Advertisement
২৩ জুলাই ২০২৪

মুকুলদা এত কাঁচা-টাকা রাখতে সাহস করেন না

মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিমের পরে নারদ নিউজ আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে শনিবার। সংস্থার প্রধান ম্যাথু স্যামুয়েলের সঙ্গে মির্জার সেই কথোপকথনের নির্বাচিত অংশের প্রথম কিস্তি আজ প্রকাশ করা হল। ২০১৪-র লোকসভা ভোটের আগে গোপন ক্যামেরায় তোলা এই ফুটেজের সত্যতা অবশ্য আনন্দবাজারের পক্ষ থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:২১
Share: Save:

মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিমের পরে নারদ নিউজ আইপিএস অফিসার এসএমএইচ মির্জার সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে শনিবার। সংস্থার প্রধান ম্যাথু স্যামুয়েলের সঙ্গে মির্জার সেই কথোপকথনের নির্বাচিত অংশের প্রথম কিস্তি আজ প্রকাশ করা হল। ২০১৪-র লোকসভা ভোটের আগে গোপন ক্যামেরায় তোলা এই ফুটেজের সত্যতা অবশ্য আনন্দবাজারের পক্ষ থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

ম্যাথু: মুকুলদা আপনাকে কী বললেন?

মির্জা: মুকুলদা বললেন... শেষ যখন কথা হল, রাত তখন প্রায় সওয়া একটা। বহরমপুর থেকে ফিরছেন... কলকাতায় ফিরলেন প্রায় সাড়ে তিনটেয়। পরের দিন সকালে কথা হল।

ম্যাথু: আমি যখন গেছি, তখন সবে ঘুম থেকে উঠলেন।

মির্জা: আমার ফোনেই উঠেছেন। আর এক জনও তাঁর কাছে গিয়েছিল, আপনার ঠিক আগে। এক কোটি নিয়ে গিয়েছিল।

ম্যাথু: হ্যাঁ, দেখলাম। ব্রিফকেস নিয়ে বেরো‌ল।

মির্জা: মুকুলদা নিজে হাতে টাকা নেননি। বলেছেন, মির্জাকে দাও, আমি তার কাছ থেকে নিয়ে নেব। নিজের কাছে এত কাঁচা টাকা রাখতে সাহস করেন না।

ম্যাথু: ইডি-র ভয়?

মির্জা: হ্যাঁ। জানেনই তো ভোটের সময়। শুধু ইডি নয়, নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের কড়া নজরদারি রয়েছে। কোনও খবর পেয়ে তারা ছাপা মারলে গোটা পার্টির হাল খারাপ হয়ে যাবে। তাই মুকুলদা বলেন, ছক্কা হাঁকাও। হা-হা-হা!! কী খাবেন? একটু ড্রিঙ্কস? (অন্য কাউকে) ড্রিঙ্কস লাগাও, সঙ্গে কিছু স্ন্যাক্স।

ম্যাথু: হ্যাঁ, যে কথা হচ্ছিল।

মির্জা: হ্যাঁ, রাতে আমি ফোন করি যখন, মুকুলদা কৃষ্ণনগর পেরোচ্ছিলেন। কাল তো বর্ধমানের তিন জায়গায় সিএম-এর মিটিং ছিল। দু’জায়গায় ঠিক ছিল। ৩০-৩৫ হাজার লোক করে দেওয়া গিয়েছে। এক জায়গায় সমস্যা বাঁধল। বর্ধমান শহরে। হাজার দশেকের বেশি লোক হল না!

ম্যাথু: কেন?

স্বপন দেবনাথ তো মন্ত্রী হয়েছে স্রেফ আমার জন্য

মির্জা: স্রেফ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! এই গরমে লোক তো নিজে আসবে না। বাস ইত্যাদি ভাড়া করে আনতে হয়। তারা কিচ্ছু করেনি। সিএম তো খেপে বোম। সকলের সামনেই লোকাল মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে ঝাড় দিয়ে দিলেন।

ম্যাথু: কোন মন্ত্রী?

মির্জা: স্বপন দেবনাথ। মন্ত্রী হয়েছে তো স্রেফ আমার জন্য। মুকুলদাকে বলে আমিই ওকে মন্ত্রী বানাই। এমনিতে লোক ভাল। কিন্তু শুধু আমি বলেছি বলে মুকুলদা তাকে মন্ত্রী বানিয়েছেন।... তো সিএম তো তাকে আপাদমস্তক ঝাড় দিলেন। সঙ্গে লোকাল বিধায়ক, বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানও খুব ঝাড় খেল। সিএম বললেন, টাকা দেওয়া হয়েছে, তবু তোমরা খরচ করনি!

