চন্দ্রকোনার জনসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
অন্য রাজ্যের ভোটারদের নাম এ রাজ্যের ভোটার তালিকায় ঢোকাচ্ছে। চন্দ্রকোনার সভায় বিজেপির বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই দলের সর্বস্তরের পদাধিকারীদের তো বটেই সকলকেই এই বিষয়ে নজর রাখতে বলেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত লোকের নাম বাদ গিয়েছে। সেই নামগুলো এখনও তোলা হল না। আর নতুন করে বিহার, রাজস্থান, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ থেকে নাম এনে ঢোকাচ্ছে। বাংলাকেও ট্রেনে করে নিয়ে এসে ভোট দেওয়ানোর চেষ্টা করছে।” একই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, “লক্ষ্য রাখুন কোথায় কী হচ্ছে। আমরা প্রমাণ করে দিয়েছি বস্তা বস্তা কাগজ জমা পড়েছে। কালকেও নির্বাচন কমিশনে ৩০ হাজার নাম জমা দিয়েছে। তারা বাংলার কেউ নয়। কেন দিয়েছে? কারণ ওরা বাংলাকে বধ করতে চায়।”
প্রসঙ্গত, সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-র কার্যালয়ে গিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিইও দফতর থেকে বেরিয়ে অভিষেক অভিযোগ করেন যে, ফর্ম-৬ ভর্তি বস্তা নিয়ে সোমবার কমিশনে ঢুকেছিলেন বিজেপির লোকজন। উদ্দেশ্য, বিহার, উত্তরপ্রদেশের ভোটারদের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ঢোকানো। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি বলেন, সিইও অফিসের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করতে।
অভিষেক সিইও দফতরে ঢোকার সময়ে জানিয়ে যান, বড় চুরি ধরা পড়েছে। বেশ কিছু ক্ষণ পর বেরিয়ে আসেন তিনি। তার পর সিইও দফতরের বাইরের সাংবাদিক বৈঠক করে কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পর অভিযোগ করেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের অভিযোগ, নিজেদের ভোট সুরক্ষিত করতে বাইরের ভোটারদের পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় ঠাঁই দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। সে জন্যই সোমবার বস্তাভর্তি ফর্ম-৬ নিয়ে সিইও দফতরে জমা দিয়ে গিয়েছেন কয়েক জন।
ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয় ফর্ম-৬। এই ফর্মটি প্রধানত দুই শ্রেণির আবেদনকারী ব্যবহার করেন। এক, যাঁরা প্রথম বারের মতো ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন করছেন। দুই, যাঁরা এক সংসদীয় বা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে অন্যটিতে বাসস্থান পরিবর্তন করছেন। বয়স এবং বাসস্থানের প্রমাণস্বরূপ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-সহ এই ফর্মটি পূরণ করে জমা দেওয়া ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করার জন্য একটি বাধ্যতামূলক পদক্ষেপ। অভিষেকের দাবি, সেই ফর্ম নিয়ে সরাসরি সিইও দফতরে গিয়েছিলেন বিজেপির কিছু লোক।
আলুচাষিদের ক্ষতি হলে সরকার পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আলু নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতা বলেন, ”চন্দ্রকোনায় আলুচাষিদের একটা সমস্যা আছে, বিজেপি সেটা নিয়ে খেলছে। ভয় পাবেন না। স্টোরেজ করেছি, যতটা পারব সেখানে নেব। তার পর বাদবাকি অন্য জায়গায় আপনারা বিক্রি করতে পারেন।”
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy