প্রথম দফার ভোটের দিন পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে আসার কথা ছিল রাহুল গান্ধীর। কিন্তু মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রাহুলের দু’টি সভার অনুমতি মেলেনি বলেই খবর। তাই বৃহস্পতিবার লোকসভার বিরোধী দলনেতার পশ্চিমবাংলা সফর ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। এ প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাইছেন না পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও এআইসিসি নেতা। তবে প্রদেশ কংগ্রেসের এক নেতা জানিয়েছেন, রাহুলের সভা হাওয়ার কথা ছিল শ্রীরামপুর এবং মেটিয়াবুরুজে। এই দু’টি সভারই অনুমতি পাওয়া যায়নি। পার্ক সার্কাসে আরও একটি কর্মসূচি ছিল রাহুলের। কিন্তু কেবলমাত্র একটি জনসভা করতে তিনি পশ্চিমবঙ্গে আসতে চান না। তাই চেষ্টা করা হচ্ছে, দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে রাহুলকে দিয়ে দক্ষিণবঙ্গে কমপক্ষে দু’টি সভা করানো। আপাতত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, বৃহস্পতিবার রাহুল পশ্চিমবঙ্গে আসবেন না।
প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগে প্রদেশ কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছিল, বৃহস্পতিবার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের হয়ে শ্রীরামপুরে প্রচারে আসবেন রাহুল। পরে মেটিয়াবুরুজ এবং পার্ক সার্কাস ময়দানে একটি সভা করবেন। যদিও কলকাতা পুরসভার নিয়মানুযায়ী এখন আর পার্ক সার্কাস ময়দানে কোনও সভা করা যায় না। তাই সেই পরিকল্পনা বাতিল করে পার্ক সার্কাস এলাকার কোনও বিকল্প জায়গায় সভা করার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু জোড়া সভা করার অনুমতি না মেলায় আপাতত রাহুলের বৃহস্পতিবারের প্রচার কর্মসূচি বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বলেই এআইসিসি সূত্রে খবর। পরে যদি অনুমতি পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে একের বেশি সভার আয়োজন করে রাহুলকে প্রচারে আনার চেষ্টা করছে প্রদেশ কংগ্রেস।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
২০:১৬
কমিশনের নির্দেশ মেনে ভোটের আগে চার দাগিকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, উদ্ধার ৬ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা -
১৯:৩০
‘অবাধ ভয়মুক্ত বিধানসভা ভোট নিশ্চিত করতে’ হেল্পলাইন চালু করলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, দরকারে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত -
১৯:০৮
প্রচারের শেষলগ্নে কোচবিহারে রোড শো ‘ড্রিম গার্ল’ হেমার! কলকাতায় পাত পেড়ে মাছ-ভাত খেলেন অনুরাগ -
১৭:৪০
ভোটের মুখে আবার ভাঙন হুমায়ুনের দলে! আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন আরও চার প্রার্থী -
১৭:২০
প্রচারের শেষ লগ্নে উত্তপ্ত দাঁতন, বিজেপি প্রার্থী-সহ জখম কর্মীরা, থানা ঘেরাও, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের