পরীক্ষায় নকল রুখতে একাধিক সুরক্ষাবিধি জারি করেছে রেল। আগামী মার্চে নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটাগরি বিভাগে নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজিত হবে। সেখানে ‘বায়োমেটিক সিকিয়োরিটি সিস্টেম’-এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই করা হবে। সে জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রেই আবেদনকারীদের তথ্যের সঙ্গে আধার কার্ডের তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে অ্যাডমিট কার্ড ও আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক।
শুধু তা-ই নয়, পরীক্ষার্থীদের আধার কার্ডের ডিজিটাল কপিটি ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) সিস্টেম মারফত ‘আনলক’ করে রাখতে হবে। যাতে পরীক্ষাকেন্দ্রে দ্রুত পরিচয় যাচাইকরণ সম্পূর্ণ হতে পারে।
আরও পড়ুন:
কম্পিউটার বেসড টেস্ট (সিবিটি) পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। তাই প্রার্থীদের সঙ্গে মোবাইল, স্মার্ট ওয়াচ কিংবা কোনও বৈদ্যুতিন সামগ্রী থাকা চলবে না। পরীক্ষার্থীদের কাছে এমন সামগ্রী পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। রেলের পরীক্ষায় এর আগে মোবাইল-সহ একাধিক ভুয়ো পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে পাকড়াও করা হয়েছিল। তাই বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে সেই সমস্ত ভুয়ো পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দেহতল্লাশির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রেই জ্যামারও বসানো হচ্ছে।
কোথায় পরীক্ষা দিতে যাবেন, সেই তথ্য ১২ মার্চের মধ্যে জানিয়ে দেবে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। সাধারণ পরীক্ষার্থীদের ১০০ নম্বরের ওই পরীক্ষার জন্য ৯০ মিনিট বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে, যাঁরা বিশেষ ভাবে সক্ষম, তাঁরা ১২০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করার সুযোগ পাবেন।
নন টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটাগরি বিভাগের অধীনে টিকিট সুপারভাইজার, স্টেশন মাস্টার, গুডস ট্রেন ম্যানেজার, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম টাইপিস্ট, সিনিয়র ক্লার্ক কাম টাইপিস্ট, ট্রাফিক অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে কর্মী নিয়োগের পরীক্ষা ১৬ মার্চ থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে।