Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

বিনোদন

‘সঞ্জু’ থেকে বাদ পড়েছে যে ১০ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৪ জুলাই ২০১৮ ১৩:৫২
মুক্তির পরেই বক্স অফিস মাত করেছে ‘সঞ্জুֹ’। সঞ্জয় দত্তের বায়োপিকে রণবীর কপূরের কাজ দেখে প্রায় সকলেই বাহবা দিচ্ছেন। তবে ফিল্মে সঞ্জয়ের জীবনের অনেক ঘটনাই দেখানো হয়নি বলে মত বলিউডের একটা বড় অংশের। সেগুলি কী কী, জানেন?

প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার মৃত্যুর দু’বছর পর রিয়া পিল্লাইকে বিয়ে করেন সঞ্জয় দত্ত। তবে বছর দশেক পরেই তাঁদের সম্পর্কে ছেদ পড়ে। ‘সঞ্জু’তে সেই বিবাহবিচ্ছেদের কোনও উল্লেখই করা হয়নি।
Advertisement
১৯৯৩-তে মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় কারাদণ্ডের পর সঞ্জয় দত্তের থেকে অনেকেই মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। সে সময়ও পাশে ছিলেন শিবসেনার তৎকালীন প্রধান বালসাহেব ঠাকরে। সে কথা ভোলেননি সঞ্জু। জেল থেকে ছাড়া পেয়েই  সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে পুজো দিতে যান। এর পরই বালা সাহেবের সঙ্গে দেখা করেন সঞ্জয় দত্ত। সেই ঘটনার কোনও উল্লেখ নেই ছবিতে।

সঞ্জয় দত্তের জীবনে বহু নারীই এসেছেন। এক সময় তো এটাও শোনা গিয়েছিল মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে তাঁর জমাটি সম্পর্ক রয়েছে। দু’জনেই নাকি একে অপরের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। নয়ের দশকের ‘খলনায়ক’-এ তাঁর সঙ্গে মাধুরীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত নিয়ে বেশ জলঘোলা হয়েছিল। কী আশ্চর্য, সে সব কিছুই তো দেখালেন না রাজকুমার হিরানি।
Advertisement
কুমার গৌরবকে মনে আছে? হিন্দি সিনেমার এক কালের নায়ক রাজেন্দ্র কুমারের ছেলে কুমারকে দেখা গিয়েছিল ‘কাঁটে’ ফিল্মে সঞ্জয়ের শ্যালক হিসেবে। ব্যক্তি জীবনেও তাঁদের একই সম্পর্ক। হিরানি সাহেব বোধহয় তা-ও ভুলে গিয়েছেন। কেননা, এ সবের কোনও কিছুই তো দেখা গেল না ‘সঞ্জু’তে।

বলি ইন্ডাস্ট্রিতে সলমন খানের মতো বন্ধুর নাকি দেখা মেলা ভার। এক সময় সঞ্জু-সলমনের বন্ধুত্বও বেশ গাঢ় ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে সম্পর্ক বেশ শীতল হয়ে গিয়েছে। ‘সঞ্জু’তে সেই সম্পর্কও ধরা পড়েনি।

বিতর্ক যেন কখনও সঞ্জয়ের পিছু ছাড়েনি। তা সে কলেজে পড়াকালীন মাদক সেবন করাই হোক বা মুম্বইয়ের অন্ধকার জগতের সঙ্গে সম্পর্ক। ‘সঞ্জু’তে দেখানো হয়েছে মুম্বইয়ে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের আগে গ্যাংস্টারের থেকে বিস্ফোরক ও অস্ত্র নিচ্ছেন সঞ্জয়। তবে ফিল্মে আবু সালেম বা ছোটা শাকিলের মতো গ্যাংস্টারের সঙ্গে তাঁর তথাকথিত ‘সম্পর্কে’র কথা এড়িয়ে গিয়েছেন হিরানি।

অভিনয় ছাড়াও বাবা সুনীল দত্তের মতোই এক বার রাজনীতির ময়দানে নেমেছিলেন সঞ্জয়। ২০০৯ সালে সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন। তবে ’৯৩-র মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে তাঁর নাম জড়িত থাকায় সঞ্জয়ের প্রার্থীপদ বাতিল করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তা-ও তো দেখা গেল না ‘সঞ্জু’তে।

সঞ্জয়ের জীবনে ‘মুন্নাভাই এমবিবিএস’ একটা মাইলফলক। তবে তাঁর আগেও ‘বাস্তব’-এর হাত ধরে অভিনেতা সঞ্জয়কে দেখেছিল ইন্ডাস্ট্রি। হিরানির ‘সঞ্জু’তে মুন্নাভাইয়ের ক্লিপিংস দেখানো হলেও ‘বাস্তব’-এর চিহ্নমাত্র দেখা যায়নি।

পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তের একের পর এক ফিল্মে এক সময় দেখা গিয়েছিল সঞ্জয় দত্তকে। দু’জনের গভীর বন্ধুত্বের কথা কারও অজানা নয়। তবে তা বোধহয় হিরানির কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়নি। না হলে কেন সঞ্জয়ের জীবনের এ দিকের কোনও উল্লেখ নেই।

আমেরিকার একটি হাসপাতালে রিহ্যাবে থাকাকালীন ভাবী স্ত্রী রিচা শর্মার সঙ্গে সঞ্জয়ের দেখা হয়েছিল। ওই হাসপাতালেই ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা করাতে ভর্তি ছিলেন রিচা। রিচার মৃত্যুর পর মেয়ে ত্রিশলা দত্তের সঙ্গে সম্পর্ক বিষিয়ে যায় সঞ্জয়ের। ফিল্মে তা-ও তো দেখা গেল না হিরানি সাহেব!