Advertisement
E-Paper

ফ্যাশন ফিল্ডে

তাঁদের প্রথম পরিচয় খেলোয়াড়। কিন্তু ফ্যাশন দুনিয়াতেও নেমেছেন নিজেদের ব্র্যান্ড নিয়ে।তাঁদের প্রথম পরিচয় খেলোয়াড়। কিন্তু ফ্যাশন দুনিয়াতেও নেমেছেন নিজেদের ব্র্যান্ড নিয়ে।

শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০১৭ ০০:৪০
বিরাট কোহালি

বিরাট কোহালি

বিরাট কোহালি

ক্রিকেট মাঠ হোক কী মাঠের বাইরে, তাঁর মতো ছক্কা হাঁকাতে খুব কম ক্রিকেটারকেই দেখা যায়। ফ্যাশনের দুনিয়ায় বিরাট কোহালির অবাধ যাতায়াত। শোনা যায়, পোশাকের ব্যাপারে বান্ধবী অনুষ্কা শর্মাকেও নাকি টিপস দেন ভারতীয় ক্রিকেট টিমের অধিনায়ক! কিন্তু ফ্যাশনকে শুধু নিজের মধ্যে আটকে রাখেননি তিনি। দিল্লির ছেলে নিজের ফ্যাশন ব্র্যান্ড এনেছেন বাজারে। নিজের মতোই ব্র্যান্ডের নামেও চমক, ‘রং’। ফ্যাশনের ব্যাপারে
বিরাট যে কতটা সচেতন বোঝা যায় একটি ঘটনায়। নিজের ব্র্যান্ডের ফোটোশ্যুটে স্টাইলিস্ট ‘লেয়ার্‌ড’ লুক দিতে চাইতেই, তেড়ে ওঠেন বিরাট। ‘‘রাস্তায় কাউকে দেখেছেন দু’টো জামার ওপরে একটা জ্যাকেট চাপিয়ে ঘুরতে?’’ বক্তব্য ছিল বিরাটের। এ দেশে ছেলেদের পোশাক মানেই ‘সিম্পল’, এ কথাটা ভাল করে বুঝিয়ে দিয়েছেন ডিজাইনারদের।

মহেন্দ্র সিংহ ধোনি

যাঁকে গোটা দেশ ‘ক্যাপ্টেন কুল’ হিসেবে চেনে, তিনি যে ফ্যাশনের ব্যাপারেও কুল আর ক্যাজুয়াল হবেন সেটা তো বলাই বাহুল্য। প্রিয় সংখ্যা সাতের আদলে ব্র্যান্ডের নাম ‘সেভেন’। কিন্তু ক্রিকেটের ব্যাপারে তিনি যেমন প্রচলিত পথে হাঁটেননি, পোশাকের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ‘‘বোল্ড, কনফিডেন্ট আর নিজের টার্মে চলার জন্য যা খুশি করতে পার,’’ এটাই বলেছিলেন ডিজাইনারদের। ‘‘ছোটবেলায় স্বপ্ন দেখতাম নিজের একটা জুতোর ব্র্যান্ড হবে। সেটা এ ভাবে সফল হবে ভাবিনি। আর আমার জার্সির প্রিয় নম্বরের নামে যে ব্র্যান্ড করতে পারব, সেটাতেও দারুণ খুশি আমি,’’ সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন এমএসডি।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

ধোনির মতো তাঁরও প্রিয় নম্বর সাত। তবে ইনি ক্রিকেটের নন, ফুটবলের রাজপুত্র। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। অন্তর্বাস থেকে জুতো, সিআর সেভেন ব্র্যান্ডে বাজারে আছে। তবে নিজের ব্র্যান্ড শুরু করতে কম বেগ পেতে হয়নি তাঁকে। তিনি যে স্পোর্টস ব্র্যান্ডের হয়ে প্রচার করতেন, তারা হুমকি দিয়েছিল রোনাল্ডোর নিজের ব্র্যান্ড বন্ধ না করলে চুক্তি বাতিল করে দেবে তারা। রোনাল্ডো অবশ্য কবেই বা হুমকির ভয় পেয়েছেন! ‘‘নিজের জুতোর ব্র্যান্ড শুরু করা আমার কাছে স্বপ্ন সফল হওয়া। আমার পা, আমার জীবনধারণের অস্ত্র। তাই সেটার জন্য সেরা জিনিসটাই আমার চাই। অন্যরাও যাতে সেটা পেতে পারেন, এটা তার একটা প্রচেষ্টা মাত্র,’’ বলেছিলেন রোনাল্ডো।

মারিয়া শারাপোভা

টেনিস কোর্টের মতোই কোর্টের বাইরেও একই রকম জনপ্রিয় মারিয়া শারাপোভা। টেনিস কেরিয়ারে ভাটা পড়লেও ফ্যাশন দুনিয়ায় তাঁর ঔজ্জ্বল্য কমেনি এতটুকু। শারাপোভার ব্র্যান্ডের শুরু সুগারপোভা দিয়ে। প্রথমে ক্যান্ডি তৈরি করলেও শারাপোভা আস্তে আস্তে ঢুকে পড়েন ক্লোদিং লাইনে। টিশার্টের সঙ্গে সঙ্গে ব্যাগ, টুপি, জুয়েলারি... কোনও কিছুতেই না নেই শারাপোভার। আর তাঁর ব্র্যান্ডের বিশেষত্ব হল, সব প্রডাক্টের গায়ে থাকে ঠোঁটের কোনও না কোনও মোটিফ। ‘‘খেলা আর ব্র্যান্ড দু’টো সামলানো বেশ শক্ত। কিন্তু আমি চাই চমক দিতে,’’ বলেছিলেন শারাপোভা।

রজার ফেডেরার

রজার ফেডেরার রক্ষণশীল। ফোরহ্যান্ড বা ব্যাকহ্যান্ড যেমন তাঁর কপিবুক মার্কা। ফ্যাশনের ক্ষেত্রেও ছকের বাইরে যান না। উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টেও আসেন জ্যাকেট পরে। নিজের ব্র্যান্ড আরএফ-এও তাই সনাতনি ছাপ। কিন্তু ইমোজি তাঁর বড় পছন্দের। ইমোজি ছাড়া তাঁর টুইট খুঁজে পাওয়া শক্ত। তাই তাঁর নতুন টিশার্টের কালেকশনেও ইমোজির ছড়াছড়ি। ফেডেরারের কথায়, ‘‘একটা ইমোজি দিয়ে অনেক কিছু বোঝানো যায়। তাই ফ্যানদের সঙ্গে টুইটারে কথোপকথনে খুব ইমোজি ব্যবহার করি। ভাবলাম টিশার্টে ইমোজি থাকলে কেমন হয়। টেনিস কোর্টে তো আমাকে সব সময় প্রথাগত পোশাকেই লোকে দেখে। কোর্টের বাইরে না হয়, আমার অন্য রূপ দেখল,’’ বলেন ফেডেরার।

ডেভিড বেকহ্যাম

ফুটবল থেকে অবসর নেওয়ার পরও ডেভিড বেকহ্যাম নিয়মিত খবরে। কখনও বাইক চড়ে ঘুরছেন আফ্রিকা, তো কখনও ব্লু স্যুটে হাজির হচ্ছেন হলিউডি ছবির প্রিমিয়ারে। বেকহ্যামের ফ্যাশন ব্র্যান্ডের হাতেখড়ি স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে। কিন্তু পরে এতটাই ফ্যাশনে মগ্ন হয়ে যান যে, নিজেই শুরু করেন ব্র্যান্ড ডিবি। বেরিয়ে আসেন ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ড থেকেও। কারণ, ‘‘ভিক্টোরিয়ার ব্র্যান্ডটা লাক্সারি। আমি চেয়েছিলাম সাধারণের জন্য কিছু করতে,’’ বলেন বেকহ্যাম।

Fashion Players
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy