Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটার কার্ড নেই? কী কী নথি নিয়ে বুথে গেলে আপনি ভোট দিতে পারবেন, বাইরে রেখে যেতে হবে কী কী নিষিদ্ধ বস্তু

ভোটার কার্ড না নিয়ে গেলেও ভোট দিতে পারবেন ভোটারেরা। ভোটার কার্ডের বিকল্প হিসাবে ১২টি নথির ব্যবস্থা রেখেছে কমিশন। তার মধ্যে যে কোনও একটি নিয়ে গেলেই ভোট দেওয়া যাবে। তবে নাম থাকতে হবে ভোটার তালিকায়।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৭
বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন।

বুথের বাইরে ভোটারদের লাইন। —ফাইল চিত্র।

রাজ্যের সাত জেলায় ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ রয়েছে বুধবার। শুরু হবে সকাল ৭টা থেকে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। ভোটার কার্ড সঙ্গে না থাকলেও আপনি ভোটদান করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিকল্প কিছু নথির কথার কথা উল্লেখ করেছে কমিশন। সেগুলির মধ্যে যে কোনও একটি সঙ্গে নিয়ে বুথে গেলেই আপনি ভোট দিতে পারবেন। তবে তার জন্য ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকতে হবে।

সাধারণত ভোট দিতে যাওয়ার সময়ে দু’টি নথি সঙ্গে রাখা দরকার— ভোটার কার্ড এবং ভোটার স্লিপ। কমিশন নিযুক্ত বুথস্তরের আধিকারিক (বিএলও)-রা ইতিমধ্যে নিজ নিজ এলাকার ভোটারদের কাছে স্লিপ বিলি করেছেন। কমিশন আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, এ বার আর কোনও রাজনৈতিক দল নয়, স্লিপ বিলি করতে হবে বিএলওদেরই। বিএলও-দের দেওয়া সেই ভোটার স্লিপ নিয়েই যেতে হবে বুথে।

যদি ভোটার তালিকায় আপনার নাম থাকে, সে ক্ষেত্রে সঙ্গে ভোটার কার্ড না থাকলেও আপনি ভোট দিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কমিশন ১২টি বিকল্প নথির কথা বলছে। সেই ১২টি বিকল্প নথির মধ্যে যে কোনও একটি নিয়ে গিয়ে আপনি নিজের ভোট দিতে পারবেন। এই নথিগুলি হল— আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, পেনশনের সচিত্র নথি, ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের ছবি-সহ পাসবই, ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের সচিত্র পরিচয়পত্র, শ্রম মন্ত্রকের প্রকল্পের অধীনে স্মার্ট কার্ড, স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পে শ্রম মন্ত্রকের দেওয়া স্মার্ট কার্ড, সাংসদ-বিধায়কদের দেওয়া সরকারি পরিচয়পত্র এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদের জন্য কেন্দ্রের দেওয়া পরিচয়পত্র।

গত নির্বাচনগুলির মতো এ বারও বুথের মধ্যে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। ফলে মোবাইল সঙ্গে না নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। তবে ভোটারদের অসুবিধার কথা বিবেচনা করে বুথের বাইরে মোবাইল জমা রাখার বিশেষ ব্যবস্থা করেছে কমিশন। সেখানে মোবাইল জমা রেখে তবেই বুথের ভিতরে প্রবেশ করা যাবে। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েও বুথের ভিতর প্রবেশ নিষিদ্ধ। বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা প্রয়োজন মনে করলে কোনও স্মার্ট ডিভাইস (যেমন স্মার্ট ঘড়ি), হেডফোন নিয়েও বুথে প্রবেশে বাধা দিতে পারেন। ফলে ভোট দিতে যাওয়ার সময়ে হেডফোন বা এমন কোনও ডিজিটাল যন্ত্র সঙ্গে না-নিয়ে যাওয়াই ভাল।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission ECI
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy