ছোট্ট ফ্ল্যাটের একফালি বারান্দা। সেখানে জামা-কাপড় শুকোতে দিতে হয়। সেখানেই যদি বাগান হয়, বাগানে আর পা রাখবেন কোথায়? এমন ভাবনা কি আপনার মাথাতেও আসে?
স্থানাভাব থাকলেও তাই বাগান হতে পারে, যদি একটু কৌশলী হওয়া যায়। বারান্দার জায়গা ভরাট হবে না, রেলিংয়েই হতে পারে বাগান। ঝুড়ি থেকে টব ঝুলিয়ে দিন সেখানেই। যত্ন নিলেই ফুটবে ফুল। ফলবে কাঁচালঙ্কা থেকে ধনেপাতা।
কী ভাবে শুরু করবেন এমন বাগান?
আলো-হাওয়া আসে যে দিকে: বারান্দার রেলিং-এর যে অংশে রোদ আসে, আলো-হাওয়ার অভাব নেই, সেই অংশটি বেছে নিন। বেশির ভাগ ফুল এবং সব্জির জন্য অন্তত ছয় ঘণ্টা সূর্যালোকের প্রয়োজন। রেলিং বা গ্রিলের সঙ্গে প্লাস্টিকের আয়তাকার বাক্স আটকে নিন। স্ক্রু দিয়ে এগুলি আটকে নেওয়া যায়। হাতলযুক্ত টব পাওয়া যায়, যেগুলি সহজেই গ্রিলে আটকে দেওয়া যায়।
সঠিক পাত্র: সব্জি চাষ করতে চান না ফুল গাছ, তা বুঝে টব বা সঠিক পাত্র বাছাই করতে হবে। ধাতব, কাঠের, বাঁশের বিভিন্ন রকম শৌখিন বা শক্তপোক্ত পাত্র পাওয়া যায় বাজারে। তবে ফুল বা সব্জি চাষ করতে হলে সেই পাত্রের জল নিকাশি ব্যবস্থাটি উপযুক্ত হওয়া জরুরি। কারণ, জল জমলে চাষে সমস্যা হবে।
সঠিক মাটি: পাত্রগুলি ঝুলিয়ে রাখতে হবে, সেই কারণে বেশি ভারী হলে সমস্যা। বাগানের সাধারণ মাটি কমিয়ে বদলে কোকোপিট যোগ করতে পারেন। এগুলি ওজনে হালকা হয়। সরাসরি নার্সারি থেকে সার মিশ্রিত মাটিও আনতে পারেন। কারণ, গাছের পুষ্টি মাটি থেকেই হবে।
যত্ন: গাছের দেখভাল জরুরি। পাতা হলুদ হয়ে যাচ্ছে কি না, গোড়ায় জল জমল কি না, খেয়াল রাখতে হবে। উপসর্গ বুঝে পদক্ষেপ করা জরুরি। মাঝেমধ্যে দিতে হবে সার। তবে তার মাপ জানা জরুরি।