Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটের মুখে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি-কে সাসপেন্ডের নির্দেশ কমিশনের, শুক্রবার এখানেই জনসভা রয়েছে শাহের

বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনের তরফে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশিকা জারি করা হয়। রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে কমিশনের নির্দেশ মতো পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৩৫
Election Commission suspends Hingalganj OC Sandip Sarkar

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি সন্দীপ সরকারকে এ বার নিলম্বিত (সাসপেন্ড) করল নির্বাচন কমিশন। অবিলম্বে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কী কারণে এই সাসপেনশন, তা নির্দেশিকায় স্পষ্ট নয়। তবে কমিশন সূত্রে খবর, কর্তব্যে গাফিলতির কারণেই এই নির্দেশ।

বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনের তরফে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশিকা জারি করা হয়। রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে কমিশনের নির্দেশ মতো পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। তাঁর জায়গায় অবিলম্বে অন্য কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। শুধু সাসপেনশন নয়, সন্দীপের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ঘটনাচক্রে, শুক্রবারই হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তাঁর এই নির্বাচনী প্রচারের আগে হিঙ্গলগঞ্জের থানার ওসি-কে সরিয়ে দিল কমিশন।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ ২৯ এপ্রিল এই হিঙ্গলগঞ্জে ভোট রয়েছে। তার আগে সন্দীপকে সাসপেন্ড করার ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়েছে। কেন ভোটের মুখে হিঙ্গলগঞ্জ থানার ওসি-কে সরাল কমিশন? মনে করা হচ্ছে, ভোটের সময় ওই কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা আরও আঁটোসাঁটো করতে, নজরদারি বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত।

নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে আমলা এবং আইপিএস পদে বদল করছে কমিশন। ভোট ঘোষণার দিন মধ্যরাত থেকে এই পর্ব শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করেছিল কমিশন। এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission suspended oc
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy