বলিউডে তাঁর আবেদন নিয়ে প্রায়ই আলোচনা হয়। কিছু দিন আগেই বিচ্ছেদ নিয়ে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। ফের বিতর্কে মৌনী রায়। ‘হ্যায় জওয়ানি তো ইশ্ক হোনা হ্যায়’ ছবিতে তিনি বরুণ ধবনের মায়ের চরিত্রে। এখান থেকেই বিতর্কের শুরু।
ছবির ঝলক প্রকাশের পর থেকেই তাঁকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে ট্রোলিং শুরু হয়। ছবিতে তাঁকে বরুণের ‘নকল মা’-এর চরিত্রে দেখা যাবে। এর পরেই নিন্দকেরা প্রশ্ন তোলেন, এই চরিত্রে মৌনীকে কেন নেওয়া হল? মৌনীর বয়স ৪০ বছর। আর বরুণ তাঁর থেকে মাত্র এক বছরের ছোট। তা হলে কী ভাবে বরুণের মায়ের চরিত্রে কী ভাবে এই অভিনেত্রীকে ভাবা হয়েছে? অবশেষে এই সমালোচনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মৌনী।
অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমার এ বিষয়ে সত্যি কিছুই করার নেই। মানুষ কী বলছে, তা নিয়ে আমি ভাবিনি। বিষয়টি এত বড় হয়ে গেল যে, সবাই বলতে শুরু করল, নির্মাতারা কী ভাবে এটা করতে পারেন! কিন্তু আমি তো জানতাম ছবিতে আমি কী করেছি। আমি জানতাম আমার পরিচালক এবং যাঁদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁরা সবাই আমার কাজ নিয়ে খুশি।”
আরও পড়ুন:
বাঙালি অভিনেত্রী স্পষ্ট জানান, তিনি এই ছবিতে কাজ করতে পেরে খুবই খুশি। মৌনী বলেন, “আমি ডেভিড ধবনের বড় ভক্ত। তাঁর ছবি আমার খুবই পছন্দের। তিনি বলেছিলেন, এটাই তাঁর শেষ ছবি হতে চলেছে।” এই ছবির মাধ্যমে পর্দায় প্রথম বার কৌতুকাভিনেত্রী হিসাবে দেখা যাবে মৌনীকে। এর আগে তাঁকে এমন চরিত্রে সচরাচর দেখা যায়নি। মৌনী বলেন, “এটা হাসির ছবি এবং আমি প্রথম বার কমেডি করছি। তাই আমি খুব উৎসাহিত ছিলাম। ছবির প্রচার থেকেও আমাকে দূরে রাখা হয়েছিল। এটা ভাল সিদ্ধান্ত ছিল। কারণ এতে মানুষের কৌতূহল বেড়েছে যে, ছবিতে আমি কী করতে চলেছি!”
এই ছবিতে মৌনী ও বরুণ ছাড়াও কাজ করেছেন জিমি শেরগিল, মৃণাল ঠাকুর, পূজা হেগড়ে এবং মনীশ পাল। তবে মৌনী স্বীকার করেছেন, বরুণের নকল মায়ের চরিত্রে অভিনয়ের কথা শুনে তিনিও প্রথমে অবাক হয়েছিলেন। তিনি বলেন, “প্রথমে মুকেশ ছাবড়া আমাকে ফোন করেছিলেন। যখন তিনি চরিত্রটির কথা বললেন, আমার প্রথম প্রতিক্রিয়াও একই ছিল। আমি বলেছিলাম, ‘ওর মা?’ তার পর আমি গোটা গল্প শুনি।” গল্প শোনার পর তিনি এতটাই হেসেছিলেন যে, ছবিতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন।