মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আপত্তিকর এবং হুমকিমূলক মন্তব্য করেছেন। এমনই অভিযোগ তুলে আরজি কর হাসপাতালে নির্যাতিতা এবং নিহত চিকিৎসকের মায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ ঠুকলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
নির্যাতিতার মাকে এ বার পানিহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে বিজেপি। অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছেন পানিহাটির পদ্মপ্রার্থী। ঘটনাচক্রে, অভিযোগকারী তথা শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণের বিরুদ্ধেও কুকথা বলার অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে প্ররোচনামূলক এবং আপত্তিকর কথা বলেছেন কল্যাণ। পদ্মশিবিরও এই বিষয়ে কমিশনের কাছে নালিশ ঠুকেছে।
রবিবার নির্যাতিতার মায়ের বিরুদ্ধে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন কল্যাণ। তাঁর দাবি, পানিহাটির বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্য কেবল নিন্দনীয়ই নয়, তা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্যও ক্ষতিকর। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে চারটি আর্জি জানিয়েছেন কল্যাণ। এক, বিষয়টি খতিয়ে দেখা। দুই, এই ঘটনায় একটি নিরপেক্ষ তদন্ত করানো। তিন, সংশ্লিষ্ট বিজেপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা এবং চার, নির্বাচনী আচরণবিধি (এমসিসি) ভেঙে কেউ যাতে আর এই ধরনের মন্তব্য করতে না-পারেন, তা নিশ্চিত করা।”
অন্য দিকে, বিজেপির তরফে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর কাছে কল্যাণের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দলের তরফে শিশির বাজোরিয়া কমিশনের কাছে এই বিষয়ে একগুচ্ছ আর্জি জানিয়েছেন। সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, আইন অনুযায়ী কল্যাণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা, কল্যাণ এবং তৃণমূলের অন্য পদাধিকারীরা যাতে এই ধরনের মন্তব্য আর করতে না-পারেন, তার জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত