Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৭ জানুয়ারি ২০২২ ই-পেপার

1

২৭ এপ্রিল ২০১৮ ১১:১২
অন্য মুডে। ছবি: ইশার ফেসবুক পেজের সৌজন্যে।

অন্য মুডে। ছবি: ইশার ফেসবুক পেজের সৌজন্যে।

প্রথম ছবি ‘প্রজাপতি বিস্কুট’। সেখানে আপনি নায়িকা। দ্বিতীয় ছবিতে লিড চরিত্র বেছে নিলেন না কেন?
ইশা: আমার মনে হয়, লিডের ধারণাটা এ বার একটু বদলাতে হবে। ‘গুপ্তধনের সন্ধানে’ ছবিটা একদম অন্য রকম। এখানে কিন্তু আবিরদা লিড। আর আমি ছাড়া আর কোনও মহিলা নেই। সে ক্ষেত্রে আমাকে কি লিড বলবেন? আবার অর্জুনকেও লিড বলতে পারেন। আসলে এই ট্রায়োটা ছাড়া ছবিটা হত না। সে জন্যই বলছি, লিডের ধারণা পাল্টাতে হবে আমাদের। আর এই কারণেই অফার আসার পর হ্যাঁ বলতে দ্বিতীয় বার ভাবতে হয়নি আমাকে।

বুঝলাম। আচ্ছা স্ক্রিন স্পেস…
ইশা: (প্রশ্ন শেষ করতে না দিয়েই) আমি আর একটা কথা বলব?

প্লিজ…
ইশা: আপনি ‘বাজিরাও মস্তানি’ দেখেছেন?

Advertisement

হ্যাঁ, কেন বলুন তো?
ইশা: আপনার কাকে ভাল লেগেছিল? দীপিকা নাকি প্রিয়ঙ্কা?

দু’জনে দু’রকম সুন্দর।
ইশা: দেখুন, ওখানে দীপিকা লিড ছিল। কিন্তু ওইটুকু একটা চরিত্র করে প্রিয়ঙ্কা বেরিয়ে গিয়েছে। আমার তো মনে হয় আমার মতো হাজার হাজার দর্শকের প্রিয়ঙ্কাকে ভাল লেগেছে। অনেক সময় লিডের থেকেও কিছু চরিত্র বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।

আরও পড়ুন, পুরনো প্রেম থেকে কী শিখলেন ইমন?

আপনার লিড সংক্রান্ত ধারণা সুন্দর বোঝা গেল।
ইশা: হা হা…। আমার মনে হল এক্সাম্পেল দিলে আরও ভাল বোঝাতে পারব। সরি, আপনাকে থামালাম। বলুন স্ক্রিন স্পেস নিয়ে কী বলছিলেন।

জানতে চাইছিলাম, স্ক্রিন স্পেস নিয়েও ভাবেন না, তা হলে?
ইশা: শুধুমাত্র স্ক্রিন স্পেস দেখলে মুশকিল আছে। আমার মনে হয়, বাকিগুলোও দরকার। ‘বুড়োসাধু’ আমার একটা ছবি। রিলিজ হয়নি এখনও। ওখানে ছোট্ট পার্ট ঋত্বিকদার সঙ্গে। কিন্তু রিলিজ করলে দর্শক বুঝবেন কত ভাল ছবিটা।

আপনার ‘গুপ্তধনের সন্ধানে’ ছবিটা করার অনেকগুলো ফ্যাক্টরের মধ্যে আবির চট্টোপাধ্যায় একটা ফ্যাক্টর তো?
ইশা: হুম। অনেকগুলো ফ্যাক্টরের মধ্যে আবিরদার সঙ্গে কাজ করব, এটাও একটা ফ্যাক্টর।


‘গুপ্তধনের সন্ধানে’র তিন মুখ্য চরিত্র। আবির, ইশা এবং অর্জুন।



কাজ করে কী শিখলেন?
ইশা: সুইচ অফ আর সুইচ অনটা আবিরদার থেকে শেখার। শটের আগেই হয়তো হাসাহাসি হচ্ছিল। তারপরই সিরিয়াস শটে ঢুকলে এখনও আমার হয়তো রেশ রয়ে যায়। কিন্তু এই সুইচ অফ, সুইচ অনটা আবিরদার থেকে শেখার। সব সময় বলত, জুনিয়র জুনিয়রের মতো থাকো। কাজে কনসেনট্রেট করো। ধরুন, লেগপুল করছে খুব। কিন্তু শটে ঢুকলেই অন্য মানুষ।

অর্জুন চক্রবর্তীর সঙ্গেও তো আপনার প্রথম কাজ।
ইশা: হ্যাঁ। ও প্রথমে একটু চুপচাপ ছিল। পরে ও আবিরদার দলে ভিড়ে গেল। দু’জনে মিলে আমায় লেগপুল করত। বোলপুরে আউটডোরে গিয়ে আমরা দেখলাম, অর্জুনের প্রচুর ফ্যান। মেগা ‘জামাই রাজা’র জন্য। ওখানে মানুষ ঘিরে ধরলেই আবিরদা বলত, এই যে আপনাদের জামাই রাজা। তার পর আমরা খ্যাক খ্যাক করতে করতে হাওয়া। আর অর্জুন বলত, তোমরা আমাকে ফাঁসিয়ে দিলে তো! (হাসি)

আরও পড়ুন, ‘অপ্রিয় সত্যি বলে ফেললে প্রিয়পাত্রী হওয়া যায় না’

আপনিও তো মেগা দিয়েই পরিচিতি পেয়েছেন। ফের টেলিভিশনে ফিরবেন?
ইশা: একটা এক্সপিরিয়েন্স শেয়ার করি। আমার কাছে অফার আসে। আমি ফোন পাই প্রচুর। জানতে চাওয়া হয়, তুমি কি টেলিভিশন করবে? অথবা এই চরিত্রটা একবার শুনে নাও। এই প্রায়োরিটিটা এখন এনজয় করি। তবে এই মুহূর্তে হয়তো টেলিভিশন নয়। আগামী দু’বছর হয়তো নয়। কিন্তু ভাল কিছু পেলে করব।

এখনই করতে চাইছেন না, টেলিভিশনের কাজের সময়টা নিয়ে সমস্যা হবে কি?
ইশা: দেখুন, টাইমটা একটা বড় সমস্যা। তবে অর্জুনকে তো দেখলাম। মেগা করতে করতে ছবিও করল। ও পারলে আমি পারব না কেন? তবে আমার জীবনে হঠাত্ করেই সব কিছু হচ্ছে। তাই হঠাত্ করেই যদি ভাল কিছু আসে তখন করব।

কাজের পাশাপাশি দর্শক কিন্তু আপনার লাভ লাইফ সম্পর্কেও ইন্টারেস্টেড।
ইশা: হা হা হা…। নো কমেন্টস। এ ব্যাপারে কিছু বলব না। এখন শুধুমাত্র কাজ, কাজ আর কাজ।

আরও পড়ুন, বিয়ে করে কি কেরিয়ারে পিছিয়ে পড়লেন? মুখ খুললেন সমতা

এ ব্যাপারে কথা বলা কি বারণ?
ইশা: আমাকে অনিন্দ্যদা (‘প্রজাপতি বিস্কুট’-এর পরিচালক অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়) বলেছিল, কাজটা ফোকাসে রাখ। পার্সোনাল লাইফ নয়। সেটাই মাথায় রাখছি।(মুচকি হাসি)

‘গুপ্তধনের সন্ধানে’র আসল গুপ্তধন কী?
ইশা: সোনাদানা ছাড়াও বাংলার ইতিহাসও তো গুপ্তধন। সেটাই এই ছবির সম্পদ। দেখুন, আমি যখন ইতিহাস পড়েছি, ভাল লাগত না। কিন্তু এখানে যে ভাবে ইতিহাসকে প্রেজেন্ট করা হয়েছে সেটা সব দর্শকের ভাল লাগবে।

আর অভিনয়?
ইশা: সেটা তো আছেই। গৌতম ঘোষ, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শীল, আবির চট্টোপাধ্যায়ের মতো অভিনেতা রয়েছেন এখানে। অর্জুন আছে। আমি কিন্তু জুনিয়র।


‘গুপ্তধনের সন্ধানে’র একটি দৃশ্যে ইশা।



আপনার পরের প্রজেক্ট?
ইশা: পরের ছবি নিয়ে কথা বলার মতো সময় এখনও আসেনি। কথা চলছে। তা ছাড়া একটা ওয়েব সিরিজ করলাম। ‘জাপানি টয়’।

দু’বছরের কেরিয়ারে একটা মেগা, দু’টো ছবি, একটা ওয়েব সিরিজ। দারুণ এগোচ্ছেন তো।
ইশা: তাই কি? আমার তো মনে হয় বেশ স্লো কাজ করছি।

সব কাজই বড় ব্যানারের।
ইশা: হুম। আমি খুব লাকি এ জন্য। আর সকলে আমাকে খুব প্যাম্পারও করে।

আরও পড়ুন, দেবলীনা কি আপনার গার্লফ্রেন্ড? মুখ খুললেন গৌরব

এই দু’বছরে খারাপ কী কী চোখে পড়ল?
ইশা: সত্যি বলছি, খারাপটা দেখার এখনও সুযোগ পাইনি।

বাড়ির সকলে খুশি?
ইশা: আমার ফ্যামিলি থেকে কেউ আগে এই প্রফেশনে আসেনি। আমিও ল’এর ইন্টার্নশিপ করছিলাম। তখনই হঠাত্ মেগার অফার আসে। ফলে মা-বাবা টেনশনে ছিল। তবে সে দিন মা বলছিল, বাবা কোথায় একটা বড় পোস্টার দেখেছে। এই যে এখন ওদের ভাল লাগছে সেটা দেখেই আমার ভাল লাগে।



Tags:

আরও পড়ুন

Advertisement