প্রাক্তন মন্ত্রী ও বর্তমান বিজেপি বিধায়ক কৈলাস গহলৌতের কনিষ্ঠা কন্যা কুয়েট ইউজি-র প্রথম স্থানাধিকারী। মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে স্নাতক স্তরের কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রান্স টেস্ট-এর ফল। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) পাঁচটি বিষয়ের সর্বোচ্চ নম্বরের সেরা ২০-র তালিকা প্রকাশ করেছে। যে তালিকায় প্রথম নামই রয়েছে দেবিনা গহলৌতের। তিনি সর্বভারতীয় স্তরে প্রথম হয়েছেন।
দেবিনার প্রাপ্ত নম্বর ১২৩২.১৯। মেয়ের এমন ফলে আনন্দিত প্রাক্তন মন্ত্রী কৈলাস। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ছোট মেয়েকে। এই সাফল্যে দেবিনার শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরামর্শদাতা এবং দিল্লি পাবলিক স্কুল এবং প্রতিবেশীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাবা কৈলাস। পাশাপাশি, ধন্যাবাদ দিয়েছেন নিজের স্ত্রী ও বড় মেয়েকেও।
দেবিনার কাছে এ যেন স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো। এক সংবাদমাধ্যমে দেবিনা জানিয়েছেন, এই ফল দেখার পর প্রথমেই তিনি বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। তাঁরা সব সময়ে তাঁর উপর ভরসা রেখেছেন। এমনকি, কঠিন সময়ে প্রতিনিয়ত উৎসাহ জুগিয়েছেন বলেই জানান দেবিনা। তাঁর কাছে এই কৃতিত্ব যতটা নিজের, ঠিক ততটাই তাঁর বাবা-মায়েরও।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, দ্বাদশের পর কেন্দ্র সরকারি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক স্তরে ভর্তি হতে হলে কমন ইউনিভার্সিটি এন্ট্রান্স টেস্ট উত্তীর্ণ হওয়ার প্রয়োজন। প্রতি বছরই ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ) আয়োজন করে এই প্রবেশিকার। এ বছর মোট ১৫,৬৮,৮৬৭ জন পরীক্ষার্থী নাম নথিভুক্ত করেছিলেন, যার মধ্যে ১১,৬৪,০৯৮ জন পরীক্ষায় বসেন। মোট ১৯ দিন ধরে ৩৫টি ভাগে দেশ ও বিদেশের ৩২১টি শহরে (ভারতের বাইরে ১৩টি শহর-সহ) কম্পিউটার ভিত্তিক (সিবিটি) পদ্ধতিতে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। মোট ১৩টি ভাষায় এবং ৩৭টি ভিন্ন বিষয়ের ওপর এই প্রবেশিকা আয়োজিত হয়েছিল। এনটিএ জানিয়েছে, এক জন পরীক্ষার্থী চারটি বিষয়ে ১০০ পার্সেন্টাইল অর্জন করেছেন। ২২ জন পরীক্ষার্থী তিনটি বিষয়ে ১০০ পার্সেন্টাইল পেয়েছেন। এ ছাড়া ৩,০০০-এরও বেশি পরীক্ষার্থী অন্তত একটি বিষয়ে ১০০ পার্সেন্টাইল অর্জন করেছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় বছর পঞ্চাশের কৈলাস দীর্ঘ দিন আম আদমি পার্টি (আপ)-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দিল্লি সরকারে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। তবে ২০২৪-এই আপ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন এবং তারপর বিজেপিতে যোগ দেন।