Advertisement

নবান্ন অভিযান

প্রতি কেন্দ্রের পাঁচ শতাংশ ইভিএমে হাজার বার ভোট দিয়ে চলবে মহড়া! থাকতে পারবেন প্রার্থীরাও, জানাল কমিশন

২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। তাতে বুথের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩৭৮।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৩

— প্রতীকী চিত্র।

প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে মোট যত ইভিএম রয়েছে, তার পাঁচ শতাংশে হাজার বার ভোট দিয়ে চলবে মহড়া (মক পোল)। কোন ইভিএমগুলিতে এই পরীক্ষা চলবে, তা বাছাই করতে পারবেন সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধিরা। পরীক্ষার সময়ে উপস্থিতিও থাকতে পারবেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ঠিক জায়গায় ভোট পড়ছে কি না, তা দেখার জন্যই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নির্ভুল ভাবে ভোট করানোই কমিশনের উদ্দেশ্য।

এমনিতে প্রত্যেক ইভিএমে মহড়া দেওয়া হয়। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫০ বার ভোট দিয়ে ওই পরীক্ষা করা হয়। কমিশন জানাল, এ বার প্রতি বিধানসভা কেন্দ্রের পাঁচ শতাংশ ইভিএমে হাজার বার ভোট দিয়ে মহড়া দেওয়া হবে। কোন ইভিএমগুলিতে তা হবে, বাছাই করবেন প্রার্থীরাই। ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার ভোট। তাতে বুথের সংখ্যা ৪৪ হাজার ৩৭৮।

ইভিএম কার্যকর করার আগে দুই ধাপে তা পরখ করা হয়। প্রথম ধাপে উপস্থিত থাকেন ডিইও (জেলা নির্বাচনী আধিকারিক) এবং রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। দ্বিতীয় ধাপে উপস্থিত থাকেন কেন্দ্রের প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি। তার পরে ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট রাখা থাকে স্ট্রং রুমে।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে ইভিএমে প্রার্থীর ছবি রঙিন হবে। আগে সাদা-কালো ছবি থাকত। ছবিতে প্রার্থীর মুখ বেশি জায়গা জুড়ে থাকবে, যাতে সহজে চেনা যায়। ক্রমিক নম্বর আরও বড় এবং স্পষ্ট ভাবে লেখা থাকবে। প্রত্যেক প্রার্থী বা ‘নোটা’র নম্বর বড় হরফে এবং মোটা অক্ষরে লেখা থাকবে, যাতে ভোটারেরা সহজে দেখতে পান। সব প্রার্থীর নাম একই ধরনের অক্ষরে লেখা হবে, একই ফন্ট, একই আকারে নাম ছাপানো হবে। কারও নাম ছোট, কারও বড়, এমন হবে না। ব্যালট কাগজের মান উন্নত হবে। ছাপানো হবে ভাল মানের (৭০ জিএসএম) কাগজে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১ ঘণ্টা আগে
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy