Advertisement
E-Paper

গৌরবের জন্য বিশেষ রান্না শ্বশুরের, পিসি সরকারের বাড়িতে জামাইষষ্ঠীর এলাহি আয়োজন, বাহারি খাবার দেখে স্মৃতিতে ডুব দীপঙ্করের

চিংড়ি, ইলিশ থেকে পাঁঠার মাংস— জামাই-আদর হবে, নানাবিধ বাঙালি পদ পাতে পড়বে না, তা কি কখনও হয়? তা জামাই নতুন হন বা পুরনো। তাই তো গৌরবের জন্য জমিয়ে পাঁঠার মাংস রাঁধলেন ঋদ্ধিমার বাবা। জামাইয়ের প্রিয় ইলিশ রাঁধলেন মৌবনীর মা। জামাইষষ্ঠীর খাওয়াদাওয়া দেখে দীপঙ্কর দে ডুব দিলেন সত্যজিৎ রায়ের শুটিংয়ের গল্পে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১৭:১১
প্রতি বছর নিয়ম করে ‘জামাইষষ্ঠী’ পালন করেন তারকাদম্পতি গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা ঘোষ। আগে ঋদ্ধিমার মা, জামাই গৌরবের জন্য তাঁর পছন্দের পাঁঠার মাংস রাঁধতেন। এখন তাই গৌরবের জন্য সেই রান্না ঋদ্ধিমা নিজেই করেন। তাঁদের বাড়িতে থাকেন অনন্তদা, তিনি ঋদ্ধিমার মায়ের কাছেই রান্না শিখেছেন। গৌরবের জন্য নানা পদের আয়োজন করেন তিনি।
০১ / ১৫

প্রতি বছর নিয়ম করে ‘জামাইষষ্ঠী’ পালন করেন তারকাদম্পতি গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা ঘোষ। আগে ঋদ্ধিমার মা, জামাই গৌরবের জন্য তাঁর পছন্দের পাঁঠার মাংস রাঁধতেন। এখন তাই গৌরবের জন্য সেই রান্না ঋদ্ধিমা নিজেই করেন। তাঁদের বাড়িতে থাকেন অনন্তদা, তিনি ঋদ্ধিমার মায়ের কাছেই রান্না শিখেছেন। গৌরবের জন্য নানা পদের আয়োজন করেন তিনি।

এই বছর ঋদ্ধিমার বাবা বিশাখ কুমার ঘোষের রান্নায় হাতেখড়ি। তিনি জামাইয়ের জন্য কষিয়ে রাঁধলেন পাঁঠার মাংস। কব্জি ডুবিয়ে শ্বশুরের হাতের প্রথম রান্না খেতে উদ্‌গ্রীব গৌরব। আসলে ঋদ্ধিমার সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শ্বশুর-জামাইয়ের বন্ধুত্ব গভীর।
০২ / ১৫

এই বছর ঋদ্ধিমার বাবা বিশাখ কুমার ঘোষের রান্নায় হাতেখড়ি। তিনি জামাইয়ের জন্য কষিয়ে রাঁধলেন পাঁঠার মাংস। কব্জি ডুবিয়ে শ্বশুরের হাতের প্রথম রান্না খেতে উদ্‌গ্রীব গৌরব। আসলে ঋদ্ধিমার সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শ্বশুর-জামাইয়ের বন্ধুত্ব গভীর।

কোভিড পরিস্থিতিতেও শ্বশুরমশাই জামাই-আদর থেকে গৌরবকে বঞ্চিত রাখেননি। অতিমারির বিধিনিষেধ মেনেই দরজার গোড়ায় রেখে গিয়েছিলেন জামাইয়ের পছন্দের খাবার। সে বারেও ছিল চিংড়ির কাটলেট, পাঁঠার বিশেষ পদ। পরে ভিডিয়োকলে আশীর্বাদ সেরেছিলেন। গৌরব-ঋদ্ধিমার বন্ধুরাও অভিনেত্রীর বাবার ভক্ত।
০৩ / ১৫

কোভিড পরিস্থিতিতেও শ্বশুরমশাই জামাই-আদর থেকে গৌরবকে বঞ্চিত রাখেননি। অতিমারির বিধিনিষেধ মেনেই দরজার গোড়ায় রেখে গিয়েছিলেন জামাইয়ের পছন্দের খাবার। সে বারেও ছিল চিংড়ির কাটলেট, পাঁঠার বিশেষ পদ। পরে ভিডিয়োকলে আশীর্বাদ সেরেছিলেন। গৌরব-ঋদ্ধিমার বন্ধুরাও অভিনেত্রীর বাবার ভক্ত।

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন গৌরব-ঋদ্ধিমা। তাই নিয়ম করে সপ্তাহে এক দিন অন্তত সকলে মিলে আড্ডা দেন। বছরে একটা কোথাও ঘুরতে তো যেতেই হবে। এখন তাঁদের দলে যুক্ত হয়েছে ছোট্ট ধীর। নাতির সঙ্গে দেখা করতে আর খেলতে রোজ এক বার করে আসেন দাদু।
০৪ / ১৫

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালবাসেন গৌরব-ঋদ্ধিমা। তাই নিয়ম করে সপ্তাহে এক দিন অন্তত সকলে মিলে আড্ডা দেন। বছরে একটা কোথাও ঘুরতে তো যেতেই হবে। এখন তাঁদের দলে যুক্ত হয়েছে ছোট্ট ধীর। নাতির সঙ্গে দেখা করতে আর খেলতে রোজ এক বার করে আসেন দাদু।

এ বারেও এলাহি খাবারের আয়োজন ছিল তাঁদের। মেনুতে ছিল সরু চালের ভাত, শুক্তো, পাঁচ রকম ভাজা, সব্জি দিয়ে মুগের ডাল, ঝুরঝুরে আলুভাজা, মোচার চপ, পটল চিংড়ি, সর্ষে পাবদা, বাসন্তী পোলাও, পাঁঠার মাংস, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি।
০৫ / ১৫

এ বারেও এলাহি খাবারের আয়োজন ছিল তাঁদের। মেনুতে ছিল সরু চালের ভাত, শুক্তো, পাঁচ রকম ভাজা, সব্জি দিয়ে মুগের ডাল, ঝুরঝুরে আলুভাজা, মোচার চপ, পটল চিংড়ি, সর্ষে পাবদা, বাসন্তী পোলাও, পাঁঠার মাংস, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি।

২০২৬ সালের জামাইষষ্ঠীতে তো সরকার বাড়িতে সাজসাজ রব। কিছু দিন আগেই মেজমেয়ে মৌবনীর বিয়ে দিয়েছেন পিসি সরকার জুনিয়র। জামাই সৌম্যের জন্য এ দিন এলাহি আয়োজন। প্রথম জামাইষষ্ঠী বলে কথা! মেয়ে-জামাইয়ের জন্য আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখতে নারাজ শাশুড়ি। তাই নিজের হাতে জামাইয়ের জন্য রান্না করছেন সর্ষে ইলিশ। সৌম্যের প্রিয় মাছ যে ইলিশ।
০৬ / ১৫

২০২৬ সালের জামাইষষ্ঠীতে তো সরকার বাড়িতে সাজসাজ রব। কিছু দিন আগেই মেজমেয়ে মৌবনীর বিয়ে দিয়েছেন পিসি সরকার জুনিয়র। জামাই সৌম্যের জন্য এ দিন এলাহি আয়োজন। প্রথম জামাইষষ্ঠী বলে কথা! মেয়ে-জামাইয়ের জন্য আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখতে নারাজ শাশুড়ি। তাই নিজের হাতে জামাইয়ের জন্য রান্না করছেন সর্ষে ইলিশ। সৌম্যের প্রিয় মাছ যে ইলিশ।

সরকার বাড়িতে জামাইয়ের আতিথেয়তায় যেন কোনও খামতি না থাকে, তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুই বোন মানেকা সরকার এবং মুমতাজ সরকারের উপরে। যদিও একমাত্র জামাইবাবুকে পেয়ে দুই শ্যালিকাকে খুনসুটি করতেই দেখা গেল। নিজেদের বিয়ে হলে কোনও ভাবেই যেন তাঁরা কম কিছু না পান, তার জন্য তদারকিও চলল বিশাল।
০৭ / ১৫

সরকার বাড়িতে জামাইয়ের আতিথেয়তায় যেন কোনও খামতি না থাকে, তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দুই বোন মানেকা সরকার এবং মুমতাজ সরকারের উপরে। যদিও একমাত্র জামাইবাবুকে পেয়ে দুই শ্যালিকাকে খুনসুটি করতেই দেখা গেল। নিজেদের বিয়ে হলে কোনও ভাবেই যেন তাঁরা কম কিছু না পান, তার জন্য তদারকিও চলল বিশাল।

সারা বছরই কর্মসূত্রে দেশ-বিদেশে যেতে হয় পিসি সরকারকে। ফলে বিয়ের পর থেকে সে ভাবে জামাইষষ্ঠী খাওয়া হয়ে ওঠেনি তাঁর। তাই আরও বেশি করে নিজের জামাইয়ের জন্য সবরকমের আয়োজন করার চেষ্টা করেছেন তিনি।
০৮ / ১৫

সারা বছরই কর্মসূত্রে দেশ-বিদেশে যেতে হয় পিসি সরকারকে। ফলে বিয়ের পর থেকে সে ভাবে জামাইষষ্ঠী খাওয়া হয়ে ওঠেনি তাঁর। তাই আরও বেশি করে নিজের জামাইয়ের জন্য সবরকমের আয়োজন করার চেষ্টা করেছেন তিনি।

নতুন জামাইয়ের জন্য মেনুতে ছিল গরম ভাত, বাসন্তী পোলাও, গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই, শুক্তো, পাঁচ রকম ভাজা, মুগের ডাল, আলুভাজা, ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে কচু শাক, সর্ষে ইলিশ, পাবদার ঝাল, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি।
০৯ / ১৫

নতুন জামাইয়ের জন্য মেনুতে ছিল গরম ভাত, বাসন্তী পোলাও, গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই, শুক্তো, পাঁচ রকম ভাজা, মুগের ডাল, আলুভাজা, ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে কচু শাক, সর্ষে ইলিশ, পাবদার ঝাল, চাটনি, পায়েস, মিষ্টি।

বিয়ের আগে রান্না করতে পারতেন না মৌবনী। এ দিকে স্বামী সৌম্য বেজায় ভোজনরসিক। তাই মৌবনী শিখে নিয়েছেন রান্না। এখন নিয়ম করে স্বামীর জন্য নিত্যনতুন পদ রাঁধেন তিনি। যদিও জামাইষষ্ঠীতে জামাইয়ের জন্য ছিল শাশুড়ির হাতের রান্না। হাতপাখা দিয়ে হাওয়া করতে করতেই নিয়ম পালন করে সরকার পরিবার।
১০ / ১৫

বিয়ের আগে রান্না করতে পারতেন না মৌবনী। এ দিকে স্বামী সৌম্য বেজায় ভোজনরসিক। তাই মৌবনী শিখে নিয়েছেন রান্না। এখন নিয়ম করে স্বামীর জন্য নিত্যনতুন পদ রাঁধেন তিনি। যদিও জামাইষষ্ঠীতে জামাইয়ের জন্য ছিল শাশুড়ির হাতের রান্না। হাতপাখা দিয়ে হাওয়া করতে করতেই নিয়ম পালন করে সরকার পরিবার।

বাঙালি মানেই ভোজনরসিক। আর তা যদি কোনও বিশেষ দিন হয়, তা হলে তো আর কথাই নেই। ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি আইনি বিয়ে সারেন দীপঙ্কর দে এবং দোলন রায়। তারপর থেকেই দোলনের মা পালন করেন জামাইষষ্ঠী। এখন তিনি অসুস্থ। তাই গত কয়েকটা বছর রেস্তরাঁয় গিয়েই খাওয়াদাওয়া করেন তারকাদম্পতি।
১১ / ১৫

বাঙালি মানেই ভোজনরসিক। আর তা যদি কোনও বিশেষ দিন হয়, তা হলে তো আর কথাই নেই। ২০২০ সালের ১৬ জানুয়ারি আইনি বিয়ে সারেন দীপঙ্কর দে এবং দোলন রায়। তারপর থেকেই দোলনের মা পালন করেন জামাইষষ্ঠী। এখন তিনি অসুস্থ। তাই গত কয়েকটা বছর রেস্তরাঁয় গিয়েই খাওয়াদাওয়া করেন তারকাদম্পতি।

দোলনের ভাই দুর্গাশিস রায় এবং ভাইয়ের স্ত্রী ঋতিকা রায়। তাঁরা একসঙ্গে এখন মাঝেমাঝেই আড্ডা দেন। খাওয়াদাওয়া করেন। সপ্তাহে এক দিন জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডা জমে তাঁদের হাইল্যান্ড পার্কের বাড়িতে। আনন্দবাজার ডট কম-এ সানরাইজ় প্রেজ়েন্টস ‘জামাইবরণ’ অনুষ্ঠানে দীপঙ্কেরর জন্য চিংড়ি রান্না করলেন দোলনের ভাইয়ের স্ত্রী।
১২ / ১৫

দোলনের ভাই দুর্গাশিস রায় এবং ভাইয়ের স্ত্রী ঋতিকা রায়। তাঁরা একসঙ্গে এখন মাঝেমাঝেই আড্ডা দেন। খাওয়াদাওয়া করেন। সপ্তাহে এক দিন জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া আর আড্ডা জমে তাঁদের হাইল্যান্ড পার্কের বাড়িতে। আনন্দবাজার ডট কম-এ সানরাইজ় প্রেজ়েন্টস ‘জামাইবরণ’ অনুষ্ঠানে দীপঙ্কেরর জন্য চিংড়ি রান্না করলেন দোলনের ভাইয়ের স্ত্রী।

জামাইষষ্ঠীর খাওয়াদাওয়ার বিষয়টা বেশ পছন্দ করেন দীপঙ্কর। তাই আয়োজনও হয়েছিল অন্যরকম। জামাইষষ্ঠীর বিশেষ খাওয়াদাওয়ার তালিকায় ছিল ভাত, মিষ্টি পোলাও, শুক্তো, পাঁচ রকমের ভাজা, সোনা মুগের ডাল, আলুভাজা, লাউ চিংড়ি, ফিস ফ্রাই, চিংড়ির মালাইকারি, সর্ষে পাবদা, আমের চাটনি, পাঁপড়, পায়েস, মিষ্টি।
১৩ / ১৫

জামাইষষ্ঠীর খাওয়াদাওয়ার বিষয়টা বেশ পছন্দ করেন দীপঙ্কর। তাই আয়োজনও হয়েছিল অন্যরকম। জামাইষষ্ঠীর বিশেষ খাওয়াদাওয়ার তালিকায় ছিল ভাত, মিষ্টি পোলাও, শুক্তো, পাঁচ রকমের ভাজা, সোনা মুগের ডাল, আলুভাজা, লাউ চিংড়ি, ফিস ফ্রাই, চিংড়ির মালাইকারি, সর্ষে পাবদা, আমের চাটনি, পাঁপড়, পায়েস, মিষ্টি।

এত রকম পদের স্বাদ নিতে নিতেই পুরনো দিনে ফিরে গেলেন প্রবীণ অভিনেতা দীপঙ্কর। সত্যজিৎ রায়ের সেটে খাওয়াদাওয়ার দৃশ্যের শুটিং হওয়ার আগে কী হত? ডুব দিলেন সেই স্মৃতিতে। সবাই সেই গল্পে হারিয়ে গেলেন নিমেষে।
১৪ / ১৫

এত রকম পদের স্বাদ নিতে নিতেই পুরনো দিনে ফিরে গেলেন প্রবীণ অভিনেতা দীপঙ্কর। সত্যজিৎ রায়ের সেটে খাওয়াদাওয়ার দৃশ্যের শুটিং হওয়ার আগে কী হত? ডুব দিলেন সেই স্মৃতিতে। সবাই সেই গল্পে হারিয়ে গেলেন নিমেষে।

পরিচালক নাকি যখন খাওয়া-দাওয়ার দৃশ্যের শট নিতেন, তা এমন ভাবেই সাজাতেন যাতে সেখানেই পাতপেড়ে সবাই জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে পারেন। রান্না হওয়া গরম খাবার সাজিয়ে দেওয়া হত টেবিলে। তা দিয়েই শট্‌ নেওয়া হত। তার পরে, শট্‌ কাটলে সেই খাবারেই মজতেন তারকারা।
১৫ / ১৫

পরিচালক নাকি যখন খাওয়া-দাওয়ার দৃশ্যের শট নিতেন, তা এমন ভাবেই সাজাতেন যাতে সেখানেই পাতপেড়ে সবাই জমিয়ে খাওয়াদাওয়া করতে পারেন। রান্না হওয়া গরম খাবার সাজিয়ে দেওয়া হত টেবিলে। তা দিয়েই শট্‌ নেওয়া হত। তার পরে, শট্‌ কাটলে সেই খাবারেই মজতেন তারকারা।

সব নিজস্ব চিত্র।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও গ্যালারি

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy