গত কয়েক মাসে দেওল পরিবারের অন্দরের টানাপড়েন নিয়ে বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছে। শোনা গিয়েছিল, অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পরে তাঁর প্রথমপক্ষের সন্তান, পরিবারের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে হেমা মালিনী এবং তাঁর মেয়েদের। যদিও ধর্মেন্দ্রের প্রথম পক্ষের ছেলে ববি দেওল সেই দাবি উড়িয়ে দেন। তবে অভিনেতার পদ্ম-সম্মান গ্রহণের দিন অনুপস্থিত ছিলেন সানি-ববি। সম্মান গ্রহণ করেন হেমা। সেই নিয়েও নাকি পরিবারের অন্দরের কলহ, শুরু ফিসফাস। এ বার বাবার প্রয়াণের পরবর্তী জীবনের কথা জানালেন ইশা দেওল।
আরও পড়ুন:
ইশা বার বার জানিয়েছেন যে, তিনি এমন বাবা-মায়ের সংসারে জন্ম নিয়ে ঈশ্বরের কাছে কৃতজ্ঞ। বাবা ধর্মেন্দ্রের খুব কাছের ছিলেন ইশা। তাই বাবার না থাকার শূন্যতা কখনওই পূরণ হবে না বলেই জানান তারকা-কন্যা। ইশার জীবনের অনুপ্রেরণা ছিলেন তাঁর বাবা। তাঁকে দিশা দেখাতেন ধর্মেন্দ্র। ইশা বলেন, ‘‘বাবার মৃত্যুর এই বেদনা কখনও, কোনও ভাবেই মুছে যাবে না। এটা বুকে নিয়ে বাকি জীবনটা কাটাতে হবে। তবে বাবার মৃত্যুর পর থেকে আমি আমার খাটটা ‘টেডি বিয়ার’ দিয়ে সাজিয়ে রেখেছি।’’ এর কারণ হিসাবে ইশা জানান, তিনি তাঁর বাবাকে ‘টেডি বিয়ার’ বলেই ডাকতেন। সেই কারণেই যত বেশি সম্ভব এই পুতুল দিয়ে সাজিয়ে রাখেন নিজের বিছানা। যাতে বাবার স্মৃতিকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমোতে পারেন।
অসুস্থতার সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে ২০২৫ সালে প্রয়াত হন ধর্মেন্দ্র। তার মৃত্যুর পরেই তাঁকে পদ্ম-পুরস্কারে সম্মানিত করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ২৫ মে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে স্বামীর মরোণত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন হেমা। অন্য দিকে, ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পরে সানি এবং ববির পরিবার আলাদা করে প্রবীণ অভিনেতার স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন। হেমা স্মরণসভার আয়োজন করেন আলাদা, যা থেকে ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, দুই পরিবারের সম্পর্ক ভাল নয়। তবে সে সব আলোচনায় জল ঢেলেছেন অভিনেতার পরিবারের লোকেরাই।