Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৩ জুলাই ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Bidisha death mystery: অনুভবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল গভীর, ছবি এঁকে উপহারও দেন বিদিশা, ‘নিইনি’ বললেন ব্যবসায়ী

বিদিশার বন্ধুরাই বলেছেন, তিনি ভাল ছবি আঁকতেন। অনুভবকে নিত্যনতুন উপহার দেওয়ারও অভ্যাস ছিল। কিন্তু বিদিশাকে তাঁরা সতর্ক করেছিলেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৬ মে ২০২২ ২০:৩১
Save
Something isn't right! Please refresh.
অনুভব বেরা এবং বিদিশা দে মজুমদার।

অনুভব বেরা এবং বিদিশা দে মজুমদার।

Popup Close

মডেলিংয়ের পাশাপাশি ছবি আঁকার শখও ছিল বিদিশার। অনুভব বেরা নামে যে যুবকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল বলে শোনা যাচ্ছে, তাঁকেও একটি পোট্রেট এঁকে উপহার দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন মৃত মডেলের বান্ধবী দিয়া। বিদিশার মৃত্যুর তদন্তে নেমে সেই ছবি পুলিশের হাতে এসেছে। যদিও অনুভবের দাবি, বিদিশা তাঁর ছবি আঁকলেও তিনি সেই ছবি কখনও নেননি। বিদিশার সঙ্গে যে তাঁর বন্ধুত্বের বেশি আর কোনও সম্পর্ক ছিল না সে কথাই বার বার বুঝিয়ে দিয়েছেন পেশায় ব্যবসায়ী অনুভব।

ছবিটি পেন্সিল স্কেচ। সাদা-কালোয় আঁকা অনুভবের ওই ছবি একটি কালো ফ্রেমে বাঁধিয়েছিলেন বিদিশা। তাঁর বান্ধবী দিয়া আনন্দবাজার অনলাইনকে জানিয়েছেন, ছবিটি গত একমাসের মধ্যেই এঁকেছিলেন বিদিশা। সেটি যে তিনি অনুভবকে উপহার দেবেন, তা জানিয়েছিলেন দিয়াকে। এমনকি, বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে অনুভবের জন্য সাড়ে চার হাজার টাকা দিয়ে একটি স্মার্ট ওয়াচও কেনেন বিদিশা। যদিও দিয়া জানিয়েছেন, বিদিশাকে তিনি তখনই সতর্ক করেছিলেন। তিন মাসের সম্পর্কে অনুভবের জন্য দামি উপহার কিনতে বারণও করেছিলেন। বিদিশা অবশ্য তাতে কান দেননি।

Advertisement
বিদিশার আঁকা অনুভবের পোট্রেট।

বিদিশার আঁকা অনুভবের পোট্রেট।


ছবিটি নিয়ে অনুভবের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয় আনন্দবাজার অনলাইনের তরফে। প্রথমে ছবিটির কথা স্বীকার করতে না চাইলেও পরে অনুভব জানান, ছবিটি যে তাঁর জন্য আঁকা হয়েছে তা জানতে পেরেছিলেন তিনি। কিন্তু নিতে চাননি। বিদিশাকে তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁর কাছ থেকে কোনও উপহার নিতে চান না তিনি।

অনুভবকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারি মাসে ফেসবুকে অনুভবের সঙ্গে আলাপ বিদিশার। এই ক’মাসে এমন কী হয়েছিল যে বিদিশা অনুভবের সঙ্গে এতটা জড়িয়ে গিয়েছিলেন! অনুভবের জবাব, ‘‘ও বরাবরই ডিপ্রেশনে ভুগত। আমি ওকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলাম। ওর সমস্যা দূর করার চেষ্টা করেছিলাম। সেটা হয়তো ওর ভাল লেগেছিল।’’

তা হলে কি স্রেফ ভুল বোঝাবুঝির বশেই এত বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন বিদিশা! জবাবে অনুভব আর কিছু বলতে চাননি। ফোনে জানিয়েছেন, আর যা বলার কোর্টেই বলবেন তিনি।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement