান্ন অভিযান

কেন্দ্রে ভোটার প্রবেশ করতে পারবেন কি না স্থির করবেন বিএলও! প্রতি বুথে ভোটার সহায়তা কেন্দ্র চালু কমিশনের

কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটকর্মী, ইভিএম, ওয়েব ক্যামেরা, ভোটের সামগ্রি এবং সহায়তা বুথের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করতে হবে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:১৭
কারা প্রবেশ করতে পারবেন বুথে, সেই নিয়ে নির্দেশিকা দিল কমিশন।

কারা প্রবেশ করতে পারবেন বুথে, সেই নিয়ে নির্দেশিকা দিল কমিশন। — ফাইল চিত্র।

ভোটারদের ভোট দিতে বুথে প্রবেশ নিয়ে নতুন নিয়ম নির্বাচন কমিশনের। প্রতি বুথে থাকবে ‘ভোটার সহায়তা বুথ’। সেখানে দু’জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। সহায়তা বুথে ভোট শুরুর আগে থেকে উপস্থিত থাকবেন বিএলও এবং তাঁর এক সহকারী। তাঁরাই স্থির করবেন, কোন ভোটার ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন।

কমিশন জানিয়েছে, বিএলওর কাছে ভোটার তালিকার কপি থাকবে। ভোটারকে তাঁর নাম ও সিরিয়াল নম্বর খুঁজে পেতে সাহায্য করতে হবে বিএলও-কেই। ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে যে, তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য কি না এবং তা ভোটার তালিকার তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। ভোটার তালিকায় থাকা ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ভোটারকে শনাক্ত করতে হবে। বিএলও সন্তুষ্ট হলে তাঁকে লাইনে দাঁড়াতে দেবেন।

বিএলও-কে নিশ্চিত করতে হবে, ভোটারের বাঁ হাতের তর্জনীতে কোনও কালির চিহ্ন নেই। মহিলা কর্মীরা মুখ ঢেকে থাকা মহিলা ভোটারদের পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটকর্মী, ইভিএম, ওয়েব ক্যামেরা, ভোটের সামগ্রী এবং সহায়তা বুথের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করতে হবে।

২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে তারা। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ হয়ে যাবে— দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি, জঙ্গলমহলেও প্রথম দফায় নির্বাচন রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে এই দফাতেই ভোট হবে। অন্য দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও এই দফায় ভোটগ্রহণ।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটে লড়ছেন ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। কোচবিহার দক্ষিণ এবং ইটাহার— প্রথম দফার এই দু’টি আসনে ভোটে লড়ছেন সবচেয়ে বেশি প্রার্থী। দু’টি আসনের প্রতিটিতে প্রার্থী সংখ্যা ১৫।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy