Advertisement

নবান্ন অভিযান

কলকাতায় একই দিনে চার জায়গা থেকে উদ্ধার ৫৭ লক্ষ টাকা! ধরা পড়ল পুলিশের নাকা তল্লাশির সময়ে

সোমবার দুপুরে কলকাতার বড়তলা থানা এলাকায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের কাছে একটি গাড়ি আটকায় পুলিশ। ওই গাড়িতে দু’জন যাত্রী ছিলেন— নদিয়ার ফজলুর রহমান এবং হাওড়ার বিবেক ওঝা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ২১:৩৬
কলকাতায় নাকা তল্লাশি চলাকালীন উদ্ধার হওয়া টাকা।

কলকাতায় নাকা তল্লাশি চলাকালীন উদ্ধার হওয়া টাকা। — নিজস্ব চিত্র।

কলকাতায় নাকা তল্লাশি চলার সময়ে চার জায়গা থেকে উদ্ধার হল টাকা। সোমবার নাকা তল্লাশিতে সব মিলিয়ে ৫৭ লক্ষ টাকারও বেশি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই টাকা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, কোথা থেকে ওই টাকা এল, সেই সব বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করেছে পুলিশ।

সোমবার দুপুরে কলকাতার বড়তলা থানা এলাকায় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের কাছে একটি গাড়ি আটকায় পুলিশ। ওই গাড়িতে দু’জন যাত্রী ছিলেন— নদিয়ার ফজলুর রহমান এবং হাওড়ার বিবেক ওঝা। ওই গাড়ি থেকে ১৬ লক্ষ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই দিনে বড়বাজার থানা এলাকা থেকেও টাকা উদ্ধার হয়। এমজি রোড চত্বরে দীনেশ বসু নামে সিঙ্গুরের এক বাসিন্দাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ১৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিউ মার্কেট থানা এলাকাতেও একটি গাড়ি থেকে ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। গাড়ির মালিক লেকটাউনের বাসিন্দা বসন্তকুমার সোনি। সূত্রের খবর, পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন ওই টাকা তাঁর বাড়ি থেকে ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বসন্তকুমারের ওই দাবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জোড়াসাঁকো থানা এলাকাতেও রোহন আগরওয়াল নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৪ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ ১১টি রাজ্যে নির্বাচন এবং উপ-নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে কমিশন। ওই সময় থেকেই কার্যকর হয় আদর্শ নির্বাচনী বিধি। কমিশন জানায়, অবাধ এবং হিংসামুক্ত ভোট করানোই তাদের লক্ষ্য। সেই কারণে ভোটমুখী পাঁচ রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং তার আশপাশের রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। নজরদারি বাড়ানো হয়। কমিশন জানায়, ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত ভোটমুখী রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকে ৪০৮.৮২ কোটি টাকার বেআইনি জিনিস, নগদ উদ্ধার হয়েছে। তার মধ্যে ১৭.৪৪ কোটি টাকা নগদ, ৩৭.৬৮ কোটি টাকার মদ (১৬.৩ লক্ষ লিটার), ১৬৭.৩৮ কোটি টাকার মাদক, ২৩ কোটি টাকার দামি ধাতু, ১৬৩.৩০ কোটি টাকার উপঢৌকন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Naka Checking
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy