ভোপালের ত্বিশা শর্মাকে খুন করা হয়েছে, না কি আত্মহত্যা করেছেন তিনি? তাঁর বাবা-মায়ের অভিযোগ, তাঁদের মেয়েকে তাঁর শাশুড়ি এবং স্বামী মিলে খুন করেছেন। যদিও তদন্তের এই পর্যায়ে এসে পুলিশ মনে করছে, খুন নয়, আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা!
তবে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে পুলিশ এ-ও জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে ত্বিশার শরীরে কোনও মাদকের হদিস মেলেনি। ক্রমশ রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। এই ত্বিশার সঙ্গে দীর্ঘ দিন সময় কাটিয়েছেন স্বরলিপি।
এককালে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন স্বরলিপি। এখন অবশ্য তিনি শহরের আলোচিত ক্যাফের কর্ণধার। হায়দরাবাদে ত্বিশা এবং স্বরলিপি একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। তাই এই ঘটনায় রীতিমতো ব্যথিত তিনি।
ত্বিশা শর্মার সঙ্গে স্বরলিপি। ছবি: সংগৃহীত।
আনন্দবাজার ডট কম-কে স্বরলিপি বললেন, “ত্বিশা আত্মহত্যা করতেই পারে না। খুব প্রাণবন্ত, উচ্ছল মেয়ে ছিল ও।”
দিল্লির মেয়ে ত্বিশা। ছবির কাজের জন্যই হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন তিনি। স্বরলিপি বলেন, “ওর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা একেবারেই ঠিক নয় বলে আমার মনে হয়। ও কখনও সিগারেট, গাঁজাও খায়নি। তখন তো আমি দেখিনি। ওর মা-বাবা, ভাইও আমাকে চিনতেন।” গত দীপাবলিতেও স্বরলিপির সঙ্গে কথা হয়েছে ত্বিশার। তাই তিনি অবাক, কী ভাবে পণ দিয়ে অত ভাল মেয়ের বিয়ে দিল পরিবার! স্বরলিপি যোগ করেন, “আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে ও নয়। ভীষণ মিষ্টি মেয়ে ছিল ও। এমন ইতিবাচক মেয়ে কী করে নিজেকে শেষ করে দিতে পারে? খুব মনখারাপ আমার। আমার মেয়েকে ভালবাসত খুব। বাংলা শিখতে চাইত। শ্বশুরবাড়িতে শাশুড়ি যে ভাবে কথা বলছেন, শুনেই আমার অবাক লাগছে।”
স্বরলিপি নিশ্চিত, ওকে কেউ খুনই করেছেন। তিনি বলেন, “স্বামী পালিয়ে কেন গেলেন?” এত কিছু জানার পরে স্বরলিপির একটাই দাবি, সত্যিটা যেন সামনে আসে।