Advertisement

নবান্ন অভিযান

অনুমতি মেলেনি, বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটের দিন রাহুলের পশ্চিমবঙ্গ সফর ঘিরে অনিশ্চয়তা

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাহুলের দু’টি সভার অনুমতি মেলেনি বলেই খবর। তাই বৃহস্পতিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতার পশ্চিমবাংলা সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাইছেন না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও এআইসিসি নেতা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১৫
Uncertainty within the Congress regarding Rahul Gandhi\\\\\\\'s campaign in Kolkata on April 23

রাহুল গান্ধী। —ফাইল চিত্র।

প্রথম দফার ভোটের দিন পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে আসার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাহুলের দু’টি সভার অনুমতি মেলেনি বলেই খবর। তাই বৃহস্পতিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতার পশ্চিমবাংলা সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাইছেন না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও এআইসিসি নেতা। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, রাহুলের সভা হাওয়ার কথা ছিল শ্রীরামপুর এবং মেটিয়াবুরুজে। এই দু’টি সভারই অনুমতি পাওয়া যায়নি। পার্ক সার্কাসে আরও একটি কর্মসূচি ছিল রাহুলের। কিন্তু কেবলমাত্র একটি জনসভা করতে তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসতে চান না। তাই চেষ্টা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে রাহুলকে দিয়ে দক্ষিণবঙ্গে কমপক্ষে দু’টি সভা করানো। আপাতত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বৃহস্পতিবার রাহুল পশ্চিমবঙ্গে আসবেন না।

প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগে প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হয়ে শ্রীরামপুরে প্রচারে আসবেন রাহুল। পরে মেটিয়াবুরুজ এবং পার্ক সার্কাস ময়দানে একটি সভা করবেন। যদিও কলকাতা পুরসভার নিয়মানুযায়ী এখন আর পার্ক সার্কাস ময়দানে কোনও সভা করা যায় না। তাই সেই পরিকল্পনা বাতিল করে পার্ক সার্কাস এলাকার কোনও বিকল্প জায়গায় সভা করার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু জোড়া সভা করার অনুমতি না মেলায় আপাতত রাহুলের বৃহস্পতিবারের প্রচার কর্মসূচি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বলেই এআইসিসি সূত্রে খবর। পরে যদি অনুমতি পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে একের বেশি সভার আয়োজন করে রাহুলকে প্রচারে আনার চেষ্টা করছে প্রদেশ কংগ্রেস।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Rahul Gandhi Election Campaigns Congress Leader
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy