মালদহের কালিয়াচকে অবরোধ-বিক্ষোভ এবং বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সুপ্রিম কোর্টও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তির কাজে যুক্ত বিচারেকদের নিরাপত্তায় কি এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখা হবে? শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের বৈঠকে উঠেছে সেই প্রশ্ন। সূত্রের খবর, বৈঠকে রাজ্যের তরফে জানানো হয়, সকল বিচারককে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে।
শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষের সঙ্গে বৈঠক করেন হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার। দুপুর ৩টে থেকে বিকেল সাড়ে ৪টে পর্যন্ত সেই বৈঠক হয়। বৈঠকের মূল বিষয়ই ছিল, বিচারকদের কি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হবে? হাই কোর্ট সূত্রে খবর, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তির কাজে নিযুক্ত সকল বিচারকের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা নিয়ে আলোচনা হয়। নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কি না, সেই বিষয়ও উঠে আসে শুক্রবারের বৈঠকে। রাজ্য আশ্বস্ত করেছে, সকল বিচারকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেবে সরকার।
আরও পড়ুন:
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইবুনাল গঠন করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। রাজ্যের ২৩টি জেলার জন্য ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে। বাদ যাওয়া ভোটারেরা এই ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। ট্রাইবুনালের কাজ এখনও শুরু হয়নি। শনিবার থেকে ভার্চুয়ালি ট্রাইবুনালের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মালদহের ঘটনার পর ট্রাইবুনালের দায়িত্বে থাকা প্রাক্তন বিচারপতিদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। শুক্রবারের বৈঠকে সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত