চলতি বিধানসভা নির্বাচনে এ বার নজরদারি আরও বাড়াতে চায় কলকাতা পুলিশ। শহরের অলিগলিতেও নজর রাখতে তৎপর তারা। সে জন্য বাইক বাহিনীর কথা ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। কলকাতার যে সব গলিতে গাড়িতে চেপে কুইক রেসপন্স টিম পৌঁছোতে পারবে না, সেখানে বাইকে চেপে পৌঁছে যাবে পুলিশ। সঙ্গে নিতে পারবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও। প্রয়োজনে সরু গলিতে বাইকে চেপে ধাওয়া করতে পারবেন অভিযু্ক্তদের। সে কারণেই এই চিন্তাভাবনা করছে পুলিশ। বুথগামী সরু গলি কলকাতায় কত রয়েছে, তা থানাগুলিকে জানাতে বলেছে লালবাজার।
কলকাতার বেশ কিছু বুথে গলির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ওই গলিগুলিতে গাড়ি ঢুকতে পারে না। এ বার সেই সব গলিতেও নজরদারি বাড়াতে চাইছে কলকাতা পুলিশ। কুইক রেসপন্স টিম যাতে সেখানে পৌঁছোতে পারে, সেই চেষ্টাই ব্যবস্থাই করতে চাইছে তারা। সে কারণে এ ধরনের সরু গলি যেখানে রয়েছে, সেগুলি উদিষ্ট থানাকে জানাতে বলেছে লালবাজার। গন্ডগোল করে ওই গলি দিয়ে কেউ যাতে পালাতে না-পারে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কলকাতা পুলিশ। যে সব গলিতে গাড়ি ঢুকতে পারবে না, সেখানে বাইকে চেপে যাবেন টহলরত পুলিশ এবং জওয়ান। এই কাজে কত বাইক লাগতে পারে, তারও ধারণা দিতে বলা হয়েছে থানাগুলিকে।
আরও পড়ুন:
এমনিতে সার্জেন্ট, থানার পুলিশকর্মীরা বাইক নিয়ে শহরে টহল দেন। এ বার ভোটের সময় কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যেরাও তা করতে পারেন। প্রসঙ্গত, ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে কলকাতার রাস্তায় বুধবার ঘুরেছেন পুলিশ কমিশনার অজয়কুমার নন্দ। বৃহস্পতিবার ডিইও (উত্তর) কলকাতা স্মিতা পান্ডে, অতিরিক্ত কমিশনার দেবেন্দ্রপ্রসাদ সিংহ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত