গরম বিরিয়ানির নরম মাংসে কামড় দিতে দিতে ইলিশ মাছের কথা মনে পড়ছে তাঁর। ডিমভরা বরিশালের ইলিশ! আড্ডার মেজাজে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। এসেছেন ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডের নিমন্ত্রণ পেয়ে। অন্য দিকে অরিন্দম শীল জানালেন ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনায় তিনি কতটা আগ্রহী। সেই ‘মনের মানুষ’ থেকে পাওলির ঢাকা যোগাযোগ। এ দেশে এসেছেন বহু শুটিংয়ে। জানালেন, এ দেশের জামদানি থেকে ইলিশ মাছের গন্ধ ঘিরে রাখে তাঁকে।

মীরের সঙ্গে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায় গার্গী রায়চৌধুরী। তিনি বললেন, ‘‘শুধুমাত্র কাঁটাতারের ফারাক। নজরুল আর রবীন্দ্রনাথ মিশে আছে এ দেশের বট হিজলের বনে।’’ এ ভাবেই টলিপাড়ার সব তারকা জমায়েত হয়েছিলেন ভারত-বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। দুই দেশের এই বৃহৎ শিল্পী সমন্বয় গড়ে তুলবে এক শক্তিশালী শিল্পীবলয়কে যার ভাষা বাংলা। মন্ত্রী তথা নাট্যব্যক্তিত্ব ব্রাত্য বসু যেমন এই অনুষ্ঠানের জুরি হিসেবে সম্মানিত। তাঁর সাফ জবাব: ‘‘মৌলবাদ থাকবে। ভার্চুয়াল স্পেস আমাদের দুই দেশের মানুষকে ক্রমশ দূরে নিয়ে যাবে। আগে জানতাম আমরা এ পারের কোথায় ভাল নাটক লেখা হচ্ছে। ও পারে কে কী ছবি তৈরি করছে। আজ জানি না। এই  না জানার পরিসর মিটিয়ে ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড এক নতুন দিগন্তরেখার ছবি আঁকতে প্রস্তুত, যেখানে দুই বাংলার সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানে একক বাংলা সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।’’ ব্রাত্য বসু ঢাকায় এসে জানালেন, আগামী বছরে তিনি বাংলা ছবি পরিচালনার কাজে হাত দেবেন।

আরও পড়ুন: অ্যাকাউন্টে ১৮ টাকা, ছিল না খাবার, জামাকাপড়ও: রাজকুমার রাও

আরও পড়ুন: জনতার কাছে ক্ষমা চাইলেন অমিতাভ!

দুই বাংলার শিল্প মিলনের এই মহোৎসবের উদ্যোক্তা ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া, ঢাকার বসুন্ধরা গোষ্ঠী এবং টিএম ফিল্মস্। সুর, ছন্দ, শব্দ আর দৃশ্যের কোনও বিভাজন হয় না, জানিয়ে গেল ভারত-বাংলাদেশ ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের একুশে অক্টোবর!