Advertisement

নবান্ন অভিযান

মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিকর ভিডিয়ো! চোখে পড়তেই পুলিশকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিল কমিশন

বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ওই দফায় ভোট রয়েছে কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রে, যেখানে প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে একটি কুরুচিকর ভিডিয়ো নিয়ে সক্রিয় হল কমিশন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৩১
নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশন। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কুরুচিকর মিমের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় পুলিশকে পদক্ষেপ করতে বলল নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ওই ‘মিম’টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে। তা নিয়ে কেউ কোনও অভিযোগ করেননি। তবে সেটি নজরে পড়তেই পুলিশকে পদক্ষেপ করতে বলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, ওই ভিডিয়ো নিয়ে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা রুজু হতে পারে।

বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট। ওই দফায় ভোট রয়েছে কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রে, যেখানে প্রার্থী খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন বিদায়ী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রচারে একে অন্যের দিকে বার বার তোপ দেগেছেন দুই প্রার্থী। শনিবার চক্রবেড়িয়ায় সভা ছিল মমতার। সেই সভায় ‘বিপত্তি’ দেখা দেয়। তাঁর সভাস্থলের কিছুটা দূরে বিজেপি মাইক প্রচার শুরু করে বলে অভিযোগ। তার জেরে ওই সভায় কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়েই তা শেষ করে দেন মমতা। ওই বক্তৃতা জুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘অসভ্যতামির’ অভিযোগ তোলেন তৃণমূলনেত্রী। পরের দিন, রবিবার সেই এলাকায় পদযাত্রা করেন মমতা। সূত্রের খবর, মমতাকে নিয়ে একটি কুরুচিকর ভিডিয়োর ঘটনায় পদক্ষেপ করল কমিশন।

চলতি বিধানসভা ভোটের আবহে বার বার কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যে আবাধ এবং সুষ্ঠু ভাবে ভোট করানোই তাদের লক্ষ্য। রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিভিন্ন সংস্থা তল্লাশি চালিয়ে পশ্চিমবঙ্গে থেকে ৪৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ১৮৩ লিটার মদ উদ্ধার করেছে। কমিশন সূত্রে খবর, গত কয়েকটি নির্বাচনের তুলনায় এ বার রাজ্যে মদ উদ্ধারের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রায় ৪১ কোটি টাকার মদ উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২১-এ প্রায় ১৩৬ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। এ বার ৩৩৯ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রাজ্যের ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে আগামী বুধবার। তার আগে মদ এবং মাদক বাজেয়াপ্ত করার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy