Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

বিনোদন

কিছু ছবির পরেই বলিউডকে বিদায়, নিজের শর্তে জীবন কাটাতে ভালবাসেন এই ধনকুবের-কন্যা

নিজস্ব প্রতিবেদন
০৪ নভেম্বর ২০২০ ১০:৪০
বহিরাগত হিসেবেই বলিউডে পা রেখেছিলেন এই ধনকুবের কন্যা। বেশ কিছু ছকভাঙা ছবিতে কাজও করেছিলেন। কিন্তু অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই হারিয়ে যান ইন্ডাস্ট্রি থেকে। অভিনয় না করলেও বিভিন্ন কাজে নিজেকে মেলে ধরেছেন কোয়েল পুরী।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের অন্যতম নাম অরুণ পুরীর মেয়ে কোয়েলের জন্ম ১৯৭৮ সালের ২৫ নভেম্বর। অভিনয়প্রেমী কোয়েল প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন লন্ডনের রয়্যাল অ্যাকাডেমি অব ড্রামাটিক আর্ট-এ।
Advertisement
বলিউডে কোয়েলের আত্মপ্রকাশ ২০০১-এ। রাহুল বসুর পরিচালনায় অভিনয় করেন ‘এভরিবডি সেজ আই অ্যাম ফাইন’ ছবিতে।

পরিচালক রাহুলের প্রথম ছবি ‘এভরিবডি সেজ আই অ্যাম ফাইন’ প্রশংসিত হয়েছিল বিদেশের মঞ্চে।
Advertisement
প্রথম ছবির পরে ৩ বছর অপেক্ষা। ২০০৪-এ কোয়েলের দ্বিতীয় ছবি ‘আমেরিকান ডেলাইট’ ছিল ইন্দো আমেরিকান ছবি।

সে বছরই ইরফান খানের বিপরীতে কোয়েলকে দেখা গিয়েছিল ‘রোড টু লাদাখ’-এ। অবনীশ কুমারের পরিচালনায় এই ছবিটি ছিল ৪৮ মিনিট দৈর্ঘ্যের।

বলিউডের মূল স্রোতের ছবি নিয়‌ে কোনও দিন আগ্রহী ছিলেন না কোয়েল। বরং তাঁকে দেখা গিয়েছে ‘হোয়াইট নয়েজ’, ‘ইটস ব্রেকিং নিউজ’, ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান বাটারফ্লাই’-এর মতো ছবিতে।

‘মিক্সড ডাবলস’, ‘লাইফ মেঁ কভি কভি’, ‘রক অন’-এর মতো ছবিতে কোয়েলের অভিনয় দর্শকমনে দাগ কেটে গিয়েছে।

ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি ছোট পর্দাতেও প্রশংসিত হয়েছে কোয়েলের সঞ্চালনা।

প্রযোজক এবং সঞ্চালক কোয়েলের শো ‘গ্রেট এসকেপ’ এবং ‘আজ কি নারী’ জনপ্রিয় হয়েছিল দর্শকদের কাছে।

তবে কোয়েলের সঞ্চালনায় সবথেকে বেশি জনপ্রিয় শো ‘অন দ্য কাউচ উইথ কোয়েল’।

জেমস ক্যামেরন, অমিতাভ বচ্চন, লেডি গাগা, সলমন রুশদি, পারভেজ মুশারফ-সহ বিশ্বের তাবড় ব্যক্তিত্ব এই শো-এ কোয়েলের মুখোমুখি হয়েছেন।

বাবা অরুণ পুরীর বিস্তৃত মিডিয়া-ব্যবসাও দেখভাল করেন কোয়েল।

২০০৯ সালে বয়ফ্রেন্ড লরেন রিনশেটের সঙ্গে এনগেজমেন্ট হয় কোয়েলের।

সিভিল অ্যাভিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত লরেনের সঙ্গে খাঁটি ইউরোপীয় ঘরানায় বাগদান হয় কোয়েলের। তবে তাঁদের বিয়ে হয়েছিল ভারতীয় রীতি নীতি মেনে।

বিয়ের পর থেকে কোয়েল বেশির ভাগ সময় বিদেশেই থাকেন। তিনি দীর্ঘ দিন জাপানে ছিলেন।

জাপান সরকার কোয়েলকে তাদের পর্যটনের ম্যাসকট নিযুক্ত করেছিল।

টোকিয়াবাসী কোয়েল বিভিন্ন ভিডিয়োতে জাপানকে তুলে ধরেছিলেন। জাপানের পর্যটন বিভাগকে তুলে ধরাই ছিল কোয়েলের মূল লক্ষ্য।

প্যারিসেও অনেক দিন কাটিয়েছেন কোয়েল। তাঁর সংস্থা ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে।

বলিউডের প্রতিযোগিতায় অংশ না নিয়ে কোয়েল জীবন কাটাচ্ছেন নিজের পছন্দ ও শর্ত অনুযায়ী।