ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকানোর জন্য নজরদারি করতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতরকে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সিইও দফতর। তার আগেই এই বার্তা দিয়েছেন সিইও মনোজ অগ্রবাল।
বুধবার দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটপর্ব শেষ হওয়ার পরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে বিক্ষিপ্ত রাজনৈতিক সংঘর্ষের খবর এসেছে। যা দেখে সতর্ক কমিশন আগাম পদক্ষেপে সক্রিয় হয়েছে বলে সিইও দফতরের একটি সূত্র জানাচ্ছে। কমিশন সূত্রের খবর, চলতি বিধানসভা ভোটের প্রথম দফার আগেই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবে প্রায় দু’হাজার ‘দুষ্কৃতীকে’ গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। দ্বিতীয় দফার আগেও প্রায় সমসংখ্যক ‘দুষ্কৃতীকে’ গ্রেফতার করা হয়। সংশ্লিষ্টরাই অতীতের ভোটগুলিতে এলাকায় এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রাখত। কমিশনের এই পদক্ষেপের ফলে ভোটপর্ব অনেকটাই শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কিন্তু তারা জামিন নিয়ে বাইরে এলে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা এমনকি, কলকাতাতেও ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগ উঠেছিল। খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ-সহ বিভিন্ন অপরাধের ১৯৭৯টি অভিযোগ জমা পড়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। হাই কোর্টের নির্দেশে ‘ভোট পরবর্তী হিংসা’ খতিয়ে দেখে একটি রিপোর্ট তৈরি করেছিল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তা নিয়ে রাজ্যের জবাব চেয়েছিল হাই কোর্ট। খুন, ধর্ষণের মতো কয়েকটি ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ভোট পরবর্তী হিংসার বিভিন্ন মামলা এখনও বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৮:৫০
গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমিয়ে দিল কমিশন! ২৯৪ আসনের জন্য চিহ্নিত হল ৭৭টি কেন্দ্র, কোন জেলায় কতগুলি? -
১৭:৫৫
গণনাকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশ রুখতে কড়াকড়ি কমিশনের! আইডি কার্ডে থাকবে কিউআর কোড, কারা পাবেন অনুমতি? -
১৫:৫৯
কোথায় কোথায় পুনর্নির্বাচন? বিশেষ পর্যবেক্ষককে স্ক্রুটিনি করতে নির্দেশ জ্ঞানেশের! তার পরেই ডায়মন্ড হারবারে সুব্রত -
১১:৪৯
ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে জোড়া মামলা! হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কল্যাণ-সহ দুই আইনজীবীর, শুনানি শেষ -
২৩:৫০
দু’দফা মিলিয়ে ৫১ লক্ষ ভোটার কমেছিল, ভোটদান বৃদ্ধি ৩০ লক্ষ! ‘চমকপ্রদ’ কাণ্ডে রেকর্ড রাজ্যে, নিশ্চিত প্রভাব পড়বে ফলাফলে