চলতি বছর জানুয়ারি মাসে উদয়পুরে রূপকথার মতো বিয়ে সেরেছেন কৃতি সেননের বোন নূপুর ও গায়ক স্টেবিন বেন। যদিও বিয়ের কয়েক মাসের মধ্যেই নাকি ছন্দপতন! অশান্তির আঁচ কৃতির বোন নূপুরের সংসারে? ‘‘সাংঘাতিক পরিবারে বিয়ে হয়েছে নূপুরের’’, এমনই শোনা যাচ্ছে কানাঘুষো। নেপথ্যে একটি ভাইরাল ভিডিয়ো। অবশেষে সেই ভিডিয়ো নিয়ে মুখ খুললেন স্টেবিন।
আরও পড়ুন:
মাস কয়েক আগে একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সেখানেই দেখা যায় দুই পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে নৈশ্যভোজে যান নূপুর ও স্টেবিন। রেস্তোরাঁর বাইরে ছবিশিকারিরা হাজির হতেই তাঁদের সামনে আসেন নূপুর। পিছনে ছিলেন তাঁর শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্টেবিন। যদিও সেই ভিডিয়োতে দেখা যায় শাশুড়িকে ছবি তোলার জন্য দাঁড়াতে বললে বৌমার কথা পাত্তা না দিয়েই মুখ গোমড়া করে বেরিয়ে যান।
গোটা ঘটনায় অস্বস্তির ছাপ দেখা যায় নুপূর ও স্টেবিনের চোখে-মুখে। তার পর থেকেই নূপুরের শ্বশুরবাড়ি নিয়ে নানা কথা ছড়িয়েছে। কেউ নূপুরের শাশুড়িকে ‘জাঁদরেল’ তকমা দিয়েছেন। এই ভিডিয়ো প্রসঙ্গে অবশেষে মুখ খুললেন স্টেবিন।
তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘‘আমার বাবা-মা খুব সাধারণ মানুষ। যখনই তারা সংবাদমাধ্যমকে দেখেন, চুপচাপ সেখান থেকে সরে যান, কারণ তাঁরা মনে করেন, সংবাদমাধ্যম কিংবা ছবিশিকারিরা তাঁদের জন্য আসেননি। তাঁরা ভাবেন, এটা আমাদের পেশা। মানুষ আমাদের দেখতে চায়, আমার বাবা-মাকে নয়।” স্টেবিন জানিয়েছেন, তাঁর বাবা-মা জানতেন না যে সেখানে ছবিশিকারিরা দাঁড়িয়ে ছিল। ফ্ল্যাশলাইট দেখামাত্রই তাঁরা সামনে এগিয়ে যেতে শুরু করেন। স্টেবিনই নাকি তাঁদের বলেছিলেন, ‘তোমরা এগিয়ে যাও, আমরা পিছনে আছি’। নূপুর যে তাঁদের দাঁড়ানোর জন্য বলছিলেন, কিন্তু সেটা তাঁরা বুঝতে পারেননি।
যাঁরা কটাক্ষ করছিলেন তাঁদের উদ্দেশে স্টেবিন বলেন, ‘‘যাঁরা বলছিলেন নূপুর সাংঘাতিক শ্বশুরবাড়ি পেয়েছে। তাঁরা আমার বাবা-মার সঙ্গে আলাপ হলে বুঝবেন তাঁদের গোটা জীবনটাই সন্তানদের ঘিরে।’’ পাশপাশি স্টেবিন জানান তাঁর বাবা–মা কেরলে থেকে যেতে চেয়েছিলেন, সবুজ গাছপালার মাঝে জীবন কাটাতে চেয়েছিলেন। পুত্র ও পুত্রবধূর জোরাজুরিতেই মুম্বইয়ে এসে থাকছেন।