ম্যাথু: টাকা?

মির্জা: হ্যাঁ, ভোটের সময়ে যেমন প্রার্থীদের টাকা দেওয়া হয়, একে ৫০ হাজার, ওকে ৭০ হাজার... পোস্টার-ফেস্টুন এই সবের... জনসভার লোক আনতেও তেমনই দেওয়া হয়। অবশ্য এখানে হলে আমিই সব ব্যবস্থা করি। সেটা আলাদা কথা। তা, দুটো জায়গায় লোক হয়েছিল।

ম্যাথু: আর একটায় এত কম!

মির্জা: সিএম খুব আপসেট হয়ে পড়েছিলেন। বললেন, মির্জা এখানে রয়েছে, টাকাকড়ির কোনও অভাব নেই। তোমরা খালি নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছো! এক জন বলল, বাস ভাড়া করার টাকা পাইনি। তো খোলা সভায় তিনি সকলকে ধমক লাগালেন। মুকুলদাকে এ সব জানিয়ে আমি বললাম, আপনি কখন ফিরছেন? আমার এক বন্ধু যাবে। বললেন, সকালে আটটা-সাড়ে আটটায় পাঠিয়ে দাও। আমি বললাম, আর এক জনও যাবে এক কোটি নিয়ে। যে আপনার ঠিক আগেই বেরিয়েছিল।

ম্যাথু: হ্যাঁ হ্যাঁ!!

মির্জা: কিন্তু মুকুলদা তখনও ওঠেননি। এত টাকা নিয়ে সে আমাকে ফোন করছে। আমি দু’বার ফোন করলাম মুকুলদাকে। বেজে গেল। তখন এসএমএস করলাম। তার পরে উঠে আমাকে ফোন করল। বললাম, এক জন এক কোটি নিয়ে দোরগোড়ায় অপেক্ষা করছে। আর চেন্নাইয়ের বন্ধুও পৌঁছে গেল বলে। সকাল সকাল কেউ আসার আগে ডিলটা ফিক্সড করে নিন।

ম্যাথু: আচ্ছা?

মির্জা: তখন মুকুলদা বললেন‌, ‘ভাই মির্জা, অবজার্ভাররা বড় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। টাকাগুলো তোমার কাছেই রাখো। আমি পরে নিয়ে নেব।’ আমার পক্ষে ব্যাপারটা সমস্যার। তবু ওদের টাকাটা নিয়ে রাখলাম। সেটা অলরেডি পার্সেল হয়ে গিয়েছে। পৌঁছেও গিয়েছে। বুঝলেন না, আমাকে আপনার নাম করে জিজ্ঞেস করল, ওর ব্যাপারটা যেন কী! আমি বললাম। মুকুলদা বললেন, ‘তুমি যখন পাঠাচ্ছো, ব্যাপারটা জেনুইনই হবে।

ম্যাথু: আমার নাম করে তিনি আপনার সঙ্গে কথা বলেছেন? সত্যি?

মির্জা: নিশ্চয়ই। তো বললেন, আমার পক্ষে এখন কাঁচা টাকা সঙ্গে রাখাটা বেশ শক্ত। ঘোরাঘুরি করছি তো। মুকুলদা তো আজই বর্ধমানে আসছে। হেলিকপ্টারে। সঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী থাকছে, মদনদাও। এই তো আমাকে ফোন করে মদনদা বললেন, আমি যাচ্ছি। মদনদারও প্রচুর কানেকশন আছে। দারুন জনসংযোগ।

ম্যাথু: সত্যিই খুব ভাল জনসংযোগ ওঁর।

মির্জা: তো আমি মুকুলদাকে বললাম, আপনি নাকি সিবিআইয়ের ডিরেক্টরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন? সিবিআইয়ের ডিরেক্টর আমার এক বন্ধুর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আপনি চাইলে যোগাযোগ করা যাবে।

ম্যাথু: রঞ্জিত সিনহা? মুকুলদা চাইলে আমিও যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারি। কিচ্ছু চিন্তা করতে হবে না।

মির্জা: তার দরকার নেই। আমার তো সেখানে বন্ধু রয়েছে। তার কথা বললে, ডিরেক্টর ঠিক দেখা করবে। আরে ইয়ার, তারা এক গ্লাসের বন্ধু। বুঝলেন না?

ম্যাথু: শুনুন ওর ডিরেক্টর হওয়ার পেছনেও আমাদের হাত আছে। আহমেদ পটেলকে ধরে কাজ করাতে হল।

সারদায় কিচ্ছু হবে না, সব সেন্ট্রালের গিমিক

মির্জা: মুকুলদা বললেন, এখন থাক। সিবিআই ডিরেক্টরের সঙ্গে আমি দেখা করেছি, ভোটের আগে যদি লিক হয়, সে এক মহা কেলেঙ্কারি হবে। মুকুলদা আসলে অবজার্ভারদের বেশি ভয় পাচ্ছেন, ইডি-কে নয়। যদিও ইডি-ও সারদা মামলার তদন্ত করছে।

ম্যাথু: এ বার কী হবে?

মির্জা: এগুলো সব সেন্ট্রালের গিমিক।

ম্যাথু: কিন্তু সবাই তো এই কেলেঙ্কারিতে জড়িত, তাই না?

মির্জা: হলেও কারও কিচ্ছু হবে না। আপনাকে বলে দিচ্ছি, কিচ্ছুটি হবে না। সব লোক দেখানো, নাটকবাজি। এখন ভোটের মুখে তল্লাশি টল্লাশি কিছু করবে না ইডি।

ম্যাথু: ১৯৭৭ ব্যাচের এক জন বন্ধু ইডিতে আছে আমার।

মির্জা: হুঁ। ফাইন। আপনার কথা আমি আরও কয়েক জনকে বলেছি। সাড়ে বারোটার সময়ে অভিষেকের সঙ্গে তো কথা হলই, আপনি দেখলেন। শঙ্কু পণ্ডার সঙ্গেও কথা হয়েছে।

ম্যাথু: সেটা কে?

মির্জা: টিএমসি-র ছাত্র সংগঠনের নেতা। সিএমের চারপাশে যারা থাকে, তাদের এক জন। খুব পাওয়ারফুল। কাল মুকুলদা যখন বাইরে ছিল, শঙ্কুই তখন তৃণমূলের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে ছিল। কাল কয়েক জায়গায় ভোট ছিল জানেন তো? সবাই ব্যস্ত। তার মধ্যেও আমি চার-পাঁচ জনের সঙ্গে আপনার বিষয়ে কথা বলেছি। অভিষেককে তো কিছুতেই পাওয়া যায় না। তার বাবা অমিত ব্যানার্জিকে ধরে একটা ব্যবস্থা করা গিয়েছে। কাল আপনার সঙ্গে মোলাকাত হয়েই‌ যাবে।

ম্যাথু: মদনদা কিন্তু দারুণ লোক।

মির্জা: হ্যাঁ। হা হা হা।

ম্যাথু: টাকাটা যখন দিতে গিয়েছি, বললেন— এখানে নয় এখানে নয়, ও দিকে রাখুন। আমি তখন ও দিকটায় রাখলাম। আমারও তো একটা রিস্ক আছে! এতগুলো টাকা পকেটে। তল্লাশি হলে ফেঁসে যাব।

মির্জা: সে তো বটেই। সবাই এখন ভয়ে রয়েছে। অবজারভার কখন এসে ধরে। কে কাকে স্পনসর করছে, সব তারা জানতে চায়। বোকারাই ফাঁসে। এর মধ্যেই আমাদের এই সব ডিল করতে হয়। কেউ তো এ সব জানাজানি করে করে না!

ম্যাথু: ডিল করাটা জানতে হয়। সবাই পারে না।

মির্জা: এর আগে এক দল লোক মদনদাকে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। কী করে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করবে, কী ভাবে ডিল করবে। কোনও ভাবে তারা আমার সঙ্গে এসে দেখা করল। কোম্পানিটা ঝাড়খণ্ডের। কিন্তু লোকটা দিল্লি থেকে এসেছিল। ব‌লল, ‘স্যার, আপনি যদি আমাদের একটা মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে দেন।’ আমি বললাম, ‘নো প্রবলেম।’ মদনদাকে ফোন করায় বললেন, তুমিই ওদের নিয়ে এস। তখন ভোটের সময় নয় বলে সমস্যা হয়নি।... তাদের বললেন, ‘কী কাজ করো ভাই তোমরা?’ তারা বলল এই এই কাজ করি। মদনদা বললেন, ‘কাগজপত্র রেখে চলে যাও। হয়ে যাবে।’ মদনদা কাজ পাইয়ে দিয়েছিলেন তাদের।

ম্যাথু: পাইয়ে দিলেন!

মির্জা: হ্যাঁ, মদনদা ওই রকমই।

কেউ পিয়ালির কথা জানতেও চাইল না

ম্যাথু: মদনদা নাকি সারদা কেলেঙ্কারিতে ভালমতো জড়িত।

মির্জা: কিচ্ছু হবে না, কিচ্ছু হবে না। এক বারই ফেঁসেছিলেন। এক মহিলার সঙ্গে লটঘট ছিল। ফট করে সে সুইসাইড করে বসলো। হা হা হা!

ম্যাথু: হা হা হা।

মির্জা: মদনদাই সিএম-কে তুমি বলে ডাকে। কালীঘাটে একই পাড়ায় থাকে। উনি তো আসলে পিজি হাসপাতালের হিরো। যখন সিপিএম ক্ষমতায় ছিল, তখন থেকেই। ওঁর কথা ছাড়া পিজিতে কোনও রোগী ভর্তি হতে পারত না। এত পাওয়ার। শুধু রাত আটটা বাজলো কি মদ অন।

ম্যাথু: সকালেও সে দিন খেয়েই ছিলেন।

মির্জা: না। ওটা হ্যাংওভার। মদনদা কিছুতে ভয় পায় না। ওই মহিলাকে নিয়ে এত কেচ্ছা, সে সুইসাইড করল, লোকে বলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গিয়েছিল। মদনদা তবু সবার সামনে তার ছোট্ট মেয়েটাকে আদর করতে ছাড়েনি।

ম্যাথু: সে কি মদনদার স্ত্রী ছিল?

মির্জা: না না। ওই রকম স্ত্রী মদনদার অনেক রয়েছে। চারটে-পাঁচটা-ছ’টা। এর নাম পিয়া‌লি, দেখতে সত্যিই খুব সুন্দর। ইনোসেন্ট টাইপ। মেয়েটা এই বর্ধমানের। সে সুইসাইড করল মে-জুন মাসে। নভেম্বরে বর্ধমান পুরসভার ভোট। মদনদা একেবারে আসে না। আমি বললাম, আসছেন না কেন? মদনদা বলে, আরে ইয়ার, গেলেই রিপোর্টারগুলো পিয়ালির কথা জিজ্ঞেস করবে। পার্টির মুখ পুড়বে। আমি বললাম, আপনি আসুন, কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবে না। চার-পাঁচটা সাদা পোশাকের পুলিশ লাগিয়ে দিলাম। রিপোর্টারদের সঙ্গেও সেটিং আছে আমার।

ম্যাথু: সে তো আছেই।

মির্জা: মদনদা এলেন, প্রেস কনফারেন্স করলেন, মিছিলে হাঁটলেন। বক্তৃতা দিলেন। কেউ পিয়ালির কথা জানতেও চাইল না।

ম্যাথু: বাহ্।

মির্জা: আসার আগেও ফোন করেছিলেন মদনদা। ভাই মুখ পুড়বে না তো। বলেছিলাম, আমার ওপর ভরসা রাখুন। বর্ধমানে ৩৫টা ওয়ার্ড আছে। ৩৫টাই টিএমসি।

ম্যাথু: মদনদা খুব দিলদরিয়া মানুষ।

মির্জা: একদম। আমার বউয়ের একটা অনাথ আশ্রম আছে। মদনদা এসেই দু’লাখ টাকার চেক কেটে দিলেন।

ম্যাথু: বেশ বড় জেলা বর্ধমান।

মির্জা: হ্যাঁ। আর আমি সেটায় রুল করি।... আমি কিন্তু বেছে বেছে টিএমসি-র লোককেই সংখ্যায় বেশি ধরি। যাতে কারও কিছু বলার থাকে না। অধীর, মানস ভুঁইয়ার মতো কিছু কংগ্রেসের লোক মিথ্যে নালিশ করায় নির্বাচন কমিশন আমাকে এখন সরিয়ে দিয়েছে। তার পর সিএম কী বলেছে জানেন? বলেছে ও তো কাজের লোক। টিএমসি-র লোককেও ধরে। ওকে কেন সরাবে?

ম্যাথু: সিএম বললেন?

মির্জা: ৭ তারিখ সরাবার অর্ডার দিয়েছে কমিশন। ৬ তারিখ এই সুইসোটেলে একটা মিটিং ছিল। আইজি-র সামনে সিএম বললেন— মির্জা তুমি কিচ্ছু ভেবো না। কাজ করে যাও। হা হা হা! তার পরে ৯ তারিখে মুকুলদা এলেন। গেস্ট হাউসে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা মিটিং হল। সেটিং হয়ে গেল। তার পরে সিএম ঘোষণা করলেন, ভোট মিটে গেলেই মির্জা ফের বর্ধমানের এসপি হিসেবে দায়িত্ব নেবে। অর্ডার দিয়ে দিলেন।

ম্যাথু: সিএম অর্ডার দিয়ে দিলেন!

মির্জা: মুকুলদাকে দিয়ে বলেও পাঠিয়েছেন, মির্জা যেন একদম চিন্তা না-করে।

(চলবে)

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

অন্য বিষয়গুলি:

mirza madan assembly 2016 most read stories
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE