রোড শো সেরেছিলেন শনিবার। মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে। রবিবার শিলিগুড়িতে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগে সকালে নিজের সমাজমাধ্যমে শনিবারের রোড শোয়ের কিছু ঝলক তুলে ধরেছেন তিনি। ১৫ কিলোমিটারের রোড শোয়ে তিনি যে সাড়া পেয়েছেন, তা ‘ভালবাসা’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে জুড়েছেন উন্নয়ন এবং যুব সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতিও।
রাস্তার দু’ধারে ব্যারিকেড করা। সেই ব্যারিকেডের ও পাশে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ থেকে বিজেপির কর্মী সমর্থক। আর মাঝখান দিয়ে এগিয়ে গিয়েছে মোদীর কালো রঙের গাড়ি। সেই গাড়ি থেকেই উচ্ছ্বসিত জনতার দিকে হাত নাড়াচ্ছেন মোদী। অনেকে ফুল ছুড়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ চিৎকার করছেন— এমন নানা ছবিই দেখা গেল শনিবারের রোড শোয়ে। আর তার টুকরো টুকরো মুহূর্ত জুড়ে মিনিট দুয়েকের ভিডিয়ো নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেন মোদী।
শুধু গাড়িতে নয়, শনিবারের রোড শোয়ে আচমকাই মাঝপথে নেমে পড়েন মোদী। ১০০ মিটারের মতো পথ তিনি পায়ে হেঁটে জনসংযোগ করেন। তার পরে আবার গাড়িতে উঠে এগোতে থাকেন। রাতে মাটিগাড়া এলাকায় চা-বলয়ের মাঝে একটি রিসর্টেই থাকেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, শনিবার শিলিগুড়িতেই রোড শো করার কথা ছিল মোদীর। নিরাপত্তাজনিত কারণে শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর রোড শোয়ের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয়। পরে মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে রোড শোয়ের পরিকল্পনা করা হয়।
আরও পড়ুন:
রবিবারের পোস্টে রোড শোয়ের ঝলকের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গবাসীকে বিজেপির দেওয়া ‘প্রতিশ্রুতি’র কথাও মনে করিয়ে দেন। পোস্টে লেখেন, ‘বিজেপি সরকার স্থানীয় উন্নয়নের সমস্যাগুলির সমাধান করবে।’ একই সঙ্গে জুড়ে দেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের যুব সম্প্রদায়ের জন্য নতুন সুযোগ নিয়ে আসবে বিজেপি সরকার।’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত