সাম্প্রতিক কালে অক্ষয় কুমারের অনেক ছবি দর্শকমনে ছাপ ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে। অভিনেতা নিজেই জানিয়েছেন, মা অরুণা ভাটিয়ার মৃত্যুর পর থেকে তাঁর সময়টা খারাপ যাচ্ছে। যদিও ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের কানাঘুষো, প্রযোজকদের একাংশের কাছে তিনি অভিনেতা কম, ব্যবসায়ী বেশি। প্রযোজকের ব্যর্থতা নিয়ে তেমন কোনও মাথাব্যথা নেই অক্ষয়ের। দীর্ঘ ৩৫ বছর কাটিয়ে ফেলেছেন সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে। তবু নিজের ছবি দেখে নিজেকেই চড় মারতে চান অভিনেতা।
১৯৯১ সালে ‘সৌগন্ধ’ ছবির হাত ধরে বলিপাড়ায় আত্মপ্রকাশ করেন অক্ষয় কুমার। এক সময়ে সর্বাধিক উপার্জনকারী অভিনেতা ছিলেন তিনি।নব্বইয়ের দশকে অভিনয় শুরু করলেও ২০০০ সালের পর সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছেছিলেন তিনি।২০০৭ থেকে ২০১৭— এই ১০ বছরের ব্যবধানে আয়ের নিরিখে অভিনেতাদের তালিকার প্রথম সারিতে নাম লিখিয়ে ফেলেন অক্ষয়। অভিনেতা বলেন, ‘‘আমি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছিলাম রোজগার করতেই। তবে কেরিয়ার এত দীর্ঘ হয়েছে, যা সকলের হয় না। আশা করি, আরও পাঁচ বছর কাজ করব। সত্যি বলতে, মৃত্যুর পাঁচ মিনিট আগে অবধি কাজ করতে চাই।’’ যদিও এত কিছুর পরেও আক্ষেপ রয়ে গিয়েছে অক্ষয়ের।
অভিনেতার সংযোজন, “সেই দশকের পর দশক ধরে কাজ করছি, যখন আমি আমার নিজের সিনেমাগুলো দেখতাম, তখন নিজেকে একটা চড় মারতে ইচ্ছে করত। আমি শুধু অ্যাকশন চরিত্রে অভিনয় করেছি এবং কেউ ভাবত না যে, আমি অন্য কিছু করতে সক্ষম। আমি বুঝতে পারলাম যে, আমাকে নিজেকে বদলে ফেলতে হবে এবং আমি ভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে চেয়েছিলাম। এর পর আমি ‘ধড়কন’, ‘হেরাফেরি’, ‘মুঝসে শাদি করোগি’, ‘টয়লেট... এক প্রেম কথা’ এবং ‘প্যাডম্যান’ করেছি।’’ অভিনেতা জানান, নিজেকে ক্রমাগত বদলানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। তবে একটা সময় তাঁকে শুধু অ্যাকশনধর্মী ছবি করতে হয়েছে। সেই খেদ রয়ে গিয়েছে অভিনেতার। খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে ‘ ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ ছবিটি। মূলত অ্যাকশন ও কমেডি ঘরানার ছবিটি মুক্তি পাবে ২৬ জুন।