Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ ই-পেপার

ভাষা আন্দোলন

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ০১:০০

সকাল সকাল যাঁরা বোকা বাক্সর সামনে বসে পড়েছেন অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস দেখতে, তাঁদের জন্য একটা প্রশ্ন রয়েছে। ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের বিতর্কিত শব্দতালিকা আর এই অস্কার অ্যাওয়ার্ডের সেরা বিদেশি ছবির মনোনয়ন তালিকার মধ্যে কোনও যোগসূত্র আছে কি?

ভাবছেন এই সাত-সকালে এ রকম একটা গুগলির মানে কী? এ বার যে পাঁচটা বিদেশি ছবি অস্কারে মনোনীত হয়েছে, তাদের একটি হল রাশিয়ার ‘লেভিয়াথান’। পরিচালক অন্দ্রেই জ্বিগভিয়ানৎসেভ-এর এই ছবিটি তৈরি হয়েছে রাশিয়ার এমন একটা সময় যখন সে দেশে আইন করে সাহিত্য বা ছবিতে গালাগালি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ হয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সের কোনও দর্শক প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় যখন এ ছবি রাশিয়ায় মুক্তি পেয়েছিল, তখন সাউন্ডট্র্যাক থেকে গালিগালাজ কেটে দেওয়া হয়েছিল। দর্শকের কাছে যা পৌঁছয়, তা হল অভিনেতারা আওয়াজ না করেই বিতর্কিত শব্দগুলো বলছেন!

এত সব হুজ্জুতি করেও ‘লেভিয়াথান’ ইতিমধ্যেই গোল্ডেন গ্লোব-এ সেরা বিদেশি ছবির পুরস্কারটা পেয়ে গিয়েছে। এবং ইতিহাস বলছে যে গত চার বছর গোল্ডেন গ্লোব আর অস্কার দেওয়া হয়েছে একই ছবিকে। কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চিত্রনাট্যের পুরস্কারও পেয়েছে এই ছবি। অস্কার নিয়ে যাঁরা ভবিষ্যদ্বাণী করে থাকেন, তাঁদের নব্বই শতাংশের ধারণা, এই ‘লেভিয়াথান’ই এ বার সেরা বিদেশি ছবির পুরস্কারটা পেয়ে যাবে।

Advertisement


‘ইদা’



ছবির গুণগত মানের দিক থেকে বিচার করে যাঁরা অন্য কথা বলছেন, তাঁদের এক বড় অংশ আবার পোল্যান্ডের ‘ইদা’ ছবিটিকে এগিয়ে রাখছেন। সাদাকালো এই ছবি এক অল্পবয়সি পোলিশ নান-কে নিয়ে। যে জানতে পারে যে হলোকাস্ট-এর জন্য কী ভাবে তাঁর পরিবারের ইহুদি শিকড়গুলো নষ্ট হয়েছে। বাকিরা বাজি রাখছেন আর্জেন্তিনার ‘ওয়াইল্ড টেলস’, মরিশানিয়ার ‘টিমবাকটু’ আর এস্তোনিয়ার ‘ট্যাঞ্জারিনস’-এর ওপর।

শেষ পর্যন্ত কোন দেশ অস্কার পুরস্কারটা বাড়ি নিয়ে যাবে, তা জানা এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। তবে এর মধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ‘লেভিয়াথান’কে ঘিরে অনেক রকমের আলোচনা। দেশে এ রকম কড়া নিয়ম থাকা সত্ত্বেও যে ছবি বানিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়া যায়, তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে ‘লেভিয়াথান’। বাকস্বাধীনতার অভাব থেকে শুরু করে নানা রকমের সমস্যার অজুহাতকে তুড়ি মেরে নস্যাৎ করে দিয়েছে এ ছবি। অস্কার যদি নাও হয় তবুও গোল্ডেন গ্লোব পেয়ে যাওয়াটাও তো কম কথা নয়। আমাদের দেশের যে পরিচালকেরা ইতিমধ্যে সেন্সর বোর্ডের বিতর্কিত শব্দ-তালিকা দেখে মাথা চাপড়ে বলছেন, ‘হায় আর এ দেশে ছবি তৈরি করা যাবে না’, তাঁদের কাছে ‘লেভিয়াথান’‌য়ের এই স্বীকৃতি একটা উদাহরণ হয়ে থাকবে।

পৈতৃক বাড়ি রক্ষা করার জন্য এক মেকানিক তার শহরের মেয়রের সঙ্গে এক আইনি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। এই নিয়েই ‘লেভিয়াথান’ ছবিটি তৈরি। চিত্রনাট্যে ঢুকে পড়ে এক মাতাল মেয়র। যে অফিসে নানা রকমের অপকর্ম করতে থাকে। আর এই মেয়র যে-ঘরে বসে উল্টোপাল্টা কাজকর্ম করে সেখানেই দেওয়ালে টাঙানো আছে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ছবি। সেই পুতিন যাঁর উদ্যোগেই আবার রাশিয়াতে এই গালাগালি নিয়ে আইন তৈরি হয়েছে।

অনেকেই বিদ্রুপ করে বলছেন ‘লেভিয়াথান’ জিতলে নাকি পুতিন বিশ্ব দরবারে জোর গলায় দাবি করতে পারেন যে, রাশিয়ায় সব আইনকানুন থাকলেও বাকস্বাধীনতা নিয়ে কোনও সমস্যা নেই।



অস্কার পাওয়াটা কেন একটা দেশের ছবির কাছে জরুরি হওয়া উচিত, এ নিয়ে তর্কবিতর্ক চলতেই থাকবে। তবে সেই ‘লগান’‌য়ের পর আর কোনও ভারতীয় ছবি অস্কার দৌড়ে এগোতেই পারেনি। অর্থসঙ্কট, ঠিক ছবি বাছা হচ্ছে না বা অস্কার জেতার জন্য যে লবি দরকার সেটা করা হচ্ছে না— না পারার কারণ হিসেবে এই যুক্তিগুলো বারবার দেওয়া হয়। সে কারণগুলো যে অস্বীকার করা যায় তা নয়। কিন্তু এ সবের বাইরে গিয়েও ঠিক একটা প্রশ্ন থেকে যায় না?

সত্যিই কি এ দেশে এখন সেই মানের ছবি তৈরি হচ্ছে যা অস্কারবিজয়ী সেরা বিদেশি ছবি ‘আমুর’ বা ‘আ সেপারেশন’‌য়ের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে? আর কত দিন আমরা ‘এই নেই’, ‘সেই নেই’ বলে অজুহাত দিয়ে যাব? গত বছর আনন্দplus-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নাসিরুদ্দিন শাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল সাম্প্রতিক কালের ভারতীয় সিনেমার গুণগত মান নিয়ে। উত্তরে উনি স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘‘আমরা শুধু বাহ্যিক ব্যাপারগুলো নকল করে যাই। আজও পঞ্চাশের দশকের মিউজিকাল এপ করতে চাই। কিন্তু সেটাও ঠিকঠাক পারি না। আমরা ‘সেভেন ব্রাইডস ফর সেভেন ব্রাদার্স’ রিমেক করে সেটাকে খুন করে দিই। সিনেমাটোগ্রাফি, এডিটিংয়ে উন্নতি হয়েছে। কিন্তু শুধু তা দিয়েই তো আর ভাল সিনেমা হয় না।’’

আজকাল অন্য ধরনের ছবির পোস্টার দেখলেই চোখে পড়ে আমপাতা, জামপাতা, ধনেপাতা দিয়ে মোড়ানো কিছু সিম্বল। দূর থেকে যা দেখে বড় কোনও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের স্বীকৃতি বলে ভুল হতে পারে। কাছে গিয়ে দেখলে ভুলটা ভাঙতে সময় লাগে না। চলচ্চিত্র উৎসব আর পুরস্কারের ফিরিস্তি কম নেই কিন্তু। সেগুলোর মান নিয়ে যদিও সংশয় থেকেই যায়। তবে এই নিয়ে প্রশ্ন তুললে, আবার সেই ভাঙা রেকর্ড। বাজেট, রেড টেপ...

কিন্তু সত্যিকারের প্যাশন থাকলে সমস্যাগুলো অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। সেরা বিদেশি ছবির তালিকায় এ বার অস্কার মনোনীত ‘টিম্বাকটু’র শ্যুটিং হয়েছে আফ্রিকা মরুভূমির সহেল এলাকায়। যেখানে চারিদিকে শুধু আতঙ্কবাদী, যাদের কাছে আবার ছবির বিষয়টা খুব একটা সুবিধার নয়। ছবিটা বানানোর সময় অন্তত দু’‌শো সৈন্য আশেপাশে তাঁবুতে থাকতেন। ঝুঁকি বলতে যে-কোনও মুহূর্তে সুইসাইড বম্বারের সেটে ঢুকে ধ্বংসলীলা চালানো। কিন্তু পরিচালকের একটাই যুক্তি ছিল যদি ছবি তৈরি ছেড়ে দেওয়া হয়, যদি বুঝিয়ে দেওয়া হয় যে তাঁরা ভিতু, তা হলে তো আতঙ্কবাদীদেরই জিত। তাই ঝুঁকি নিতেই হবে। এবং এই ঝুঁকি নেওয়ার ফল ইতিমধ্যে তিনি পেয়েছেন। অস্কার ঘোষণার আগেই কান চলচ্চিত্র উৎসবে দু’‌টো পুরস্কার ‘টিম্বাকটু’র ঝুলিতে।

‘ইদা’ ছবিটির শ্যুটিং নিয়ে অন্য অসুবিধা। চিত্রপরিচালক রিজার্ড লেনসেস্কি একদিন মাত্র শ্যুটিং করে এমন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে তাঁর বিকল্প খুঁজতে হয়েছিল। আর বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল ছবির ক্যামেরা অপারেটর লুকাস জালকে। এই রকম ভাবে যে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি নিয়েও একটা ছবি বানিয়ে তা অস্কারে মনোনয়নযোগ্য করা যায়, তার এক দৃষ্টান্ত তৈরি করে রাখল ‘ইদা’। আর শুধু সেরা ছবি নয়, এমনকী চিত্রপরিচালনার জন্যও আলাদা ভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন লুকাস আর রিজার্ড।


‘লেভিয়াথান’



এ বারে ন’টা অস্কার মনোনীত বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচের ‘দি ইমিটেশন গেম’ ছবিটা তো বানানোই হচ্ছিল না। দুই বেকার ভদ্রলোক, প্রযোজনা নিয়ে তেমন কোনও অভিজ্ঞতা নেই, শুধু মাত্র খবরের কাগজে পড়েছিলেন অ্যালান টুরিং-এর জীবনের অদ্ভুত ঘটনার কথা। সেই টুরিং যিনি কিনা এনিগমা কোড ভেঙে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রচুর মানুষের জীবন বাঁচিয়েছিলেন। পরবর্তী কালে যাঁকে সমকামিতার জন্য শাস্তি পেতে হয়েছিল! শুধু টুরিংয়ের জীবনের অদ্ভুত সব ঘটনা শুনে এই দু’জন ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ছবিটা করবেন বলে। চিত্রনাট্য ভাল হলেও কোনও বড় তারকা নেই বলে বিনিয়োগকারীও এগিয়ে আসতে সময় নিয়েছিলেন। তবু যুদ্ধ থামেনি।

দু’বছর আগে সেরা বিদেশি ছবির পুরস্কার পেয়েছিল ‘আমোর’। মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন জাঁ ল্যুই ত্রেতেনিয়ঁ। ন’বছর অভিনয় করেননি তিনি। ‘আমুর’য়ের শ্যুটিংয়ের কিছু দিন আগে জাঁ-র মেয়ে খুন হয়েছিলেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন তখন এতটাই সঙ্কটপূর্ণ যে তিনি ভেবেছিলেন আত্মহত্যা করবেন। ‘আমুর’য়ের পরিচালক মাইকেল হ্যানেকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে জাঁকে নাকি তাঁদের ছবির প্রযোজক এই বলে বুঝিয়েছিলেন, ‘প্রথমে ছবিটা করে নিই। তার পর আপনি না-হয় আত্মহত্যা করবেন!’

বিদেশে ছবি করা মানেই সেখানে সর্বসুখ— এমনটা বিশ্বাস করার কোনও কারণই নেই। কিন্তু যে কারণে অনেক সময় ছবিগুলো একটা অন্য মাত্রা পাচ্ছে, পরিচালকরা নতুন ভাষা তৈরি করার দিকে এগোচ্ছে, তা হল ওখানকার সিনেমাওয়ালাদের অদম্য প্যাশন। প্রতিকূলতা থাকবেই। তা জেনেও এগোতে ভয় পাচ্ছেন না।

এ দেশে প্রতিকূলতার অজুহাত দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। ‘বয়হুড’-এর আটটা মনোনয়ন প্রসঙ্গ এলেই বলা হবে ১২ বছর ধরে আমাদের দেশে কোনও পরিচালকের একটা ছবির পেছনে পড়ে থাকার বিলাসিতা নেই। কিন্তু বিষয়টা যে শুধু বারো বছর নয়, ভাবনা এবং তার প্রয়োগেও সেটা অজুহাতের আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।

পঁয়ষট্টিতম বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবের বার্লিনঅ্যালে ট্যালেন্টস বিভাগে এ বার জার্মানিতে গিয়েছিলেন শিলাদিত্য বোরা। তাঁর মতে, ‘‘আমরা সহজেই নিজেদের অসন্তোষের কথা বলি। কিন্তু নিজেরা যে ছবির মানটা ভাল করতে পারছি না, তা স্বীকার করি না। মুষ্টিমেয় কিছু উদাহরণ ছা়ড়া এটা মানতেই হবে আমরা কিন্তু বিশ্বমানের ছবি বানাচ্ছি না বা বানানোর চেষ্টাও করছি না। ভাল লেখক দরকার। আর দরকার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন প্রযোজকের।’’



‘লগান’ যে বার ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’য়ের কাছে হেরেছিল, তখন আমির খান স্বীকার করেছিলেন বসনিয়ার ছবিটা আমাদের হিন্দি ছবির থেকে অনেক ভাল। অন্যরা যে আমাদের থেকে ভাল ছবি বানাচ্ছেন, এমন স্বীকারোক্তি ফিল্মি দুনিয়ায় খুব একটা শোনা যায় না। চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় বলছেন সমস্যা হল আমরা ‘অ্যালিবাই’ খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। তাঁর মতে, ‘‘যখন আমাদের ছবি এ-লিস্ট চলচ্চিত্র উৎসবে অ্যাওয়ার্ড পেত, তখন সে ছবিগুলোর মধ্যে একটা নতুন আর্টিকুলেশন থাকত। শুধু আমাদের ‘চারুলতা’, ‘অশনি সঙ্কেত’, ‘মহানগর’ বলছি না। জাপানি ছবি ‘রশোমন’য়ের কথাও ভেবে দেখুন। সে তো খুব বেশি টাকার ছবি নয়। কিন্তু কী সব অস্তিত্ববাদী সঙ্কট তুলে ধরেছিল! আর ছিল পাগল করে দেওয়া ক্যামেরার কাজ।’’ কিন্তু এখন? ‘‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাক্ট হিসেবেও আমাদের ছবিগুলো তেমন পরিণত নয়। আর নান্দনিক দিক থেকেও শুধুমাত্র হরাইজন্টাল এক্সপ্যানশন হয়েছে। নতুন ক্যামেরা এসেছে। হয় স্পেকট্যাকল দেখাচ্ছি, না হয় অণু পরিবারের ট্যুইস্ট আর টার্ন। এর বাইরে যেতে পারছি কই? বিদেশি ছবিতেও যে প্রতিকূলতা নেই, তা তো নয়। কিন্তু আমরা আন্তর্জাতিক ছবি বানাতে গেলেই ভাবছি শুধু আমেরিকার মার্কেট। ইউরোপ, আফ্রিকা এ সব নিয়ে তো ভাবছি না!’’ বলছেন সঞ্জয়।

এ বছর বার্লিনে গোল্ডেন বেয়ার পেয়েছে জাফর পানাহির ‘ট্যাক্সি’। আইনত ইরানে এখন ছবি পরিচালনা করতে পারেন না জাফর। তবুও আটকানো যায়নি তাঁকে। এ প্রসঙ্গ তুললে রে-রে করে উঠবেন অনেকেই। জাফর পানাহি তো একজনই হয়। তাঁকে ক্লোন করা যায় না।

যেটা করা যায়, তা হল সিনেমার ভাষাকে একটু পাল্টানো। সেন্সর বোর্ডের বিতর্কিত তালিকা আর স্ল্যাং ব্যবহার না করতে পারা নিয়ে যে ভাবে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সারা দেশ, ঠিক একই রকম আবেগ যদি সিনেমার নতুন ভাষা খোঁজার ক্ষেত্রে পাওয়া যেত, তা হলে হয়তো আজ ভারতের ঝুলিতে থাকত আরও কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র উৎসবের পুরস্কার।

আমাদের পছন্দ

পাওলি

সেরা ছবি
‘বার্ডম্যান’। এত ভাল যে মনে
হয়নি ওতে কোনও এডিটিং করা হয়েছে

সেরা ছবি
‘বার্ডম্যান’। দশ বছরে
এত ভাল ছবি দেখিনি

সেরা ছবি
‘বার্ডম্যান’ আর ‘বয়হুড’য়ের
মধ্যে কোনও একটা

সেরা অভিনেতা
‘দ্য থিওরি অব এভরিথিং’‌য়ের
এডি রেডমাইনে। স্টিফেন স্টিফেন হকিংয়ের
চরিত্রে এডি অনবদ্য

সেরা অভিনেতা
‘বার্ডম্যান’-এ মাইকেল কিটন।
কী সৎ অভিনয়! চরিত্রে দম এনেছেন কিটন

সেরা অভিনেতা
এই সময়ে আমার সবথেকে পছন্দের
অভিনেতা বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ।
তবে অস্কারটা মাইকেল কিটনের
পাওয়া উচিত। লাইফটাইম রোল

সেরা অভিনেত্রী
‘গন গার্ল’‌য়ের রোজামুন্ড পাইক।
দারুণ অভিনয়

সেরা অভিনেত্রী
‘স্টিল অ্যালিস’-এ জুলিয়ান মুর।
চরিত্রে খুব অথেনটিক অভিনয় করেছেন

সেরা অভিনেত্রী
রোজামান্ড পাইক আর ফেলিসিটি
জোনসের একজন। এ রকম চরিত্র
রোজামান্ড আগে করেননি।
ফেলিসিটি ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দ

আনাচে কানাচে

মিঞা-বিবি: প্রসেনজিৎ-অর্পিতা জি বাংলা সোনার
সংসার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। ছবি: সুব্রত কুমার মণ্ডল।

আরও পড়ুন

More from My Kolkata
Advertisement