Advertisement
E-Paper

স্মৃতির বন্ধুর ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিলেন পলাশ! পুলিশি অভিযোগ দায়ের সুরকারের নামে

‘স্মৃতি’ যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না পলাশের। সদ্য ঘোষণা করেছেন, নতুন ছবির কাজ শুরু করেছেন। এরই মধ্যে পুলিশি অভিযোগ দায়ের হল তাঁর নামে।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:১৮
আর্থিক প্রতারণায় নাম জড়াল পলাশ মুচ্ছলের।

আর্থিক প্রতারণায় নাম জড়াল পলাশ মুচ্ছলের। ছবি: সংগৃহীত।

স্মৃতি মন্ধানা তাঁর কাছে শুধুই ‘স্মৃতি’। সেই স্মৃতি সরিয়ে অবশেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছিলেন সুরকার পলাশ মুচ্ছল। আবার তাঁর নামে প্রতারণার অভিযোগ। এ বার স্মৃতির বন্ধু তথা মরাঠী ছবির প্রযোজকের ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দেওয়ার অভিযোগ পলাশের নামে। ইতিমধ্যেই পুলিশি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে সুরকারের নামে।

২০২৫-এর নভেম্বরে চার হাত এক হওয়ার কথা ছিল স্মৃতি-পলাশের। বিয়ের সকালে গায়েহলুদও সারা হয়ে গিয়েছিল। বিকেলে, বিয়ের কয়েক ঘণ্টা আগে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন স্মৃতির বাবা। হাসপাতালে যেতে হয় পলাশকেও। এর পরেই পলাশের বিরুদ্ধে ওঠে প্রতারণার অভিযোগ। দীর্ঘ জলঘোলার পরে সেই বিয়ে থেকে বেরিয়ে আসেন বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার স্মৃতি। সমাজমাধ্যমে, সংবাদমাধ্যমে প্রায় একঘরে হয়ে পড়েন পরিচালক-সুরকার। সে সময়ে বেশ কিছু দিন নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। নতুন কাজের কথা ঘোষণা করতেই নতুন বিপত্তি।

মরাঠী ছবির প্রযোজক বৈভব মানের কাছ থেকে নাকি ৪০ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরত দেননি পলাশ। এই প্রযোজকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘নজ়ারিয়া’ নামে একটি ছবি করেন পলাশ, যেটির চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্ব ছিল পলাশের কাঁধে। প্রযোজককে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সিনেমার কাজ শেষ হতেই সেটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এই ছবির মুক্তির ব্যাপারে উদ্যোগী হননি পলাশ, এমনটাই অভিযোগ প্রযোজকের। তিনি নাকি পলাশকে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে কিছুটা কিছুটা কিস্তিতে টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ, কাজ হয়ে যাওয়ার পরে টাকা ফেরত দেওয়া নিয়ে কোন ও উচ্চবাচ্য নাকি করেননি পলাশ। বাধ্য হয়ে টাকা চাইতে ফোন করলে সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করে দেন পলাশ, এমনটাই অভিযোগ করেছেন বৈভব। এর পরই পলাশের নামে পুলিশি অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হন বৈভব। পলাশের নামে সাংলি থানায় আর্থিক প্রতারণার মামলা করা হয়েছে।

প্রযোজক জানান, পলাশ নাকি কথা দিয়েছিলেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবিটি বিক্রির পরে ১২ লক্ষ টাকা তাঁকে ফিরিয়ে দেবেন। শুধু তাই নয়, ছবিতে অভিনয়ের জন্য একটা চরিত্রও দেবেন। কিন্তু কোনও কথাই রাখেননি পলাশ।

যদিও এই প্রযোজকের সঙ্গে নাকি পলাশের পরিচয় করিয়ে দেন স্মৃতির বাবা। উক্ত প্রযোজক নাকি স্মৃতির শৈশবের বন্ধু। ওই প্রযোজক পলাশের নামে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিশ্বাসভঙ্গ) ও ৪২০ (জালিয়াতি) ধারায় অভিযোগ দায়ের করেন।

Palash Muchhal Smriti Mandhana Bollywood Director Bollywood Celebrity Fraud Case
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy