পৃথিবীতে এমন কিছু জায়গার অস্তিত্ব রয়েছে সেগুলিকে বাস্তব জীবনের চেয়ে বরং কল্পকাহিনি বা সিনেমার জন্য তৈরি বলে মনে হয়। তেমনই প্রকৃতির এক বিস্ময়ের হদিস পেলেন ইংল্যান্ডের ভ্রমণপিপাসু এক তরুণ। ঘুরতে ঘুরতে এমন একটি জায়গায় তিনি পৌঁছোন যা দেখে তিনি মুহূর্তের জন্য থমকে গিয়েছিলেন। সেই স্থানটি সর্বসমক্ষে আনার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেই জায়গাটির ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে শেয়ার করতেই তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও এই ভিডিয়োটির সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
ভিডিয়োটি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন স্কট নামের ভ্রমণ বিষয়ক ভ্লগার। নিয়মিত বিশ্ব জুড়ে তাঁর রোমাঞ্চকর অভিযানের ভিডিয়ো শেয়ার করেন এই ব্রিটিশ তরুণ। তাঁর শেয়ার করা ভিডিয়োয় এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ফুটে ওঠেছে। ছোট্ট সন্তানকে কাঁধে বেঁধে নিয়ে হাইকিং করার দৃশ্য দিয়ে ভিডিয়োর শুরু। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে স্কট বললেন, “আপনি কি কখনও মহাসাগরের উপরে হ্রদ দেখেছেন? আচ্ছা, এই দেখুন,” এই বলে তিনি ক্যামেরাটি ঘুরিয়ে পেছনের দৃশ্য দেখালেন। ভিডিয়োয় যে দৃশ্যটি ভেসে উঠল তা প্রায় অবাস্তব মনে হচ্ছিল। খাড়া পাহাড়ের চূড়ায় একটি শান্ত টলটলে হ্রদ। খাড়া পাহাড় নেমে নীচে বিশাল সমুদ্রে মিশেছে। সফেন ঢেউ কালো পাথুরে তীরে আছড়ে পড়ছিল নীচে। উপরের শান্ত হ্রদ আর নীচের উত্তাল সমুদ্রের এই বৈপরীত্য দ্রুত সমাজমাধ্যমে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
বিশাল খাড়া পাহাড়, মেঘে ঢাকা আকাশ এবং উন্মুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে পরিবেষ্টিত স্থানটি পুরো জায়গাটিকে হলিউডি সিনেমার দৃশ্যের মতো মনে হচ্ছিল। এই ভিডিয়ো দেখে উচ্ছ্বসিত নেটাগরিকেরাও। খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে সন্তানকে নিয়ে ভিডিয়োটি তোলার জন্য অনেকেই স্কটকে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘অসাধারণ এই ভিডিয়োটির জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু দয়া করে একটু দূরে সরে দাঁড়ান।” আবার বেশ কয়েক জন নেটাগরিক এই দৃশ্যটিকে নকল বা বিশেষ ভাবে সম্পাদিত বলে দাবি করেছেন। মন্তব্য বিভাগে নেটাগরিক এই স্থানটির নাম শেয়ার করে লিখেছেন, “ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জের ট্রেলানিপানে অবস্থিত সোরভাগসভাতন হ্রদ।” ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। ৪০ লক্ষ লাইক জমা পড়েছে তাতে।